
রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহীর পুঠিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আকরাম (৬০) নামে এক দোকানি নিহত হয়েছেন। বালুবাহী একটি ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে হিঁচড়ে অনেক দূর নিয়ে যায়। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা দুটি বালুবাহী ডাম্প ট্রাকে আগুন দিয়ে সড়ক অবরোধ করেছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়ার বিড়ালদহ মাজারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আকরামের বাড়ি রাজশাহীর সরদা থানাপাড়া এলাকায়। তিনি পেশায় দরজি ছিলেন এবং বিড়ালদহ মাজার এলাকায় তার একটি টেইলারের দোকান রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকাল সাতটার দিকে একটি খাবারের দোকানে নাশতা শেষে রাস্তা পার হচ্ছিলেন আকরাম। এ সময় পুঠিয়াবাজার থেকে নাটোরগামী দুটি বালুবাহী ডাম্প ট্রাকের একটি তাকে চাপা দেয় এবং কিছু দূর পর্যন্ত হিঁচড়ে নিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পরপরই ক্ষুব্ধ জনতা ট্রাক দুটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং মহাসড়ক অবরোধ করে। এ ছাড়া যারা এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করছিলেন, তাদের মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে ভাঙচুর করে সেগুলো আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় সড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম। শুরুতে উত্তেজিত জনতা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
এ সময় স্থানীয়রা দিনের বেলায় ওই এলাকায় ডাম্প ট্রাক চলাচল বন্ধ এবং সড়কে স্পিডব্রেকার স্থাপনের দাবি জানান। পুলিশ এসব দাবি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।
রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক ফরহাদ হোসেন বলেন, বিক্ষুব্ধ জনতার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যেতে পারেননি তারা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করা হবে।

রাজশাহীর পুঠিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আকরাম (৬০) নামে এক দোকানি নিহত হয়েছেন। বালুবাহী একটি ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে হিঁচড়ে অনেক দূর নিয়ে যায়। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা দুটি বালুবাহী ডাম্প ট্রাকে আগুন দিয়ে সড়ক অবরোধ করেছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়ার বিড়ালদহ মাজারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আকরামের বাড়ি রাজশাহীর সরদা থানাপাড়া এলাকায়। তিনি পেশায় দরজি ছিলেন এবং বিড়ালদহ মাজার এলাকায় তার একটি টেইলারের দোকান রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকাল সাতটার দিকে একটি খাবারের দোকানে নাশতা শেষে রাস্তা পার হচ্ছিলেন আকরাম। এ সময় পুঠিয়াবাজার থেকে নাটোরগামী দুটি বালুবাহী ডাম্প ট্রাকের একটি তাকে চাপা দেয় এবং কিছু দূর পর্যন্ত হিঁচড়ে নিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পরপরই ক্ষুব্ধ জনতা ট্রাক দুটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং মহাসড়ক অবরোধ করে। এ ছাড়া যারা এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করছিলেন, তাদের মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে ভাঙচুর করে সেগুলো আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় সড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম। শুরুতে উত্তেজিত জনতা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
এ সময় স্থানীয়রা দিনের বেলায় ওই এলাকায় ডাম্প ট্রাক চলাচল বন্ধ এবং সড়কে স্পিডব্রেকার স্থাপনের দাবি জানান। পুলিশ এসব দাবি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।
রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক ফরহাদ হোসেন বলেন, বিক্ষুব্ধ জনতার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যেতে পারেননি তারা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করা হবে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে