
বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশাল নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে হঠাৎ করে অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে পেট্রোলের সরবরাহও সীমিত হয়ে পড়ায় নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে না। এতে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চালকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
শনিবার (৭ মার্চ) নগরের অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে অকটেন না পেয়ে অনেক চালককে খালি হাতে ফিরে যেতে দেখা গেছে। নগরের নতুন বাজার, নথুল্লাবাদ, কাশিপুর ও রুপাতলী এলাকার বিভিন্ন পাম্প ঘুরে দেখা যায়, অনেক ফিলিং স্টেশনের সামনে ‘অকটেন নাই’ ও ‘পেট্রোল নাই’ লেখা বোর্ড ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
অকটেন সংকটের কারণে অনেক চালক বাধ্য হয়ে পেট্রোল সংগ্রহ করছেন। তবে পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ২০০ থেকে ৩০০ টাকার বেশি এবং প্রাইভেটকারে সীমিত পরিমাণের বেশি পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে না। তবে ডিজেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নিতে আসা কয়েকজন চালক জানান, বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ভবিষ্যতে জ্বালানি সংকট দেখা দিতে পারে— এমন আশঙ্কা থেকেই অনেকেই আগেভাগে গাড়ির ট্যাংক পূর্ণ করতে চাইছেন। ফলে হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পাম্পগুলোতে চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
মোটরসাইকেল চালক মাসুদ বলেন, ‘এখন চলাচলের জন্য জ্বালানি আছে। কিন্তু পরে যদি না পাওয়া যায়, সেই আশঙ্কা থেকেই ট্যাংক ভরে রাখতে এসেছি।’
নথুল্লাবাদের সুরভী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নিতে আসা প্রাইভেটকার চালক সবুজ জানান, অকটেন না পেয়ে তাকে খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আগামীকালও যদি অকটেন না পাই, তাহলে বাধ্য হয়ে পেট্রোল দিয়েই গাড়ি চালাতে হবে।’
সুরভী ফিলিং স্টেশনের সহকারী ব্যবস্থাপক রাফি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই আমাদের পাম্পে অকটেন নেই। পেট্রোলের চাহিদাও কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল দেওয়া যাচ্ছে না।’
নতুন বাজার এলাকার ইসরাইল ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক আব্দুর রব সিকদার জানান, পর্যাপ্ত আমদানি না থাকায় সাময়িক এই সংকট তৈরি হয়েছে। তবে আগামী রোববার নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে বলে জানান তিনি।
মেঘনা পেট্রোলিয়াম বরিশাল ডিপোর ইনচার্জ মো. শাহ আলম বলেন, ডিপোতে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। তেলবাহী জাহাজ আসার সময়সূচির ভিত্তিতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে সরবরাহ দেওয়া হয়। রোববার থেকে সব ধরনের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনিও।

বরিশাল নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে হঠাৎ করে অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে পেট্রোলের সরবরাহও সীমিত হয়ে পড়ায় নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে না। এতে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চালকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
শনিবার (৭ মার্চ) নগরের অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে অকটেন না পেয়ে অনেক চালককে খালি হাতে ফিরে যেতে দেখা গেছে। নগরের নতুন বাজার, নথুল্লাবাদ, কাশিপুর ও রুপাতলী এলাকার বিভিন্ন পাম্প ঘুরে দেখা যায়, অনেক ফিলিং স্টেশনের সামনে ‘অকটেন নাই’ ও ‘পেট্রোল নাই’ লেখা বোর্ড ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
অকটেন সংকটের কারণে অনেক চালক বাধ্য হয়ে পেট্রোল সংগ্রহ করছেন। তবে পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ২০০ থেকে ৩০০ টাকার বেশি এবং প্রাইভেটকারে সীমিত পরিমাণের বেশি পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে না। তবে ডিজেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নিতে আসা কয়েকজন চালক জানান, বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ভবিষ্যতে জ্বালানি সংকট দেখা দিতে পারে— এমন আশঙ্কা থেকেই অনেকেই আগেভাগে গাড়ির ট্যাংক পূর্ণ করতে চাইছেন। ফলে হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পাম্পগুলোতে চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
মোটরসাইকেল চালক মাসুদ বলেন, ‘এখন চলাচলের জন্য জ্বালানি আছে। কিন্তু পরে যদি না পাওয়া যায়, সেই আশঙ্কা থেকেই ট্যাংক ভরে রাখতে এসেছি।’
নথুল্লাবাদের সুরভী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নিতে আসা প্রাইভেটকার চালক সবুজ জানান, অকটেন না পেয়ে তাকে খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আগামীকালও যদি অকটেন না পাই, তাহলে বাধ্য হয়ে পেট্রোল দিয়েই গাড়ি চালাতে হবে।’
সুরভী ফিলিং স্টেশনের সহকারী ব্যবস্থাপক রাফি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই আমাদের পাম্পে অকটেন নেই। পেট্রোলের চাহিদাও কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল দেওয়া যাচ্ছে না।’
নতুন বাজার এলাকার ইসরাইল ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক আব্দুর রব সিকদার জানান, পর্যাপ্ত আমদানি না থাকায় সাময়িক এই সংকট তৈরি হয়েছে। তবে আগামী রোববার নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে বলে জানান তিনি।
মেঘনা পেট্রোলিয়াম বরিশাল ডিপোর ইনচার্জ মো. শাহ আলম বলেন, ডিপোতে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। তেলবাহী জাহাজ আসার সময়সূচির ভিত্তিতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে সরবরাহ দেওয়া হয়। রোববার থেকে সব ধরনের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনিও।

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে
রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন
১৬ ঘণ্টা আগে
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।
১ দিন আগে
টানা বৃষ্টি, পানির চাপ ও বজ্রপাতের আতঙ্কে হাওর এলাকার কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকট, যন্ত্রচালিত হারভেস্টর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা এবং ধান শুকানোর সুযোগ না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক স্থানে খলায় রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।
১ দিন আগে