
কুমিল্লা প্রতিনিধি

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ২৩৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। কোন আসনে বিএনপির মনোনয়ন কে পাচ্ছেন, সে তালিকা এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। সে তালিকায় কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে ৯টিতে রয়েছে দলীয় প্রার্থীর নাম।
সোমবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে যে ৯টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সী, কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে জসীম উদ্দীন, কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ ও সিটি করপোরেশন) আসনে মনিরুল হক চৌধুরী।
এ ছাড়া কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে আবুল কালাম, কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) আসনে আব্দুল গফুর ভুঁইয়া ও কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে কামরুল হুদার নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে বিএনপি।
কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) ও কুমিল্লা-২ (হোমনা, তিতাস) আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। এসব আসন সমমনা দলগুলোর প্রার্থীদের জন্য ছেড়ে দিতে পারে বিএনপি।
এর আগে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় জরুরি বৈঠকে বসেন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। প্রায় পাঁচ ঘণ্টার বৈঠকে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ডিসেম্বরের শুরুর দিকে নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করা হবে বলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ২৩৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। কোন আসনে বিএনপির মনোনয়ন কে পাচ্ছেন, সে তালিকা এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। সে তালিকায় কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে ৯টিতে রয়েছে দলীয় প্রার্থীর নাম।
সোমবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে যে ৯টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সী, কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে জসীম উদ্দীন, কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ ও সিটি করপোরেশন) আসনে মনিরুল হক চৌধুরী।
এ ছাড়া কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে আবুল কালাম, কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) আসনে আব্দুল গফুর ভুঁইয়া ও কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে কামরুল হুদার নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে বিএনপি।
কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) ও কুমিল্লা-২ (হোমনা, তিতাস) আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। এসব আসন সমমনা দলগুলোর প্রার্থীদের জন্য ছেড়ে দিতে পারে বিএনপি।
এর আগে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় জরুরি বৈঠকে বসেন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। প্রায় পাঁচ ঘণ্টার বৈঠকে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ডিসেম্বরের শুরুর দিকে নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করা হবে বলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ দিন আগে
যাত্রীবাহী একটি পিকআপ রাঙ্গামাটি শহর থেকে কুতুকছড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি মানিকছড়ি এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কয়েকজন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
১ দিন আগে
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদক কারবারিদের একটি দল অস্ত্রসহ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের ইসদাইর এলাকায় মহড়া দিচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। পুলিশকে দেখেই মাদক কারবারিরা গুলি ও ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিক ও
২ দিন আগে
পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পরও জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইডের মাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ পিপিএম। দুর্ঘটনার সময় এর মাত্রা ১০০ পিপিএমেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করছেন তারা। বলছেন, এত বেশি মাত্রার হাইড্রোজেন সালফাইডের সংস্পর্শে এলে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির
২ দিন আগে