
নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলের জেষ্ঠ্য সাংবাদিক এনামুল কবির টুকুর মুক্তিযোদ্ধা গেজেট বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
গত ২৬ অক্টোবর মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব হরিদাস ঠাকুর স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে 'ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা' হিসেবে চিহ্নিত করে এই গেজেট বাতিল করা হয়। তার গেজেট বাতিলের বিষয়টি গত ২৮ অক্টোবর রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়।
সাংবাদিক এনামুল কবির টুকু নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পাচগ্রাম ইউনিয়নের মহিষখোলা গ্রামের আবু বক্কার সিদ্দিকীর ছেলে। তিনি জাতীয় দৈনিক 'আমাদের সময়' পত্রিকার নড়াইল প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত। তিনি নড়াইল পৌরসভার কুড়িগ্রাম এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করেন।
স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এনামুল কবির টুকু ছাড়াও নড়াইলের আরও তিনজন 'ভূয়া মুক্তিযোদ্ধার' গেজেটও বাতিল করা হয়েছে।
জানা গেছে, নড়াইলের 'ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের' গেজেট বাতিলের বিষয়টি প্রথম সামনে আনেন নড়াইল পৌরসভার মহিষখোলা গ্রামের বাসিন্দা আমেরিকাপ্রবাসী নেওয়াজ মাহামুদ ভিকু।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে নেওয়াজ আহমেদ ভিকু বলেন, ‘সাংবাদিক এনামুল কবির টুকু একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা। তিনি টাকার বিনিময়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়েছেন। তাকে আইনের আওতায় আনা হলে বিস্তারিত সব তথ্য বেরিয়ে আসবে।’
নড়াইল মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তরিবর রহমান বলেন, নড়াইলের 'ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের' গেজেট বাতিলের দাবিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন।
তিনি দাবি করেন, ‘নড়াইলে আরও কিছু ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা রয়ে গেছেন, যাদের গেজেটও বাতিল করা প্রয়োজন।’
নড়াইল জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, নড়াইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এনামুল কবির টুকুর মুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে তার কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তার মুক্তিযোদ্ধা গেজেট বাতিল করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

নড়াইলের জেষ্ঠ্য সাংবাদিক এনামুল কবির টুকুর মুক্তিযোদ্ধা গেজেট বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
গত ২৬ অক্টোবর মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব হরিদাস ঠাকুর স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে 'ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা' হিসেবে চিহ্নিত করে এই গেজেট বাতিল করা হয়। তার গেজেট বাতিলের বিষয়টি গত ২৮ অক্টোবর রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়।
সাংবাদিক এনামুল কবির টুকু নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পাচগ্রাম ইউনিয়নের মহিষখোলা গ্রামের আবু বক্কার সিদ্দিকীর ছেলে। তিনি জাতীয় দৈনিক 'আমাদের সময়' পত্রিকার নড়াইল প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত। তিনি নড়াইল পৌরসভার কুড়িগ্রাম এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করেন।
স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এনামুল কবির টুকু ছাড়াও নড়াইলের আরও তিনজন 'ভূয়া মুক্তিযোদ্ধার' গেজেটও বাতিল করা হয়েছে।
জানা গেছে, নড়াইলের 'ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের' গেজেট বাতিলের বিষয়টি প্রথম সামনে আনেন নড়াইল পৌরসভার মহিষখোলা গ্রামের বাসিন্দা আমেরিকাপ্রবাসী নেওয়াজ মাহামুদ ভিকু।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে নেওয়াজ আহমেদ ভিকু বলেন, ‘সাংবাদিক এনামুল কবির টুকু একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা। তিনি টাকার বিনিময়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়েছেন। তাকে আইনের আওতায় আনা হলে বিস্তারিত সব তথ্য বেরিয়ে আসবে।’
নড়াইল মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তরিবর রহমান বলেন, নড়াইলের 'ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের' গেজেট বাতিলের দাবিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন।
তিনি দাবি করেন, ‘নড়াইলে আরও কিছু ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা রয়ে গেছেন, যাদের গেজেটও বাতিল করা প্রয়োজন।’
নড়াইল জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, নড়াইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এনামুল কবির টুকুর মুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে তার কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তার মুক্তিযোদ্ধা গেজেট বাতিল করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

গোলাগুলি শেষে সেনা সদস্যরা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় হ্লামংনু মার্মাকে গুলিবিদ্ধ উদ্ধার করে। পরে তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি সাবমেশিনগান (এসএমজি), ১৪৩ রাউন্ড এসএমজি গুলি, ১৪ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ৫ রাউন্ড ব্লাঙ্ক অ্যামোনিশন, দুটি ম্যাগাজিন ও অন্
১০ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের একটি বাজারে লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছিল ১২০ টাকায়। এমন পরিস্থিতিতে বাজার তদারকি করতে যান জেলা প্রশাসক। বাজারে গিয়ে দোকানিকে লেবুর হালি জিজ্ঞাসা করতেই দাম হাঁকেন ৪০ টাকা। এ সময় দাম কম বলায় লেবু কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন ক্রেতারা।
২১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ সুপার রবিউল হাসান বলেন, আমাদের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এছানুল হক মিলন চাঁদপুরের কচুয়ায় নিজ নির্বাচানী এলাকায় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, সন্ধ্যার পর অযাচিতভাবে কোনো কিশোর রাস্তায় ঘোরাফেরা করলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করত
১ দিন আগে
নিহতদের মধ্যে বড়কুলা গ্রামের খলিল শেখ (৬৫) ও তাহাজ্জুদ শেখ (৪০) সম্পর্কে বাবা ছেলে। এ ছাড়া ফেরদৌস শেখ (৩৩) ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ওসিবুর মিয়া (৬৫) নিহত হয়েছেন। ফেরদৌস সম্পর্কে খলিল শেখের আত্মীয়।
১ দিন আগে