
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্রপতির ভুয়া প্রজ্ঞাপন নিয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে এক ব্যক্তি আটক হয়েছেন।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। আটক ইরফান জাহান নূর (৩৫) ওই ভুয়া প্রজ্ঞাপন নিয়ে বিএমইউতে গেলে প্রজ্ঞাপনটি যাচাই-বাছাই করে সত্যতা না পেয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, ওই ভুয়া প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও আচার্য-এর সদয় অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৫-এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী জনাব ডা. ইরফান জামান নূরকে, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ), ঢাকা এর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।’
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই শেষে এমন কোনো নিয়োগের তথ্য পায়নি। পরে তারা নিশ্চিত হয়, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা প্রজ্ঞাপনের নামে উপস্থাপিত ওই কাগজটি জাল। এরপর কর্তৃপক্ষ তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের চিকিৎসা শিক্ষা-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব সঞ্জীব দাস বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ওই প্রজ্ঞাপনটি ভুয়া।’
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ওই ব্যক্তিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আরও জানান, ভুয়া আদেশপত্রে উল্লেখ থাকা ‘ডা. ইরফান জাহান নূর’ নামটি তার প্রকৃত পরিচয় কি না, কিংবা তিনি আদৌ নিবন্ধিত চিকিৎসক কি না— তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রাষ্ট্রপতির ভুয়া প্রজ্ঞাপন নিয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে এক ব্যক্তি আটক হয়েছেন।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। আটক ইরফান জাহান নূর (৩৫) ওই ভুয়া প্রজ্ঞাপন নিয়ে বিএমইউতে গেলে প্রজ্ঞাপনটি যাচাই-বাছাই করে সত্যতা না পেয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, ওই ভুয়া প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও আচার্য-এর সদয় অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৫-এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী জনাব ডা. ইরফান জামান নূরকে, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ), ঢাকা এর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।’
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই শেষে এমন কোনো নিয়োগের তথ্য পায়নি। পরে তারা নিশ্চিত হয়, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা প্রজ্ঞাপনের নামে উপস্থাপিত ওই কাগজটি জাল। এরপর কর্তৃপক্ষ তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের চিকিৎসা শিক্ষা-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব সঞ্জীব দাস বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ওই প্রজ্ঞাপনটি ভুয়া।’
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ওই ব্যক্তিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আরও জানান, ভুয়া আদেশপত্রে উল্লেখ থাকা ‘ডা. ইরফান জাহান নূর’ নামটি তার প্রকৃত পরিচয় কি না, কিংবা তিনি আদৌ নিবন্ধিত চিকিৎসক কি না— তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
১৮ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে