
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইলে চণ্ডীপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণে বিদ্যালয়ের নিজস্ব জমির একটি অংশ ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নতুন প্রাচীর পুরোনো সীমানা অনুসরণ না করে ভেতরের দিকে নির্মাণ করায় প্রায় দুই থেকে তিন শতক জমি বেহাত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় অর্ধকোটি টাকা।
৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে নির্মাণাধীন ৬৪২ ফুট দীর্ঘ এ প্রাচীরের কাজ করছে ‘মণিহার এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পুরোনো সীমানা প্রাচীর ভাঙার পর তার ভিত্তি অক্ষত রেখেই এক থেকে দেড় ফুট ভেতরে এসে ৪২টি আরসিসি পিলার স্থাপন করা হয়েছে। পরে সেগুলোর ওপর বিম ও নতুন প্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে বিদ্যালয়ের মূল্যবান জমি অন্যদের দখলে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শ্রমিকরা নতুন প্রাচীর নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে সেটি আগের সীমানা রেখা থেকে কিছুটা ভেতরে নির্মাণ করা হচ্ছে। শ্রমিকদের ভাষ্য, কর্তৃপক্ষ যেখানেই কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন, সেখানেই তারা কাজ করছেন।
১৯১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত চণ্ডীপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়টি নান্দাইল পৌর সদরে অবস্থিত। স্থানীয় দানশীল ব্যক্তিদের দেওয়া ৫ দশমিক ৮১ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯১ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও সাবেক প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের আমলে সরকারি করা হয়। বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশে রয়েছে নরসুন্ধা নদী, আর উত্তর পাশজুড়ে আবাসিক এলাকা।
বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান ফকির বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের সীমানা প্রাচীর অবশ্যই নির্ধারিত সীমানা অনুযায়ী নির্মাণ করা উচিত। জমি ছেড়ে দিয়ে প্রাচীর নির্মাণ করলে তা নিয়ে ব্যক্তিস্বার্থের প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই আগে সঠিকভাবে মাপজোক করে সীমানা নির্ধারণের দাবি জানান তিনি।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যেখানটি দেখিয়ে দিয়েছেন, তারা সেখানেই নির্মাণকাজ করছেন।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাসনীম রেজা ছন্দ জানান, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী ও ঠিকাদার মাপজোক করে নির্মাণস্থল নির্ধারণ করেছেন। তার ভাষ্য, পুরোনো প্রাচীরের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকটি বাড়ির বাথরুমের ট্যাংক ও পাইপ থাকায় এবং নতুন প্রাচীরের প্লাস্টারের সুবিধার জন্য কিছুটা জায়গা ফাঁকা রাখা হয়েছে বলে তাকে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহসিনা খাতুন বলেন, নির্মাণকাজ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে হচ্ছে। প্রকৌশলীরা যে স্থান নির্ধারণ করবেন, ঠিকাদার সেখানেই কাজ করবেন। জমি ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানান।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে চণ্ডীপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণে বিদ্যালয়ের নিজস্ব জমির একটি অংশ ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নতুন প্রাচীর পুরোনো সীমানা অনুসরণ না করে ভেতরের দিকে নির্মাণ করায় প্রায় দুই থেকে তিন শতক জমি বেহাত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় অর্ধকোটি টাকা।
৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে নির্মাণাধীন ৬৪২ ফুট দীর্ঘ এ প্রাচীরের কাজ করছে ‘মণিহার এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পুরোনো সীমানা প্রাচীর ভাঙার পর তার ভিত্তি অক্ষত রেখেই এক থেকে দেড় ফুট ভেতরে এসে ৪২টি আরসিসি পিলার স্থাপন করা হয়েছে। পরে সেগুলোর ওপর বিম ও নতুন প্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে বিদ্যালয়ের মূল্যবান জমি অন্যদের দখলে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শ্রমিকরা নতুন প্রাচীর নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে সেটি আগের সীমানা রেখা থেকে কিছুটা ভেতরে নির্মাণ করা হচ্ছে। শ্রমিকদের ভাষ্য, কর্তৃপক্ষ যেখানেই কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন, সেখানেই তারা কাজ করছেন।
১৯১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত চণ্ডীপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়টি নান্দাইল পৌর সদরে অবস্থিত। স্থানীয় দানশীল ব্যক্তিদের দেওয়া ৫ দশমিক ৮১ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯১ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও সাবেক প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের আমলে সরকারি করা হয়। বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশে রয়েছে নরসুন্ধা নদী, আর উত্তর পাশজুড়ে আবাসিক এলাকা।
বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান ফকির বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের সীমানা প্রাচীর অবশ্যই নির্ধারিত সীমানা অনুযায়ী নির্মাণ করা উচিত। জমি ছেড়ে দিয়ে প্রাচীর নির্মাণ করলে তা নিয়ে ব্যক্তিস্বার্থের প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই আগে সঠিকভাবে মাপজোক করে সীমানা নির্ধারণের দাবি জানান তিনি।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যেখানটি দেখিয়ে দিয়েছেন, তারা সেখানেই নির্মাণকাজ করছেন।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাসনীম রেজা ছন্দ জানান, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী ও ঠিকাদার মাপজোক করে নির্মাণস্থল নির্ধারণ করেছেন। তার ভাষ্য, পুরোনো প্রাচীরের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকটি বাড়ির বাথরুমের ট্যাংক ও পাইপ থাকায় এবং নতুন প্রাচীরের প্লাস্টারের সুবিধার জন্য কিছুটা জায়গা ফাঁকা রাখা হয়েছে বলে তাকে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহসিনা খাতুন বলেন, নির্মাণকাজ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে হচ্ছে। প্রকৌশলীরা যে স্থান নির্ধারণ করবেন, ঠিকাদার সেখানেই কাজ করবেন। জমি ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানান।

নিহত মনি মিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার জয়নগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছিলেন। তার বাড়ি চর-জয়নগর গ্রামে।
১ দিন আগে
শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভোর ৫টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের জয়পুর বিওপির দায়িত্বাধীন ১৫২/১-এস সীমান্ত পিলারসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা মনে করি, ফ্যাসিস্টের দোসর চুপ্পু পদত্যাগ করলেই হবে না; পদত্যাগের পর তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে। গণহত্যায় তার সমর্থন রয়েছে। তাকে অবিলম্বে অপসারণের পর গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। একজন যোগ্য ও নিরপেক্ষ অভিভাবকসুলভ ব্যক্তিকে এই বাংলাদেশের জনগণ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখতে চায়।’
২ দিন আগে
মন্ত্রী জানান, পরীক্ষার্থীরা এখন থেকে পূর্বঘোষিত নিয়মিত রুটিন অনুযায়ী বাকি পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেবেন। তবে যেসব পরীক্ষা ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেগুলো পরে নতুন সময়সূচি প্রকাশ করে আবার নেওয়া হবে।
২ দিন আগে