
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় কোরবানির মাংস বিতরণকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে দুই দফা সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
ঈদুল আজহার দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাতে উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের গয়েশপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রাতের ঘটনার জের ধরে আজ শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে ফের সংঘর্ষ হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গয়েশপুর গ্রামের উত্তরপাড়ার কুদ্দুস মিয়া গোষ্ঠী ও ইদ্রিস আলী গোষ্ঠীর লোকজন কোরবানির মাংস বিতরণের সময় দুপুরে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে রাতে তা তুমুল সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে দুপক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
কুদ্দুস মিয়া অভিযোগ করে বলেন, মাংস বিতরণকে কেন্দ্র করে ইদ্রিস আলী পক্ষের লোকজন টেঁটা, বল্লম, দা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ইব্রাহিম মিয়া ও আজগর আলী বলেন, ইদ্রিস আলী পক্ষের একটি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। বিষয়টি নিয়ে সামাজিকভাবে তাদের বাধা দেওয়া হয়েছিল। এর জেরে পূর্ব বিরোধের ধারাবাহিকতায় মাংস বিতরণের সময় সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রুকনুজ্জামান বলেন, বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় কোরবানির মাংস বিতরণকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে দুই দফা সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
ঈদুল আজহার দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাতে উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের গয়েশপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রাতের ঘটনার জের ধরে আজ শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে ফের সংঘর্ষ হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গয়েশপুর গ্রামের উত্তরপাড়ার কুদ্দুস মিয়া গোষ্ঠী ও ইদ্রিস আলী গোষ্ঠীর লোকজন কোরবানির মাংস বিতরণের সময় দুপুরে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে রাতে তা তুমুল সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে দুপক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
কুদ্দুস মিয়া অভিযোগ করে বলেন, মাংস বিতরণকে কেন্দ্র করে ইদ্রিস আলী পক্ষের লোকজন টেঁটা, বল্লম, দা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ইব্রাহিম মিয়া ও আজগর আলী বলেন, ইদ্রিস আলী পক্ষের একটি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। বিষয়টি নিয়ে সামাজিকভাবে তাদের বাধা দেওয়া হয়েছিল। এর জেরে পূর্ব বিরোধের ধারাবাহিকতায় মাংস বিতরণের সময় সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রুকনুজ্জামান বলেন, বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের প্রবেশপথে ককটেলটি বিস্ফোরণ করা হয়। তবে কে বা কারা ককটেলটি ছুড়ে পালিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারেননি সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা।
৫ ঘণ্টা আগে
ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
১ দিন আগে