
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় বিয়ের যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস ও ইলিশ পরিবহনকারী একটি বাসের সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
রবিবার (২৯ মার্চ) রাত ৮টার দিকে উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের বেসুমপুরদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস মাদারীপুরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে কয়েকজন যাত্রী নিয়ে ভাঙ্গা হয়ে ফেরার পথে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ইলিশ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
দুর্ঘটনার পর মাইক্রোবাসের যাত্রীদের সঙ্গে বাসের চালক ও সংশ্লিষ্টদের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়, হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে তারাও হামলার শিকার হন, এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় মাইক্রোবাসে থাকা কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের মধ্যে দুইজনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় বিয়ের যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস ও ইলিশ পরিবহনকারী একটি বাসের সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
রবিবার (২৯ মার্চ) রাত ৮টার দিকে উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের বেসুমপুরদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস মাদারীপুরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে কয়েকজন যাত্রী নিয়ে ভাঙ্গা হয়ে ফেরার পথে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ইলিশ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
দুর্ঘটনার পর মাইক্রোবাসের যাত্রীদের সঙ্গে বাসের চালক ও সংশ্লিষ্টদের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়, হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে তারাও হামলার শিকার হন, এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় মাইক্রোবাসে থাকা কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের মধ্যে দুইজনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
১১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে