
মু. আ. মোতালিব, তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলী উপজেলায় ইউনিক পরিবহনের বাসের চাপায় তিন চাকার যানবাহনে থাকা নানা-নাতি ও এক মোটরসাইকেলআরোহী নিহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন-উপজেলার বাইনবুনিয়া গ্রামের আতাহার গাজী (৬০) ও তার নাতি চাওড়া লোদা গ্রামের হিমু আকনের ছেলে আদিব (৭) এবং গুলিশাখালী ইউনিয়নের ডালাচালা গ্রামের শহীদুল ইসলাম (৫৫)।
মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ২টার দিকে আমতলী-পটুয়াখালী মহাসড়কের আমড়াগাছিয়া রহমান ফিলিং স্টেশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কুয়াকাটাগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাস রহমান ফিলিং স্টেশনের সামনে বিপরীত দিক থেকে আসা তিন চাকার একটি যানবাহন ও একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এতে তিন চাকার গাড়িটি সড়কের পাশে পড়ে যায়। ফলে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের আরোহী শহীদুল নিহত হন। এসময় আহত হন তিন চাকার গাড়িতে থাকা নানা-নাতিসহ তিনজন। এ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক ডা. রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান শিশু আদিবকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে বরিশাল নেওয়ার পথে আদিবের নানা আতাহার গাজী মারা যান। এ ঘটনায় আহত মনির সিকদারকে (৪০) বরিশালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে পুলিশ ঘাতক বাসটি ডাক্তারবাড়ি স্ট্যান্ড থেকে আটক করেছে। কিন্তু চালক ও হেল্পার পালিয়েছেন।
নিহত আতাহার গাজীর মেয়ে সালমা বলেন, বাবা ভাগিনাকে নিয়ে আমার বোনের বাড়ি যাচ্ছিলেন। কিন্তু পথেই তারা দুর্ঘটনার শিকার হলেন।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, স্বজনদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বরগুনার আমতলী উপজেলায় ইউনিক পরিবহনের বাসের চাপায় তিন চাকার যানবাহনে থাকা নানা-নাতি ও এক মোটরসাইকেলআরোহী নিহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন-উপজেলার বাইনবুনিয়া গ্রামের আতাহার গাজী (৬০) ও তার নাতি চাওড়া লোদা গ্রামের হিমু আকনের ছেলে আদিব (৭) এবং গুলিশাখালী ইউনিয়নের ডালাচালা গ্রামের শহীদুল ইসলাম (৫৫)।
মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ২টার দিকে আমতলী-পটুয়াখালী মহাসড়কের আমড়াগাছিয়া রহমান ফিলিং স্টেশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কুয়াকাটাগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাস রহমান ফিলিং স্টেশনের সামনে বিপরীত দিক থেকে আসা তিন চাকার একটি যানবাহন ও একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এতে তিন চাকার গাড়িটি সড়কের পাশে পড়ে যায়। ফলে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের আরোহী শহীদুল নিহত হন। এসময় আহত হন তিন চাকার গাড়িতে থাকা নানা-নাতিসহ তিনজন। এ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক ডা. রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান শিশু আদিবকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে বরিশাল নেওয়ার পথে আদিবের নানা আতাহার গাজী মারা যান। এ ঘটনায় আহত মনির সিকদারকে (৪০) বরিশালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে পুলিশ ঘাতক বাসটি ডাক্তারবাড়ি স্ট্যান্ড থেকে আটক করেছে। কিন্তু চালক ও হেল্পার পালিয়েছেন।
নিহত আতাহার গাজীর মেয়ে সালমা বলেন, বাবা ভাগিনাকে নিয়ে আমার বোনের বাড়ি যাচ্ছিলেন। কিন্তু পথেই তারা দুর্ঘটনার শিকার হলেন।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, স্বজনদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সকাল ৯টার দিকে রানীগঞ্জ বাজারের কাছে একই মোটরসাইকেলে চড়ে ওই তিন আরোহী স্থানীয় একটি সড়ক থেকে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কে উঠছিলেন। এ সময় একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় অপর দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
১ দিন আগে
কুষ্টিয়া থেকে পাংশাগামী একটি ড্রামট্রাকের (বগুড়া ড ১১-২৭০৩) সঙ্গে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের (ঢাকা মেট্রো ব-১৩ ০০৯৩) মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ১৩ বন্ধু দেওভোগ এলাকার মোস্তাকুর রহমানের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে বিকেলে কয়েকজন গোসলে নামেন। এ সময় পা পিছলে আজওয়াদ পানিতে দূরে চলে যান। অপর বন্ধু সোপান উদ্ধারের চেষ্টা করেন। পরে দুজনেই পানিতে তলিয়ে যান।
২ দিন আগে
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মৌলভীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতসহ বৃষ্টি হয়। এ সময়ে তালেব মিয়া নিজ জমিতে ধান কাটার সময় এবং স্বপন মুন্ডা স্থানীয় রাবারবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।
২ দিন আগে