
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চার দফা দাবিতে ‘সাধারণ ম্যাটস শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে একদল শিক্ষার্থী আজ বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথমে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে সেখান থেকে সরে গিয়ে শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। বেলা দেড়টা পর্যন্ত বিক্ষোভ চলছিল।
তাদের দাবি, এমবিবিএস ডাক্তারের পাশাপাশি আমাদের সহযোগিতা ছাড়া পুরোপুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আমরা চাই বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যন্ত কর্মকর্তা বিসিএস সাধারণ ক্যাডার চাই এবং আমরা স্বাস্থ্য বিভাগের সংস্কার চাই ও সব বৈষম্য দূরীকরণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চিতকরণ চাই।
দাবি প্রসঙ্গে মাহমুদ হোসেন নামক শিক্ষার্থী বলেন, অনেক স্বপ্ন নিয়ে ম্যাটসে পড়তে এসে এখন শুধু অবহেলা আর অবজ্ঞাই দেখছি। আমরা চাইলেই উচ্চশিক্ষা নিতে পারি না, যা অন্যান্য প্রায় প্রতিটি সেক্টরেই সুযোগ আছে। প্রায় ৪ বছরের বেশি সময় আমাদের কোনো নিয়োগ নেই। অথচ গ্রামাঞ্চলের কোটি কোটি মানুষ তাদের স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এভাবে একটা দেশ চলতে পারে না। আমরা দ্রুতই এর সমাধান চাই।
হাসান আরিফ নামক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের এই দাবিগুলো অনেক আগের। আমাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া গত ১২ বছর ধরে আটকে আছে। এটা নিয়ে ২০১৭, ২০২৩ ও ২০২৪ সালেও আন্দোলন হয়েছিল, কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।
তিনি বলেন, আমাদের সেক্টর থেকে প্রাইভেট ও সরকারিতে কোনো চাকরিই নাই। স্বাস্থ্য খাতে ম্যাটসের থেকে মানুষ থাকার কথা থাকলেও দুর্ভাগ্যবশত তা নাই। শুধু তাই নয়, প্রতিটা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সাব অ্যাসিস্টেন্ট মেডিকেল অফিসার (এসএসিএমও) পদ থাকলেও নিয়োগ বন্ধ আছে। আমরা মূলত সেই গলদগুলো দূর করার দাবি জানাতে এখানে সমবেত হয়েছি।
সাধারণ ম্যাটস শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আহমাদুল্লাহ মানসুর বলেন, আমরা আমাদের দাবিগুলো নিয়ে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এক ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছিলাম। নির্ধারিত সময়ে তারা আমাদের দাবি মেনে নেয়নি বা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগও করেনি। তাই আমরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়েছি। দাবি মানা না হলে অবরোধ কর্মসূচি চলমান থাকবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ম্যাটসে নিয়োগ প্রক্রিয়া অনেকদিন যাবৎ আটকিয়ে রাখা হয়েছে। এতে অনেকেই পড়াশোনা করেও চাকরি পাচ্ছে না।
এ সময় তারা ৪ দফা দাবি উপস্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো— বৈষম্যমুক্ত বাংলায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ১৯৭৩-১৯৭৮ মোতাবেক উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিতে হবে; অনতিবিলম্বে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার শূন্য পদে নিয়োগ প্রধানসহ কমিউনিটি ক্লিনিক সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিকে ম্যাটস সংস্কৃত ডিএমএফ ডিপ্লোমাধারীদের জন্য নতুন পদ সৃজন করতে হবে; অনতিবিলম্বে চার বছরের অ্যাকাডেমিক কোর্স বহাল রেখে পূর্বের মতো এক বছরের ভাতাসহ ইন্টার্নশিপ চালু করে অসঙ্গতিপূর্ণ কোর্স কারিকুলাম সংশোধন করতে হবে এবং প্রস্তাবিত এ্যালাইড হেলথ প্রফেশনাল শিক্ষা বোর্ড বাতিল করে ‘মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড অব বাংলাদেশ’ নামে নতুন বোর্ড গঠন করার দাবি জানান তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় শাহবাগ জাদুঘরের সামনে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। সে সময় সরকারকে এক ঘণ্টার সময় বেঁধে দেন তারা। নির্ধারিত সময়ে মধ্যে কোনো আশ্বাস না পেলে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।

চার দফা দাবিতে ‘সাধারণ ম্যাটস শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে একদল শিক্ষার্থী আজ বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথমে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে সেখান থেকে সরে গিয়ে শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। বেলা দেড়টা পর্যন্ত বিক্ষোভ চলছিল।
তাদের দাবি, এমবিবিএস ডাক্তারের পাশাপাশি আমাদের সহযোগিতা ছাড়া পুরোপুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আমরা চাই বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যন্ত কর্মকর্তা বিসিএস সাধারণ ক্যাডার চাই এবং আমরা স্বাস্থ্য বিভাগের সংস্কার চাই ও সব বৈষম্য দূরীকরণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চিতকরণ চাই।
দাবি প্রসঙ্গে মাহমুদ হোসেন নামক শিক্ষার্থী বলেন, অনেক স্বপ্ন নিয়ে ম্যাটসে পড়তে এসে এখন শুধু অবহেলা আর অবজ্ঞাই দেখছি। আমরা চাইলেই উচ্চশিক্ষা নিতে পারি না, যা অন্যান্য প্রায় প্রতিটি সেক্টরেই সুযোগ আছে। প্রায় ৪ বছরের বেশি সময় আমাদের কোনো নিয়োগ নেই। অথচ গ্রামাঞ্চলের কোটি কোটি মানুষ তাদের স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এভাবে একটা দেশ চলতে পারে না। আমরা দ্রুতই এর সমাধান চাই।
হাসান আরিফ নামক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের এই দাবিগুলো অনেক আগের। আমাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া গত ১২ বছর ধরে আটকে আছে। এটা নিয়ে ২০১৭, ২০২৩ ও ২০২৪ সালেও আন্দোলন হয়েছিল, কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।
তিনি বলেন, আমাদের সেক্টর থেকে প্রাইভেট ও সরকারিতে কোনো চাকরিই নাই। স্বাস্থ্য খাতে ম্যাটসের থেকে মানুষ থাকার কথা থাকলেও দুর্ভাগ্যবশত তা নাই। শুধু তাই নয়, প্রতিটা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সাব অ্যাসিস্টেন্ট মেডিকেল অফিসার (এসএসিএমও) পদ থাকলেও নিয়োগ বন্ধ আছে। আমরা মূলত সেই গলদগুলো দূর করার দাবি জানাতে এখানে সমবেত হয়েছি।
সাধারণ ম্যাটস শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আহমাদুল্লাহ মানসুর বলেন, আমরা আমাদের দাবিগুলো নিয়ে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এক ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছিলাম। নির্ধারিত সময়ে তারা আমাদের দাবি মেনে নেয়নি বা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগও করেনি। তাই আমরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়েছি। দাবি মানা না হলে অবরোধ কর্মসূচি চলমান থাকবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ম্যাটসে নিয়োগ প্রক্রিয়া অনেকদিন যাবৎ আটকিয়ে রাখা হয়েছে। এতে অনেকেই পড়াশোনা করেও চাকরি পাচ্ছে না।
এ সময় তারা ৪ দফা দাবি উপস্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো— বৈষম্যমুক্ত বাংলায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ১৯৭৩-১৯৭৮ মোতাবেক উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিতে হবে; অনতিবিলম্বে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার শূন্য পদে নিয়োগ প্রধানসহ কমিউনিটি ক্লিনিক সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিকে ম্যাটস সংস্কৃত ডিএমএফ ডিপ্লোমাধারীদের জন্য নতুন পদ সৃজন করতে হবে; অনতিবিলম্বে চার বছরের অ্যাকাডেমিক কোর্স বহাল রেখে পূর্বের মতো এক বছরের ভাতাসহ ইন্টার্নশিপ চালু করে অসঙ্গতিপূর্ণ কোর্স কারিকুলাম সংশোধন করতে হবে এবং প্রস্তাবিত এ্যালাইড হেলথ প্রফেশনাল শিক্ষা বোর্ড বাতিল করে ‘মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড অব বাংলাদেশ’ নামে নতুন বোর্ড গঠন করার দাবি জানান তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় শাহবাগ জাদুঘরের সামনে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। সে সময় সরকারকে এক ঘণ্টার সময় বেঁধে দেন তারা। নির্ধারিত সময়ে মধ্যে কোনো আশ্বাস না পেলে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় ইমিকে এবং তার সঙ্গে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনকে টেনে-হিঁচড়ে থানার ফটকে নিয়ে মারধর করা হয়। সেখান থেকে ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা ধরে তাদের শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
১ দিন আগে
নীরব ও তার বন্ধু এ নিয়ে প্রতিবাদ জানালে সেখানকার কর্মীদের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা নীরবকে মারধর করেন। মারধরের শিকার নীরব বাসায় ফিরে অসুস্থ বোধ করলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
১ দিন আগে
নিহত ইউপিডিএফ সদস্য আপন ত্রিপুরা ওরফে সংগ্রাম (২৮)। তিনি পানছড়ির মরাটিলা পদ্মিনীগ্রামের মৃত কিরণ মুনি ত্রিপুরার ছেলে।
১ দিন আগে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাসপাতালে উপস্থিত হবে না, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বাস্থ্যসেবায় জড়িত প্রত্যেককে অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।
২ দিন আগে