
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিট থেকে পালিয়ে যাওয়া অগ্নিদগ্ধ এক কিশোরের মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকাল ৯টার দিকে নগরীর হাজী মুহম্মদ মহসিন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে শরীরে ব্যান্ডেজ জড়ানো মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত কিশোরের নাম নাভিদ ইসলাম (১৫)। সে মহানগরীর তেরোখাদিয়া এলাকার খাদেমুল ইসলাম-রিতা বেগম দম্পতির ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকাল ৯টার দিকে শরীরে ব্যান্ডেজ জড়ানো ওই কিশোরের মরদেহ রাজশাহীর হাজী মুহাম্মদ মহসিন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে ভাসছিল। পরে স্থানীয়রা পাশে থাকা রাজশাহী সদর ফায়ার সার্ভিস ও রাজপাড়া থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে রাজপাড়া থানা পুলিশ ও সদর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন।
নিহতের মা রিতা বেগম জানান, তার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। কিছুদিন আগে সে নিজের শরীরে নিজেই আগুন দেয়। এভাবে আত্মহত্যার চেষ্টা চালানোর পর তাকে রামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল। সোমবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে তিনি ওয়াশরুমে গেলে এ সুযোগে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায় নাভিদ। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে হাজী মুহাম্মদ মহসিন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুর থেকে তার ছেলের মরদেহ উদ্ধারের খবর পান। তার ছেলের মাথায় সব সময় আত্মহত্যার চিন্তা কাজ করতো। নাভিদ কেন জানি বাঁচতে চাইতো না।
মরদেহ উদ্ধারের পর রাজশাহীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হক সাংবাদিকদের জানান, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছেন। সুরতহালের সময় দেখা গেছে এ কিশোরের মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থান আগে থেকেই পোড়া ও ব্যান্ডেজ মোড়ানো।
তিনি আরও জানান, সে কীভাবে এখানে এলো আর কীভাবে পুকুরে পড়ে মারা গেল তা বোঝা যাচ্ছে না। তাই আপাতত তার মৃত্যুর কারণটি অস্পষ্ট। তারা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছেন। তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিট থেকে পালিয়ে যাওয়া অগ্নিদগ্ধ এক কিশোরের মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকাল ৯টার দিকে নগরীর হাজী মুহম্মদ মহসিন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে শরীরে ব্যান্ডেজ জড়ানো মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত কিশোরের নাম নাভিদ ইসলাম (১৫)। সে মহানগরীর তেরোখাদিয়া এলাকার খাদেমুল ইসলাম-রিতা বেগম দম্পতির ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকাল ৯টার দিকে শরীরে ব্যান্ডেজ জড়ানো ওই কিশোরের মরদেহ রাজশাহীর হাজী মুহাম্মদ মহসিন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে ভাসছিল। পরে স্থানীয়রা পাশে থাকা রাজশাহী সদর ফায়ার সার্ভিস ও রাজপাড়া থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে রাজপাড়া থানা পুলিশ ও সদর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন।
নিহতের মা রিতা বেগম জানান, তার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। কিছুদিন আগে সে নিজের শরীরে নিজেই আগুন দেয়। এভাবে আত্মহত্যার চেষ্টা চালানোর পর তাকে রামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল। সোমবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে তিনি ওয়াশরুমে গেলে এ সুযোগে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায় নাভিদ। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে হাজী মুহাম্মদ মহসিন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুর থেকে তার ছেলের মরদেহ উদ্ধারের খবর পান। তার ছেলের মাথায় সব সময় আত্মহত্যার চিন্তা কাজ করতো। নাভিদ কেন জানি বাঁচতে চাইতো না।
মরদেহ উদ্ধারের পর রাজশাহীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হক সাংবাদিকদের জানান, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছেন। সুরতহালের সময় দেখা গেছে এ কিশোরের মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থান আগে থেকেই পোড়া ও ব্যান্ডেজ মোড়ানো।
তিনি আরও জানান, সে কীভাবে এখানে এলো আর কীভাবে পুকুরে পড়ে মারা গেল তা বোঝা যাচ্ছে না। তাই আপাতত তার মৃত্যুর কারণটি অস্পষ্ট। তারা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছেন। তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৮ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
২১ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে