
রাজশাহী ব্যুরো

স্মৃতি হারিয়ে পথ হারানো কিশোরকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে রাজশাহী মহানগরীর (আরএমপির) বেলপুকুর থানা পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে থানার স্বরূপনগর হানুর মোড় থেকে ওই কিশোরকে উদ্ধার করা হয়।
ওই কিশোরের নাম মো. রাহুল (১৮)। রাহুল নওগাঁর মহাদেবপুর থানার কচুকুড়ি গ্রামের আনোয়ারের ছেলে।
বেলপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ বলেন, স্বরূপনগর হানুর মোড়ে ফাঁকা মাঠে ওই কিশোর সাইকেল রেখে বসে ছিল। এত রাতে এ অবস্থায় বসে থাকতে দেখে থানা পুলিশের টহল টিম তার নাম ঠিকানা জিজ্ঞাসা করলে সে কিছু বলে না। তখন পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে আসে। পরে কথা বলে বোঝা যায়, তার মানসিক সমস্যা রয়েছে এবং সে দীর্ঘ সময় না খেয়ে আছে। তার রাতের খাওয়ার ব্যবস্থা করি।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে তার সঙ্গে কথা বললে সে তার এক ভাইয়ের মোবাইল নম্বর দেন এবং জানতে পারি তার বাড়ি নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর থানায়। পরে যোগাযোগ করে রাত ২টার দিকে যুবকের বাবা বেলপুকুর থানায় আসলে রাহুলকে তার বাবার কাছে তুলে দেওয়া হয়। রাহুলকে ফিরে পেয়ে তার বাবা ও পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত আনন্দিত।
রাহুলের বাবা আনোয়ার বলেন, মাঝেমাঝেই রাহুলের স্মৃতি হারিয়ে যায়। তখন সে কোথায় যায়, কোথায় অবস্থান করছে বুঝতে পারে না। শুক্রবার সকালেও সে সাইকেল নিয়ে বাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে হারিয়ে যায়। অবশেষে হারিয়ে যাওয়া রাহুলকে ফিরিয়ে দিল পুলিশ। আমি পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞ।

স্মৃতি হারিয়ে পথ হারানো কিশোরকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে রাজশাহী মহানগরীর (আরএমপির) বেলপুকুর থানা পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে থানার স্বরূপনগর হানুর মোড় থেকে ওই কিশোরকে উদ্ধার করা হয়।
ওই কিশোরের নাম মো. রাহুল (১৮)। রাহুল নওগাঁর মহাদেবপুর থানার কচুকুড়ি গ্রামের আনোয়ারের ছেলে।
বেলপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ বলেন, স্বরূপনগর হানুর মোড়ে ফাঁকা মাঠে ওই কিশোর সাইকেল রেখে বসে ছিল। এত রাতে এ অবস্থায় বসে থাকতে দেখে থানা পুলিশের টহল টিম তার নাম ঠিকানা জিজ্ঞাসা করলে সে কিছু বলে না। তখন পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে আসে। পরে কথা বলে বোঝা যায়, তার মানসিক সমস্যা রয়েছে এবং সে দীর্ঘ সময় না খেয়ে আছে। তার রাতের খাওয়ার ব্যবস্থা করি।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে তার সঙ্গে কথা বললে সে তার এক ভাইয়ের মোবাইল নম্বর দেন এবং জানতে পারি তার বাড়ি নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর থানায়। পরে যোগাযোগ করে রাত ২টার দিকে যুবকের বাবা বেলপুকুর থানায় আসলে রাহুলকে তার বাবার কাছে তুলে দেওয়া হয়। রাহুলকে ফিরে পেয়ে তার বাবা ও পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত আনন্দিত।
রাহুলের বাবা আনোয়ার বলেন, মাঝেমাঝেই রাহুলের স্মৃতি হারিয়ে যায়। তখন সে কোথায় যায়, কোথায় অবস্থান করছে বুঝতে পারে না। শুক্রবার সকালেও সে সাইকেল নিয়ে বাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে হারিয়ে যায়। অবশেষে হারিয়ে যাওয়া রাহুলকে ফিরিয়ে দিল পুলিশ। আমি পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞ।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৮ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
২১ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে