
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর বাড্ডায় মামুন শিকদার (৩৯) নামে এক ব্যক্তি গুলিতে নিহত হয়েছেন। বুধবার (১২ নভেম্বর) ভোরে মধ্য বাড্ডার কমিশনার গলির একটি মেসের নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে।
পরে দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহত মামুনের বাড়ি পটুয়াখালীর দুমকি থানার আলগি গ্রামে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, “কে বা কারা মামুন শিকদার নামের ওই ব্যক্তিকে গুলি করেছে তা এখনো জানা যায়নি। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।”
ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে নিহত ব্যক্তি শ্রমজীবী ছিলেন। তিনি যে বাসায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন, সেখানে তিনি থাকতেন না। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
মামুনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

রাজধানীর বাড্ডায় মামুন শিকদার (৩৯) নামে এক ব্যক্তি গুলিতে নিহত হয়েছেন। বুধবার (১২ নভেম্বর) ভোরে মধ্য বাড্ডার কমিশনার গলির একটি মেসের নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে।
পরে দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহত মামুনের বাড়ি পটুয়াখালীর দুমকি থানার আলগি গ্রামে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, “কে বা কারা মামুন শিকদার নামের ওই ব্যক্তিকে গুলি করেছে তা এখনো জানা যায়নি। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।”
ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে নিহত ব্যক্তি শ্রমজীবী ছিলেন। তিনি যে বাসায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন, সেখানে তিনি থাকতেন না। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
মামুনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

চিরিংগা হাইওয়ে থানা পুলিশ জানায়, মোটরসাইকেল যোগে বরইতলী থেকে চিরিংগা বাজারে যাওয়ার পথে একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তারা গুরুতর আহত হন। পরে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
দ্রুতগামী একটি পিকআপ ভ্যানের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশাটির সংঘর্ষ হলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
১২ ঘণ্টা আগে
ভূমিমন্ত্রী বলেন, আমি রাজশাহীর মাটির সন্তান। আমরা একে অপরের সহকর্মী, কেউ কারও বস নই। আপনারা সাংবিধানিক দায়িত্বপ্রাপ্ত— সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। আইন সবার জন্য সমান। আমার সন্তানও যদি আইন লঙ্ঘন করে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
১ দিন আগে