
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে ত্রিপলের ছাউনি দিয়ে তৈরি করা অস্থায়ী নামাজের স্থানসহ সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালাতে যাচ্ছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ এ-সংক্রান্ত নোটিশ জারি করেন। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার নোটিশ দেওয়া হলেও কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তবে রোববার দুপুরের পর উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন।
সম্প্রতি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে ত্রিপলের ছাউনি দিয়ে একটি অস্থায়ী নামাজের স্থান তৈরি করা হয়। পাশেই ওজুর জন্য পানির ড্রাম রাখা হয়েছে এবং একটি সাদা কাগজে ‘নামাজের স্থান’ লিখে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে মসজিদ নির্মাণের দাবিতে গণস্বাক্ষরও নেওয়া হয়। শুক্রবার দুপুরে একদল লোক ওই স্থানে জায়নামাজ পেতে নামাজ আদায় করেন।

উদ্যানে কর্মরত কয়েকজনের দাবি, রাজিব শাহ নামে এক ব্যক্তি এই নামাজের স্থান তৈরি করেছেন। কয়েকদিন ধরেই সেখানে নিয়মিত নামাজ আদায় করা হচ্ছে। বিষয়টি দেখতে প্রতিদিনই উৎসুক মানুষের ভিড়ও বাড়ছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে বর্তমানে গণপূর্ত অধিদপ্তর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও ঢাকা ওয়াসার মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলছে। এসব প্রকল্পের অধিকাংশই শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
উদ্যানে সর্বসাধারণের অবাধ চলাচলের সুযোগে কিছু বিপথগামী ব্যক্তি— যেমন নেশাখোর, ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ী, যৌনকর্মী ও ভাসমান ভবঘুরেরা— নিরাপত্তা প্রহরীদের অগোচরে দিন-রাত অবস্থান করছে। এতে উদ্যানের সার্বিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। পাশাপাশি উদ্যানে আসা দর্শনার্থীরাও প্রায়ই ছিনতাই ও হেনস্তার শিকার হচ্ছেন।
নামাজের স্থানসহ সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়ে নোটিশে বলা হয়েছে, "সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কিছু বহিরাগত অসাধু ভবঘুরে ও একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে মন্দিরের গেট বরাবর কিছু অবৈধ দোকানপাট স্থাপন করেছে এবং উদ্যানের এম্পিথিয়েটার সংলগ্ন কিছু স্থান জুড়ে অস্থায়ী নামাজের স্থান নির্মাণের নামে উদ্যানের জায়গা দখল করে দিনরাত অবস্থান করছেন। প্রকল্পের আওতাধীন একটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন মসজিদ উদ্যানে থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এই বহিরাগতরা অস্থায়ী নামাজের স্থান নির্মাণ করে নিয়মিত অবস্থান করছে মর্মে সর্বসাধারণের নিকট প্রতীয়মান হচ্ছে।"
নোটিশে আরও বলা হয়, "তাদের বার বার ওই স্থান ছেড়ে যাওয়ার জন্য বলা হলেও তারা হুমকি ধামকি দেখানোসহ গণপূর্ত উপ-বিভাগের কর্মচারী ও আনসার বাহিনীর সাথে রূঢ় আচরণ করছেন। এ বিষয়ে রমনা গণপূর্ত উপ-বিভাগ-৩ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।"
এদিকে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে আহ্বায়ক, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রতিনিধিকে সদস্য সচিব এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ১১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নোটিশে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা এবং উদ্যানে আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে অস্থায়ী ও অবৈধ দোকানদার এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা এবং বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিষয়টিকে ‘অতি জরুরি’ উল্লেখ করে নোটিশের অনুলিপি পুলিশ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা ওয়াসাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে ত্রিপলের ছাউনি দিয়ে তৈরি করা অস্থায়ী নামাজের স্থানসহ সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালাতে যাচ্ছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ এ-সংক্রান্ত নোটিশ জারি করেন। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার নোটিশ দেওয়া হলেও কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তবে রোববার দুপুরের পর উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন।
সম্প্রতি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে ত্রিপলের ছাউনি দিয়ে একটি অস্থায়ী নামাজের স্থান তৈরি করা হয়। পাশেই ওজুর জন্য পানির ড্রাম রাখা হয়েছে এবং একটি সাদা কাগজে ‘নামাজের স্থান’ লিখে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে মসজিদ নির্মাণের দাবিতে গণস্বাক্ষরও নেওয়া হয়। শুক্রবার দুপুরে একদল লোক ওই স্থানে জায়নামাজ পেতে নামাজ আদায় করেন।

উদ্যানে কর্মরত কয়েকজনের দাবি, রাজিব শাহ নামে এক ব্যক্তি এই নামাজের স্থান তৈরি করেছেন। কয়েকদিন ধরেই সেখানে নিয়মিত নামাজ আদায় করা হচ্ছে। বিষয়টি দেখতে প্রতিদিনই উৎসুক মানুষের ভিড়ও বাড়ছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে বর্তমানে গণপূর্ত অধিদপ্তর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও ঢাকা ওয়াসার মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলছে। এসব প্রকল্পের অধিকাংশই শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
উদ্যানে সর্বসাধারণের অবাধ চলাচলের সুযোগে কিছু বিপথগামী ব্যক্তি— যেমন নেশাখোর, ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ী, যৌনকর্মী ও ভাসমান ভবঘুরেরা— নিরাপত্তা প্রহরীদের অগোচরে দিন-রাত অবস্থান করছে। এতে উদ্যানের সার্বিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। পাশাপাশি উদ্যানে আসা দর্শনার্থীরাও প্রায়ই ছিনতাই ও হেনস্তার শিকার হচ্ছেন।
নামাজের স্থানসহ সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়ে নোটিশে বলা হয়েছে, "সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কিছু বহিরাগত অসাধু ভবঘুরে ও একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে মন্দিরের গেট বরাবর কিছু অবৈধ দোকানপাট স্থাপন করেছে এবং উদ্যানের এম্পিথিয়েটার সংলগ্ন কিছু স্থান জুড়ে অস্থায়ী নামাজের স্থান নির্মাণের নামে উদ্যানের জায়গা দখল করে দিনরাত অবস্থান করছেন। প্রকল্পের আওতাধীন একটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন মসজিদ উদ্যানে থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এই বহিরাগতরা অস্থায়ী নামাজের স্থান নির্মাণ করে নিয়মিত অবস্থান করছে মর্মে সর্বসাধারণের নিকট প্রতীয়মান হচ্ছে।"
নোটিশে আরও বলা হয়, "তাদের বার বার ওই স্থান ছেড়ে যাওয়ার জন্য বলা হলেও তারা হুমকি ধামকি দেখানোসহ গণপূর্ত উপ-বিভাগের কর্মচারী ও আনসার বাহিনীর সাথে রূঢ় আচরণ করছেন। এ বিষয়ে রমনা গণপূর্ত উপ-বিভাগ-৩ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।"
এদিকে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে আহ্বায়ক, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রতিনিধিকে সদস্য সচিব এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ১১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নোটিশে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা এবং উদ্যানে আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে অস্থায়ী ও অবৈধ দোকানদার এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা এবং বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিষয়টিকে ‘অতি জরুরি’ উল্লেখ করে নোটিশের অনুলিপি পুলিশ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা ওয়াসাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের প্রবেশপথে ককটেলটি বিস্ফোরণ করা হয়। তবে কে বা কারা ককটেলটি ছুড়ে পালিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারেননি সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা।
৬ ঘণ্টা আগে
ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
১ দিন আগে