
খান সুজন, শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর-দোহার আঞ্চলিক সড়কে অজ্ঞাত ট্রাকের চাপায় স্বর্ণা আক্তার (২০) নামে এক কলেজছাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ছাত্রীর সঙ্গে থাকা বাইক চালক লাশ ফেলে চলে গেছেন। সোমবার সকাল পৌনে ১০ টার দিকে উপজেলার ভাগ্যকুলের কামারগাঁও আইডিয়াল স্কুল গেটসংলগ্ন মোকার দোকানের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই ছাত্রী দোহার উপজেলার মোকসেদপুর ইউনিয়নের ফুলতলা এলাকার সেকান্দার খালাসীর মেয়ে ও পদ্মা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দোহারগামী একটি মোটরসাইকেলের পিছনে ওই ছাত্রী বসা ছিলেন। কামারগাঁও আইডিয়াল স্কুলসংলগ্ন মোকার দোকানের সামানে মোটরসাইকেলটিকে একটি ট্রাক পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় বাইকে ধাক্কা দেয়। এতে বাইকের পিছন থেকে মেয়েটি ছিটকে সড়কে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা যায়। ঘাতক ট্রাকটি দ্রুত দোহারের দিকে পালিয়ে যায়। এ সময় মোটরসাইকেলের চালকও চলে যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী দুজন সম্পর্কে প্রেমিক-প্রেমিকা। মোটরসাইকেলটি দোহারের দিকে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর নিহত ওই ছাত্রীর সঙ্গে থাকা কলেজের আইডি কার্ড দেখে তার নাম পরিচয় জানা যায়।
শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ্ আল তায়াবীর জানান, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বাইকের ওই যুবককে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর-দোহার আঞ্চলিক সড়কে অজ্ঞাত ট্রাকের চাপায় স্বর্ণা আক্তার (২০) নামে এক কলেজছাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ছাত্রীর সঙ্গে থাকা বাইক চালক লাশ ফেলে চলে গেছেন। সোমবার সকাল পৌনে ১০ টার দিকে উপজেলার ভাগ্যকুলের কামারগাঁও আইডিয়াল স্কুল গেটসংলগ্ন মোকার দোকানের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই ছাত্রী দোহার উপজেলার মোকসেদপুর ইউনিয়নের ফুলতলা এলাকার সেকান্দার খালাসীর মেয়ে ও পদ্মা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দোহারগামী একটি মোটরসাইকেলের পিছনে ওই ছাত্রী বসা ছিলেন। কামারগাঁও আইডিয়াল স্কুলসংলগ্ন মোকার দোকানের সামানে মোটরসাইকেলটিকে একটি ট্রাক পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় বাইকে ধাক্কা দেয়। এতে বাইকের পিছন থেকে মেয়েটি ছিটকে সড়কে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা যায়। ঘাতক ট্রাকটি দ্রুত দোহারের দিকে পালিয়ে যায়। এ সময় মোটরসাইকেলের চালকও চলে যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী দুজন সম্পর্কে প্রেমিক-প্রেমিকা। মোটরসাইকেলটি দোহারের দিকে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর নিহত ওই ছাত্রীর সঙ্গে থাকা কলেজের আইডি কার্ড দেখে তার নাম পরিচয় জানা যায়।
শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ্ আল তায়াবীর জানান, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বাইকের ওই যুবককে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৮ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
২১ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে