
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর মাদারবুনিয়ার চারাবুনিয়া গ্রামে আলোচিত সৎ মা ও দাদিকে গলা কেটে হত্যায় অভিযুক্ত আল-আমিনকে (২৭) রাজধানী ঢাকার সদরঘাট থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) সকাল ৮টায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সহায়তায় পটুয়াখালী জেলা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
এর আগে শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরে বাসায় সৎ মা সাহিদা বেগম (৪৮) ও শতবর্ষী দাদি কুলসুম বিবিকে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যার ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আল-আমিন ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন।
আল-আমিন ওই গ্রামের আবদুর রাজ্জাক খানের ছেলে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন।
পুলিশ ও পরিবার সূত্র জানিয়েছে, আল-আমিন ১৫-২০ দিন হলো নিখোঁজ ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার (১২ জুন) তাকে খুঁজে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন শুক্রবার তাকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানোর জন্য পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে বড় ভাই বেল্লাল খান দুপুরে স্থানীয় নারী মেম্বারের বাড়িতে যান। আল-আমিনের বাবা আবদুর রাজ্জাক খানও সকালে কাজে বের হয়ে যান। এ সময় সৎ মা ও দাদিকে একা পেয়ে আল-আমিন তাদের হত্যা করে পালিয়ে যান।
পুলিশ জানায়, আল-আমিনকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করে। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার সদরঘাটে প্রিন্স অব কামাল লঞ্চের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, আসামি আল-আমিনকে ঢাকা সদরঘাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পটুয়াখালী এনে আদালতের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পটুয়াখালীর মাদারবুনিয়ার চারাবুনিয়া গ্রামে আলোচিত সৎ মা ও দাদিকে গলা কেটে হত্যায় অভিযুক্ত আল-আমিনকে (২৭) রাজধানী ঢাকার সদরঘাট থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) সকাল ৮টায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সহায়তায় পটুয়াখালী জেলা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
এর আগে শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরে বাসায় সৎ মা সাহিদা বেগম (৪৮) ও শতবর্ষী দাদি কুলসুম বিবিকে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যার ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আল-আমিন ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন।
আল-আমিন ওই গ্রামের আবদুর রাজ্জাক খানের ছেলে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন।
পুলিশ ও পরিবার সূত্র জানিয়েছে, আল-আমিন ১৫-২০ দিন হলো নিখোঁজ ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার (১২ জুন) তাকে খুঁজে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন শুক্রবার তাকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানোর জন্য পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে বড় ভাই বেল্লাল খান দুপুরে স্থানীয় নারী মেম্বারের বাড়িতে যান। আল-আমিনের বাবা আবদুর রাজ্জাক খানও সকালে কাজে বের হয়ে যান। এ সময় সৎ মা ও দাদিকে একা পেয়ে আল-আমিন তাদের হত্যা করে পালিয়ে যান।
পুলিশ জানায়, আল-আমিনকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করে। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার সদরঘাটে প্রিন্স অব কামাল লঞ্চের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, আসামি আল-আমিনকে ঢাকা সদরঘাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পটুয়াখালী এনে আদালতের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
১২ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে