
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বরিশালের মুলাদীতে প্রেমিকের সাথে ঘুরতে যাওয়া তরুণীকে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
শুক্রবার (৫ জুলাই) গ্রেপ্তারদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া।
গ্রেফতাররা হলেন, তরুণীর প্রেমিক মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের চরপদ্মা গ্রামের আলমগীর আকনের ছেলে ফজলে রাব্বী (২০), একই এলাকার মৃত আজাহার গোমস্তার ছেলে বাতেন গোমস্তা (২২), আজিজ বেপারীর ছেলে রুহুল আমিন (২০) ও কালাম খানের ছেলে নাবিল খান (২০)।
ওসি জাকারিয়া মামলার বরাতে জানান, উপজেলার উত্তর পাতারচর গ্রামের বাসিন্দা তরুণীর সাত বছর আগে বিয়ে হয়। তিন বছর আগে তার স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদও হয়। ২৫ বছর বয়সী ওই তরুণীর সঙ্গে প্রেম হয় ফজলে রাব্বির।
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) বিকেলে প্রেমিক ফজলে রাব্বী ওই তরুণীকে নিয়ে চরপদ্মা এলাকায় ঘুরতে যান। সেখানে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে প্রথমে তাকে ধর্ষণ করেন ফজলে রাব্বী।
তখন আশপাশে থাকা মানুষজন তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে আটক করে। পরে তারা প্রেমিক ফজলে রাব্বীকে মাছের ঘেরে একপ্রান্তে নিয়ে আটকে রেখে তরুণীকে মুখ বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও চিত্র ধারণ করে। সন্ধ্যার পর ওই তরুণী বাড়ি ফিরে বিষয়টি পরিবারকে জানালে তারা সফিপুর পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দেয়।
অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই চরপদ্মা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাছের ঘের কর্মচারী বাতেন, রুহুল আমিন ও নাবিলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে একই এলাকা থেকে ফজলে রাব্বীকেও গ্রেফতার করা হয়।
ওসি জানান, তরুণীর বাবার করা মামলায় আসামিদের শুক্রবার (৫ জুলাই) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার পলাতক আসামি একই এলাকার বাসিন্দা আবুল কালাম ব্যাপারীর ছেলে রবিন বেপারীকে (২০) গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
ওই তরুণীকে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

বরিশালের মুলাদীতে প্রেমিকের সাথে ঘুরতে যাওয়া তরুণীকে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
শুক্রবার (৫ জুলাই) গ্রেপ্তারদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া।
গ্রেফতাররা হলেন, তরুণীর প্রেমিক মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের চরপদ্মা গ্রামের আলমগীর আকনের ছেলে ফজলে রাব্বী (২০), একই এলাকার মৃত আজাহার গোমস্তার ছেলে বাতেন গোমস্তা (২২), আজিজ বেপারীর ছেলে রুহুল আমিন (২০) ও কালাম খানের ছেলে নাবিল খান (২০)।
ওসি জাকারিয়া মামলার বরাতে জানান, উপজেলার উত্তর পাতারচর গ্রামের বাসিন্দা তরুণীর সাত বছর আগে বিয়ে হয়। তিন বছর আগে তার স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদও হয়। ২৫ বছর বয়সী ওই তরুণীর সঙ্গে প্রেম হয় ফজলে রাব্বির।
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) বিকেলে প্রেমিক ফজলে রাব্বী ওই তরুণীকে নিয়ে চরপদ্মা এলাকায় ঘুরতে যান। সেখানে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে প্রথমে তাকে ধর্ষণ করেন ফজলে রাব্বী।
তখন আশপাশে থাকা মানুষজন তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে আটক করে। পরে তারা প্রেমিক ফজলে রাব্বীকে মাছের ঘেরে একপ্রান্তে নিয়ে আটকে রেখে তরুণীকে মুখ বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও চিত্র ধারণ করে। সন্ধ্যার পর ওই তরুণী বাড়ি ফিরে বিষয়টি পরিবারকে জানালে তারা সফিপুর পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দেয়।
অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই চরপদ্মা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাছের ঘের কর্মচারী বাতেন, রুহুল আমিন ও নাবিলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে একই এলাকা থেকে ফজলে রাব্বীকেও গ্রেফতার করা হয়।
ওসি জানান, তরুণীর বাবার করা মামলায় আসামিদের শুক্রবার (৫ জুলাই) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার পলাতক আসামি একই এলাকার বাসিন্দা আবুল কালাম ব্যাপারীর ছেলে রবিন বেপারীকে (২০) গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
ওই তরুণীকে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেছেন, চামড়া শিল্প দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। পোশাক শিল্পের পরই এ খাতের অবস্থান। অথচ কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে একশ্রেণির অসাধু চামড়া ব্যবসায়ী এতিম-গরিব মানুষের হকের ওপর লোভাতুর দৃষ্টি দেয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক
১ দিন আগে
সকাল ৯টার দিকে রানীগঞ্জ বাজারের কাছে একই মোটরসাইকেলে চড়ে ওই তিন আরোহী স্থানীয় একটি সড়ক থেকে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কে উঠছিলেন। এ সময় একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় অপর দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
১ দিন আগে
কুষ্টিয়া থেকে পাংশাগামী একটি ড্রামট্রাকের (বগুড়া ড ১১-২৭০৩) সঙ্গে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের (ঢাকা মেট্রো ব-১৩ ০০৯৩) মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ১৩ বন্ধু দেওভোগ এলাকার মোস্তাকুর রহমানের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে বিকেলে কয়েকজন গোসলে নামেন। এ সময় পা পিছলে আজওয়াদ পানিতে দূরে চলে যান। অপর বন্ধু সোপান উদ্ধারের চেষ্টা করেন। পরে দুজনেই পানিতে তলিয়ে যান।
২ দিন আগে