কেরানীগঞ্জে লাইটার কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৬: ১৮

রাজধানীর কেরানীগঞ্জের কদমতলীর গ্যাস লাইটার কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট চেষ্টা করে বিকেল ৩ টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

আজ শনিবার দুপুর ১টা ১৩ মিনিটের দিকে কদমতলীর শিল্প এলাকায় ওই কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন।

তিনি বলেন, খবর পাওয়ার তিন মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি, পরে আরও চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করে।

ফায়ার সার্ভিস আরও জানায়, গ্যাস লাইটার কারখানায় দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়েছে। সে জন্য তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে যেন আগুন আশপাশের ভবনগুলোতে ছড়িয়ে না পড়ে।

Ad
Ad
ad
ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

রংপুরে ৪ খুন: বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ, আটক ২

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।

১৮ ঘণ্টা আগে

ঘরে-ছাদে-সিঁড়িতে ছড়িয়ে ছিল দম্পতি ও ২ সন্তানের মরদেহ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

১ দিন আগে

এক নারীকে স্ত্রী দাবি দুই ভাইয়ের, মারামারির ভিডিও ভাইরাল

ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।

১ দিন আগে

জয়পুরহাটে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ, হাসপাতালে মৃত্যু

এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।

১ দিন আগে