
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নারীর সম-অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় আজ রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘নারীর ডাকে মৈত্রী যাত্রা’। কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়েছে ৫১টি প্রগতিশীল নারী, শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক, শ্রমিক ও পেশাজীবী সংগঠন।
আয়োজক নেতারা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে এই সমাবেশ নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে এবং নারীর অধিকার রক্ষার আন্দোলনে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে প্রগতিশীল নারী, শ্রমিক, শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনগুলোর আয়োজনে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। 'নারীর ডাকে মৈত্রী যাত্রা’ কর্মসূচির মূল স্লোগান— ‘আমরা মিলিত হবো সম্মিলিত মুক্তির দাবিতে।’
দেখা যায়, বিকেল ৩টা থেকেই নারীরা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আসতে শুরু করেছেন। পাশাপাশি রয়েছেন পুরুষরাও। কর্মসূচি উপলক্ষে ছোট একটি স্টেজ তৈরি করা হয়েছে। কর্মসূচির শুরুতে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। মঞ্চের সামনে শত শত নারী দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠানে শামিল হয়েছেন। তাদের হাতে ফেস্টুন রয়েছে।
এর আগে সংবাদ সম্মেলনে ‘নারীর ডাকে মৈত্রী যাত্রা’ জানায়, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান’-এর সময় নারীদের সরব উপস্থিতি ও সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু তার পরেও রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারকরা এবং সামাজিক কাঠামো নারীদের সেই ভূমিকার স্বীকৃতি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। নারীরা শুধু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নয়, শ্রমক্ষেত্র থেকে শুরু করে শিক্ষাঙ্গন, সংস্কৃতি এবং প্রতিদিনের জীবনে যেভাবে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন, তার মূল্যায়ন এখনো পর্যাপ্ত নয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নারী শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী নারী, যৌনকর্মী ও ক্ষুদ্র জাতিসত্তার নারীদের উপর যেসব নিপীড়ন চলছে, তার বেশিরভাগই থেকে যাচ্ছে বিচারের বাইরে। পুঁজিবাদী রাষ্ট্র কাঠামো এবং ধর্মীয় প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী যৌথভাবে নারীদের প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্যকে আরও শক্তিশালী করছে। নারীদের নিজস্ব স্বরকে দাবিয়ে রাখার অপচেষ্টা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে প্রতিটি ঘটনাতেই।
সংবাদ সম্মেলন থেকে আরও জানানো হয়, এ কর্মসূচি কেবল নারীদের স্বার্থরক্ষা নয় বরং এটি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির আন্দোলনের অংশ। সমাজের সব স্তরের মানুষকে এই যাত্রায় শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয় ‘নারীমুক্তি কোনো একক ইস্যু নয়, এটি শ্রমিক-মজুরের মুক্তি, জাতিসত্তার অধিকার, বাকস্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সঙ্গেই জড়িত। তাই এই যাত্রা শুধুই নারীর নয়, বরং সকল প্রগতিশীল শক্তির মিলনমঞ্চ।’
এ পর্যন্ত কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়েছে সংগঠন—বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, নারী মুক্তি কেন্দ্র, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, হিল উইমেনস ফেডারেশন, আদিবাসী ইউনিয়ন, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন, বিজ্ঞান আন্দোলন মঞ্চ, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম, বাংলাদেশ নারী জোট, নারী সংহতি, ছাত্রফ্রন্ট (মার্কসবাদী), তীরন্দাজ, শ্রমিক অধিকার আন্দোলনসহ আরও অনেকে।

নারীর সম-অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় আজ রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘নারীর ডাকে মৈত্রী যাত্রা’। কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়েছে ৫১টি প্রগতিশীল নারী, শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক, শ্রমিক ও পেশাজীবী সংগঠন।
