
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজবাড়ীর কালুখালীতে শরিফ খান (৪২) নামের এক মুদি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ওয়াজ মাহফিল থেকে ফেরার পথে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে উপজেলার রতনদিয়া ইউনিয়নের রুপসা স্লুইচগেট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
কালুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শরিফ রতনদিয়া ইউনিয়নের ধানবাড়িয়া গ্রামের মৃত হাকিম খানের ছেলে। তিনি রুপসা স্লুইচগেট বাজারে ফ্লেক্সিলোডের দোকান পরিচালনা করতেন।
নিহতের স্ত্রী আছমা বেগম জানান, বুধবার রাতে রুপসা স্লুইচগেট বাজারের পাশে গায়েবি মসজিদে ওয়াজ মাহফিল চলছিল। শরিফ রাত সাড়ে ৮টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে ফেরেন। রাতের খাবার খেয়ে ছেলে আরাফাতকে সঙ্গে নিয়ে তিনি মাহফিলে যান। রাত পৌনে ১১টার দিকে মাহফিল থেকে রুপসা স্লুইচগেট বাজারের চা দোকানি তরিকুল তাকে ডেকে নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পরই রাত ১১টার দিকে রুপসা স্লুইচগেট বাজারের জাদুর সেলুনের দোকানের সামনে শরিফের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ পাওয়া যায়। তাকে ঘাড় ও মাথাসহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
আছমা আরও জানান, তার স্বামীর সঙ্গে কারো কোনো শত্রুতা ছিল না। কী কারণে তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে তা তিনি ধারণা করতে পারছেন না। স্বামী হত্যার বিচার চান তিনি।
শরিফের ছেলে আরাফাত বলেন, আমি আর আব্বু মাহফিলে বসে ওয়াজ শুনছিলাম। এ সময় তরিকুল আমার আব্বুর কানে কানে গিয়ে কী যেন বলে ডেকে নিয়ে যান। আব্বু আমাকে মাহফিলে বসিয়ে রেখে তরিকুলের সঙ্গে যান। এর ১৫ মিনিট পরেই আব্বুর মরদেহ পাওয়া যায়।
ওসি মো. আলমগীর হোসাইন জানান, শরিফের মরদেহ উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তরিকুল নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। হত্যার কারণ উদঘাটন ও এর সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

রাজবাড়ীর কালুখালীতে শরিফ খান (৪২) নামের এক মুদি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ওয়াজ মাহফিল থেকে ফেরার পথে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে উপজেলার রতনদিয়া ইউনিয়নের রুপসা স্লুইচগেট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
কালুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শরিফ রতনদিয়া ইউনিয়নের ধানবাড়িয়া গ্রামের মৃত হাকিম খানের ছেলে। তিনি রুপসা স্লুইচগেট বাজারে ফ্লেক্সিলোডের দোকান পরিচালনা করতেন।
নিহতের স্ত্রী আছমা বেগম জানান, বুধবার রাতে রুপসা স্লুইচগেট বাজারের পাশে গায়েবি মসজিদে ওয়াজ মাহফিল চলছিল। শরিফ রাত সাড়ে ৮টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে ফেরেন। রাতের খাবার খেয়ে ছেলে আরাফাতকে সঙ্গে নিয়ে তিনি মাহফিলে যান। রাত পৌনে ১১টার দিকে মাহফিল থেকে রুপসা স্লুইচগেট বাজারের চা দোকানি তরিকুল তাকে ডেকে নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পরই রাত ১১টার দিকে রুপসা স্লুইচগেট বাজারের জাদুর সেলুনের দোকানের সামনে শরিফের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ পাওয়া যায়। তাকে ঘাড় ও মাথাসহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
আছমা আরও জানান, তার স্বামীর সঙ্গে কারো কোনো শত্রুতা ছিল না। কী কারণে তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে তা তিনি ধারণা করতে পারছেন না। স্বামী হত্যার বিচার চান তিনি।
শরিফের ছেলে আরাফাত বলেন, আমি আর আব্বু মাহফিলে বসে ওয়াজ শুনছিলাম। এ সময় তরিকুল আমার আব্বুর কানে কানে গিয়ে কী যেন বলে ডেকে নিয়ে যান। আব্বু আমাকে মাহফিলে বসিয়ে রেখে তরিকুলের সঙ্গে যান। এর ১৫ মিনিট পরেই আব্বুর মরদেহ পাওয়া যায়।
ওসি মো. আলমগীর হোসাইন জানান, শরিফের মরদেহ উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তরিকুল নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। হত্যার কারণ উদঘাটন ও এর সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৮ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
২১ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে