
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর পুরান ঢাকার নারিন্দায় একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণের পর এসি থেকে ছড়ানো আগুনে দগ্ধ হয়েছেন একই পরিবারের তিনজন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে দগ্ধ তিনজন হলেন— মুক্তার ব্যাপারী এবং তার স্ত্রী সেলিনা বেগম ও ছেলে সেলিম ব্যাপারী।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, নারিন্দা থেকে তিনজন দগ্ধ রোগী এসেছেন। তাদের মধ্যে সেলিম নামে একজনের শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বাকি দুজনের মধ্যে সেলিনার শরীরের ৩০ শতাংশ ও মুক্তারের শরীরের ২২ শতাংশ দগ্ধ। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ফায়ার সার্ভিস কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ জানায়, নারিন্দার ওয়ারী কাঁচাবাজারের পাশে একটি পাঁচতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় এসি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সূত্রাপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গেলেও তারা পৌঁছানোর আগেই আগুন নিভে যায়। সেখান থেকে তিনজনকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর পুরান ঢাকার নারিন্দায় একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণের পর এসি থেকে ছড়ানো আগুনে দগ্ধ হয়েছেন একই পরিবারের তিনজন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে দগ্ধ তিনজন হলেন— মুক্তার ব্যাপারী এবং তার স্ত্রী সেলিনা বেগম ও ছেলে সেলিম ব্যাপারী।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, নারিন্দা থেকে তিনজন দগ্ধ রোগী এসেছেন। তাদের মধ্যে সেলিম নামে একজনের শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বাকি দুজনের মধ্যে সেলিনার শরীরের ৩০ শতাংশ ও মুক্তারের শরীরের ২২ শতাংশ দগ্ধ। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ফায়ার সার্ভিস কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ জানায়, নারিন্দার ওয়ারী কাঁচাবাজারের পাশে একটি পাঁচতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় এসি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সূত্রাপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গেলেও তারা পৌঁছানোর আগেই আগুন নিভে যায়। সেখান থেকে তিনজনকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে