
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা নগরীতে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার পথে শাহ আলম নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ভোররাতে নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের নেউরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার কুমিল্লা ইপিজেড পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কবির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শাহ আলম (৪০) নগরীর দক্ষিণ চর্থা থিরা পুকুরপাড় এলাকার নুরু মিয়া ছোট ছেলে। শাহ আলম নগরীর ঢুলিপাড়া ও ইপিজেড পকেটগেট এলাকার দুইটি গ্যারেজের মালিক ছিলেন। তার বড় ভাই জসিম উদ্দিন কুমিল্লা মহানগর সেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতির পদে রয়েছেন।
নিহতের বড় ভাই জসিম উদ্দিন বলেন, শাহ আলম ১০ থেকে ১২ বছর আগে দক্ষিণ চর্থা থেকে নেউরা এলাকায় নতুন বাড়ি করে সেখানে থাকে। তার গাড়ির ব্যবসা ছিল। পরে গ্যারেজ ব্যবসায় আসে। ঢুলিপাড়া ও পকেটগেট এলাকায় সে গ্যারেজের ব্যবসা করত। মাঝে মাঝে রাতে গ্যারেজে থেকে যেত। শুক্রবার রাতে গ্যারেজে ছিল। শনিবার ভোররাতের দিকে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। আমরা খবর পাই সাড়ে ৫টার দিকে। তার মাথায় কোপের দাগ আছে। পাশে তার মোটরসাইকেল পড়ে ছিল।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ কয়েকমাস ধরে অটোরিকশার গ্যারেজের বিষয় নিয়ে নিহত শাহ আলমের সঙ্গে ওই এলাকার রাজনৈতিক নেতাদের বিরোধ ছিল। এ বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন পরিবার। শুক্রবার দিবাগত রাতে গ্যারেজের কাজ শেষ করে বাসায় যাওয়ার পথে আগেই হত্যাকারীরা রাস্তায় ওঁৎ পেতে ছিল।
নিহতের স্ত্রী জেসমিন আক্তার বলেন, এই গ্যারেজের বিষয় থেকে অনেকে আমার স্বামীর পিছে লেগেছে। হত্যাকরীরা আগে থেকে হত্যার উদ্যেশ্যে রাস্তায় ওঁৎ পেতে ছিল। আমি আমার স্বামীর হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।
শাহ আলমের বড় ভাই জসিম উদ্দিন আরো বলেন, এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না- কী কারণে তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের কাজ করছে পুলিশ। আমি খুনিদের ফাঁসি চাই।
কুমিল্লা ইপিজেড ফাঁড়ির ইনচার্জ কবির হোসেন বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। যারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তারা এটি পূর্বপরিকল্পিতভাবেই ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণায় বোঝা গেছে। আমরা সিসি টিভির ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করছি। পুলিশ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কুমিল্লা নগরীতে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার পথে শাহ আলম নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ভোররাতে নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের নেউরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার কুমিল্লা ইপিজেড পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কবির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শাহ আলম (৪০) নগরীর দক্ষিণ চর্থা থিরা পুকুরপাড় এলাকার নুরু মিয়া ছোট ছেলে। শাহ আলম নগরীর ঢুলিপাড়া ও ইপিজেড পকেটগেট এলাকার দুইটি গ্যারেজের মালিক ছিলেন। তার বড় ভাই জসিম উদ্দিন কুমিল্লা মহানগর সেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতির পদে রয়েছেন।
নিহতের বড় ভাই জসিম উদ্দিন বলেন, শাহ আলম ১০ থেকে ১২ বছর আগে দক্ষিণ চর্থা থেকে নেউরা এলাকায় নতুন বাড়ি করে সেখানে থাকে। তার গাড়ির ব্যবসা ছিল। পরে গ্যারেজ ব্যবসায় আসে। ঢুলিপাড়া ও পকেটগেট এলাকায় সে গ্যারেজের ব্যবসা করত। মাঝে মাঝে রাতে গ্যারেজে থেকে যেত। শুক্রবার রাতে গ্যারেজে ছিল। শনিবার ভোররাতের দিকে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। আমরা খবর পাই সাড়ে ৫টার দিকে। তার মাথায় কোপের দাগ আছে। পাশে তার মোটরসাইকেল পড়ে ছিল।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ কয়েকমাস ধরে অটোরিকশার গ্যারেজের বিষয় নিয়ে নিহত শাহ আলমের সঙ্গে ওই এলাকার রাজনৈতিক নেতাদের বিরোধ ছিল। এ বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন পরিবার। শুক্রবার দিবাগত রাতে গ্যারেজের কাজ শেষ করে বাসায় যাওয়ার পথে আগেই হত্যাকারীরা রাস্তায় ওঁৎ পেতে ছিল।
নিহতের স্ত্রী জেসমিন আক্তার বলেন, এই গ্যারেজের বিষয় থেকে অনেকে আমার স্বামীর পিছে লেগেছে। হত্যাকরীরা আগে থেকে হত্যার উদ্যেশ্যে রাস্তায় ওঁৎ পেতে ছিল। আমি আমার স্বামীর হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।
শাহ আলমের বড় ভাই জসিম উদ্দিন আরো বলেন, এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না- কী কারণে তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের কাজ করছে পুলিশ। আমি খুনিদের ফাঁসি চাই।
কুমিল্লা ইপিজেড ফাঁড়ির ইনচার্জ কবির হোসেন বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। যারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তারা এটি পূর্বপরিকল্পিতভাবেই ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণায় বোঝা গেছে। আমরা সিসি টিভির ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করছি। পুলিশ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৮ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
২১ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে