
ফরিদপুর প্রতিনিধি

নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ফরিদপুরের ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেছে । এসময় তারা গাছ ফেলে ও টায়ার জ্বালিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) ভোর ৬টার দিকে ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের শুয়াদী পাম্পের পাশে ও পুখুরিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ যাত্রীরা।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রোকিবুজ্জামান বলেন, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ভাঙ্গা উপজেলার শুয়াদী বাসস্ট্যান্ড ও পুখুরিয়া এই দুই এলাকায় লকডাউনকে কেন্দ্র করে মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়েছেন।

নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ফরিদপুরের ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেছে । এসময় তারা গাছ ফেলে ও টায়ার জ্বালিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) ভোর ৬টার দিকে ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের শুয়াদী পাম্পের পাশে ও পুখুরিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ যাত্রীরা।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রোকিবুজ্জামান বলেন, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ভাঙ্গা উপজেলার শুয়াদী বাসস্ট্যান্ড ও পুখুরিয়া এই দুই এলাকায় লকডাউনকে কেন্দ্র করে মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুর রহমানের বয়স ২৮ বছর। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮) ও অর্জুন লস্কর (২৬)। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
দলটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো পুরুষ সদস্য নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকলে তিনি জামায়াতের সদস্য (রুকন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। এ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই সুজাউদ্দিন জোয়ার্দারকে জেলা সেক্রেটারির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব আবদুর রহমানের সই করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। গত রোববার প্রজ্ঞাপনটি উপজেলা প্রশাসনের হাতে পৌঁছায়।
২ দিন আগে
সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এ হামলার পেছনে রয়েছেন ক্যাডার বড় সাজ্জাদের অনুসারী ডেভিড ইমনের সহযোগীরা। সম্প্রতি ইমন মোবাইল ফোনে ডিডিএনের স্বত্বাধিকারীর কাছে এককালীন দুই কোটি টাকা ও প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। হুমকি দিয়েছিলেন, চাঁদা না দিলে ব্যবসা গুটিয়ে দেওয়া হবে।
২ দিন আগে