
নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে উপজেলা জুড়ে রাতভর থেমে থেমে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এসব ঘটনা ঘটে। এতে আহত ৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
জানা গেছে, হাতিয়ার জাহাজমারা, নিঝুম দ্বীপ, চানন্দী ইউনিয়নসহ বিভিন্ন স্থানে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদের কর্মী ও ধানের শীষের প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীমের কর্মীদের মধ্যে থেমে থেমে সংঘর্ষ হয়। এ সময় এক পক্ষ অন্য পক্ষের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর করে। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনি অফিস ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
বিএনপি প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীমের প্রধান এজেন্ট মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘চানন্দি ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিনকে আহত করা হয়েছে। বর্তমানে সে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা হয়েছে।’
উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক শামসুল তিব্রিজ বলেন, ‘আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা ভাঙচুর করা হয়েছে। তারা কেউ কেউ হাসপাতালে ভর্তি আবার কেউ কেউ স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছে। এ ছাড়াও সোনাদিয়া ইউনিয়নের হান্নান মাসউদের নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর করে বিএনপি কর্মীরা।’
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বলেন, ‘চানন্দী ইউনিয়নের জসিম উদ্দিনকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া তিনজন হাতিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছে বলে জানা গেছে। পুলিশ, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড রাতভর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করেছে। আমাদের এ কার্যক্রম দিনভর অব্যাহত থাকবে। যেসব অভিযোগ রয়েছে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে উপজেলা জুড়ে রাতভর থেমে থেমে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এসব ঘটনা ঘটে। এতে আহত ৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
জানা গেছে, হাতিয়ার জাহাজমারা, নিঝুম দ্বীপ, চানন্দী ইউনিয়নসহ বিভিন্ন স্থানে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদের কর্মী ও ধানের শীষের প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীমের কর্মীদের মধ্যে থেমে থেমে সংঘর্ষ হয়। এ সময় এক পক্ষ অন্য পক্ষের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর করে। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনি অফিস ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
বিএনপি প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীমের প্রধান এজেন্ট মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘চানন্দি ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিনকে আহত করা হয়েছে। বর্তমানে সে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা হয়েছে।’
উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক শামসুল তিব্রিজ বলেন, ‘আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা ভাঙচুর করা হয়েছে। তারা কেউ কেউ হাসপাতালে ভর্তি আবার কেউ কেউ স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছে। এ ছাড়াও সোনাদিয়া ইউনিয়নের হান্নান মাসউদের নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর করে বিএনপি কর্মীরা।’
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বলেন, ‘চানন্দী ইউনিয়নের জসিম উদ্দিনকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া তিনজন হাতিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছে বলে জানা গেছে। পুলিশ, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড রাতভর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করেছে। আমাদের এ কার্যক্রম দিনভর অব্যাহত থাকবে। যেসব অভিযোগ রয়েছে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সংশ্লিষ্টরা জানান, ঝিনাইদহ-৪ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের এক পোলিং এজেন্ট বুধবার রাতে ছলিমুন্নেছা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে গেলে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা তাকে দিয়ে ২৩টি রেজাল্ট শিট সই করিয়ে নেন। পরে দাঁড়িপাল্লার প্রতীকের এক এজেন্ট গিয়ে সাতটি রেজাল্ট শিটে সই করেন।
৯ ঘণ্টা আগে
পরে প্রশাসন জানায়, ব্যালট পেপারে সিল দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। প্রিজাইডিং কর্মকর্তা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভোটকক্ষের জন্য ব্যালট পেপার ভাগ করছিলেন। তবে ওই প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সাবেক জামায়াত নেতা।
১০ ঘণ্টা আগে
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের ভান্ডারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি নাসিরুল ইসলামকে আটক করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে তাকে আটক করা হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
আটকরা হলেন- বিরামপুর উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে মুকুল সরকার, একই এলাকার মৃত লালু ব্যাপারীর ছেলে শামসুল হক, গড়েরপার শিমুলতলী গ্রামের মৃত ফজর উদ্দিনের ছেলে আব্দুল জলিল। তারা সবাই জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১৪ ঘণ্টা আগে