আয়োজক নেতারা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে এই সমাবেশ নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে এবং নারীর অধিকার রক্ষার আন্দোলনে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে প্রগতিশীল নারী, শ্রমিক, শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনগুলোর আয়োজনে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। 'নারীর ডাকে মৈত্রী যাত্রা’ কর্মসূচির মূল স্লোগান— ‘আমরা মিলিত হবো সম্মিলিত মুক্তির দাবিতে।’
দেখা যায়, বিকেল ৩টা থেকেই নারীরা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আসতে শুরু করেছেন। পাশাপাশি রয়েছেন পুরুষরাও। কর্মসূচি উপলক্ষে ছোট একটি স্টেজ তৈরি করা হয়েছে। কর্মসূচির শুরুতে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। মঞ্চের সামনে শত শত নারী দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠানে শামিল হয়েছেন। তাদের হাতে ফেস্টুন রয়েছে।
এর আগে সংবাদ সম্মেলনে ‘নারীর ডাকে মৈত্রী যাত্রা’ জানায়, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান’-এর সময় নারীদের সরব উপস্থিতি ও সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু তার পরেও রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারকরা এবং সামাজিক কাঠামো নারীদের সেই ভূমিকার স্বীকৃতি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। নারীরা শুধু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নয়, শ্রমক্ষেত্র থেকে শুরু করে শিক্ষাঙ্গন, সংস্কৃতি এবং প্রতিদিনের জীবনে যেভাবে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন, তার মূল্যায়ন এখনো পর্যাপ্ত নয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নারী শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী নারী, যৌনকর্মী ও ক্ষুদ্র জাতিসত্তার নারীদের উপর যেসব নিপীড়ন চলছে, তার বেশিরভাগই থেকে যাচ্ছে বিচারের বাইরে। পুঁজিবাদী রাষ্ট্র কাঠামো এবং ধর্মীয় প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী যৌথভাবে নারীদের প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্যকে আরও শক্তিশালী করছে। নারীদের নিজস্ব স্বরকে দাবিয়ে রাখার অপচেষ্টা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে প্রতিটি ঘটনাতেই।
সংবাদ সম্মেলন থেকে আরও জানানো হয়, এ কর্মসূচি কেবল নারীদের স্বার্থরক্ষা নয় বরং এটি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির আন্দোলনের অংশ। সমাজের সব স্তরের মানুষকে এই যাত্রায় শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয় ‘নারীমুক্তি কোনো একক ইস্যু নয়, এটি শ্রমিক-মজুরের মুক্তি, জাতিসত্তার অধিকার, বাকস্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সঙ্গেই জড়িত। তাই এই যাত্রা শুধুই নারীর নয়, বরং সকল প্রগতিশীল শক্তির মিলনমঞ্চ।’
এ পর্যন্ত কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়েছে সংগঠন—বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, নারী মুক্তি কেন্দ্র, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, হিল উইমেনস ফেডারেশন, আদিবাসী ইউনিয়ন, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন, বিজ্ঞান আন্দোলন মঞ্চ, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম, বাংলাদেশ নারী জোট, নারী সংহতি, ছাত্রফ্রন্ট (মার্কসবাদী), তীরন্দাজ, শ্রমিক অধিকার আন্দোলনসহ আরও অনেকে।

রাজশাহীতে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তা গোপনের অভিযোগে এক পুলিশ দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার সকালে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন এজাহার দায়ের করেন।
১ দিন আগে
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও পরমেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মাতুব্বরকে (৬৬) আটক করেছে যৌথবাহিনী। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি ময়েনদিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা।
১ দিন আগে
গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) শিবগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শেখটোলা মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হলে দম্পতির পৃথক বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
১ দিন আগে
আহতদের অভিযোগ, তাদের কোপানোর ঘটনায় প্রধান দুই অভিযুক্ত জিয়ারুল মোল্লা (২৮) জামায়াত কর্মী ও দীন ইসলাম মোল্লা (২৫) শিবির কর্মী। জিয়ারুল সরদার পাড়া গ্রামের সিদ্দিক মোল্লার ছেলে। দীন ইসলাম একই গ্রামের জামসেদ মোল্লার ছেলে।
১ দিন আগে