
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে দীর্ঘ ৯ বছর পর থানায় মামলা করেছেন নিহত মজির উদ্দিনের স্ত্রী মোসা. মাছুফা বেগম। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং রাজশাহী-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ দারাসহ ১৮১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ২৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বুধবার (০৪ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজশাহীর পুঠিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী মাছুফা চারঘাট উপজেলার মাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদের চাচী।
মামলার বাদী মাছুফা অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী মজির উদ্দিনকে গুলি করে হত্যার হুকুমদাতা হিসেবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট)-এর সাবেক এমপি রায়হানুল হক, চারঘাট উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ফকরুল ইসলাম, পুঠিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের বাবা ব্যবসায়ী শামসুদ্দিন, শাহরিয়ার আলমের ব্যক্তিগত সহকারী সিরাজুল ইসলাম, পুঠিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জিএম হিরা বাচ্চু, পুঠিয়ার সাবেক মেয়র রবিউল ইসলাম রবিসহ চারঘাট, বাঘা ও পুঠিয়া উপজেলার আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১৮১ জন নেতা। এছাড়া আরও ২৬০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি রাজশাহীর পুঠিয়ায় ২০ দলীয় রাজনৈতিক জোট আয়োজিত সংবিধান ও গণতন্ত্র হত্যা দিবসের কর্মসূচিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আসামিরা বিদেশি পিস্তল, দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো বড় হাসুয়া, ধারালো রামদা, ধারালো ডেগার, চাইনিজ কুড়াল, হকিস্টিক, ধারালো ফালা, হাতুরি, লোহার রড, জি.আই পাইপ, লাঠি-সোটা, বাঁশের লাঠি, কাঠের তৈরি রোলার, বাঁশ ও কাঠের তৈরি বাতা, হাত বোমা, পেট্রোল বোমা, ককটেল অন্যান্য বিস্ফোরকসহ সজ্জিত হয়ে ভয়ঙ্করভাবে হামলা করে। এতে ঘটনাস্থলের বিএনপি নেতা আবু সাঈদ চাঁদের চাচা মজির উদ্দিন নিহত হন।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ওই ঘটনায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ ও নিহতের স্ত্রী মাছুফা পৃথক অভিযোগ দিয়েছেন। তবে প্রাথমিকভাবে নিহতের স্ত্রী মাছুফার মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রাজশাহীতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে দীর্ঘ ৯ বছর পর থানায় মামলা করেছেন নিহত মজির উদ্দিনের স্ত্রী মোসা. মাছুফা বেগম। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং রাজশাহী-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ দারাসহ ১৮১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ২৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বুধবার (০৪ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজশাহীর পুঠিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী মাছুফা চারঘাট উপজেলার মাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদের চাচী।
মামলার বাদী মাছুফা অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী মজির উদ্দিনকে গুলি করে হত্যার হুকুমদাতা হিসেবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট)-এর সাবেক এমপি রায়হানুল হক, চারঘাট উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ফকরুল ইসলাম, পুঠিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের বাবা ব্যবসায়ী শামসুদ্দিন, শাহরিয়ার আলমের ব্যক্তিগত সহকারী সিরাজুল ইসলাম, পুঠিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জিএম হিরা বাচ্চু, পুঠিয়ার সাবেক মেয়র রবিউল ইসলাম রবিসহ চারঘাট, বাঘা ও পুঠিয়া উপজেলার আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১৮১ জন নেতা। এছাড়া আরও ২৬০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি রাজশাহীর পুঠিয়ায় ২০ দলীয় রাজনৈতিক জোট আয়োজিত সংবিধান ও গণতন্ত্র হত্যা দিবসের কর্মসূচিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আসামিরা বিদেশি পিস্তল, দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো বড় হাসুয়া, ধারালো রামদা, ধারালো ডেগার, চাইনিজ কুড়াল, হকিস্টিক, ধারালো ফালা, হাতুরি, লোহার রড, জি.আই পাইপ, লাঠি-সোটা, বাঁশের লাঠি, কাঠের তৈরি রোলার, বাঁশ ও কাঠের তৈরি বাতা, হাত বোমা, পেট্রোল বোমা, ককটেল অন্যান্য বিস্ফোরকসহ সজ্জিত হয়ে ভয়ঙ্করভাবে হামলা করে। এতে ঘটনাস্থলের বিএনপি নেতা আবু সাঈদ চাঁদের চাচা মজির উদ্দিন নিহত হন।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ওই ঘটনায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ ও নিহতের স্ত্রী মাছুফা পৃথক অভিযোগ দিয়েছেন। তবে প্রাথমিকভাবে নিহতের স্ত্রী মাছুফার মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

খাগড়াছড়ির পানছড়ি ও রামগড় উপজেলায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী দলের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। অভিযানে এক সশস্ত্র সংগঠনের সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া আত্মসমর্পণ করেছেন আরও দুই সদস্য। উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক অস্ত্র, ম্যাগাজিন ও গোলাবারুদ।
২ দিন আগে
নিহতদের একজন নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে এবং অন্যজন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস)- সশস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে দাবি করেছে ইউপিডিএফ।
২ দিন আগে
দিনাজপুর সদর উপজেলার সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় চারজনকে আটক করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। আজ বুধবার ভোর ৬টার দিকে বনতারা-গিলাবাড়ি সীমান্ত এলাকায় তাদের আটক করা হয়।
২ দিন আগে
মামলার বাদী খোকন তালুকদার নিজেকে কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পরিচয় দিলেও মহানগর যুবদল সেই দাবি অস্বীকার করেছে। সংগঠনটির সদস্যসচিব রোমান হাসান বলেন, খোকন যুবদলের কোনো পর্যায়ের নেতা বা কর্মী নন। অতীতে তিনি যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
২ দিন আগে