ফের বাড়ল ডলারের দাম

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২৫, ১১: ০৪

মার্কিন ডলারের দাম আবারও বেড়েছে। বুধবার (২২ অক্টোবর) সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে ডলারের বিক্রয়মূল্য সর্বোচ্চ ১২২ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সায় পৌঁছেছে, যা গত সপ্তাহের তুলনায় বেশি।

আমদানি এলসি খোলার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ডলারের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে বলে ব্যাংকসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকও আন্তঃব্যাংক বাজার থেকে ডলার কেনা অব্যাহত রেখেছে।

বুধবার সোনালী ব্যাংকে এক ডলারের বিক্রয়মূল্য ছিল ১২২ টাকা ৬০ পয়সা। ক্রয়মূল্য ছিল ১২১ টাকা ৬০ পয়সা। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে এক ডলারের বিক্রয়মূল্য ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা। ক্রয়মূল্য ছিল ১২১ টাকা ৭৫ পয়সা। এছাড়া অন্যান্য ব্যাংকগুলোতে বিক্রয়মূল্য ও ক্রয়মূল্য ওঠানামা করে ১২২ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সায়।

ডলারের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আন্তঃব্যাংক বিনিময় হারকে প্রভাবিত করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী,বুধবার আন্তঃব্যাংক বাজারে ডলারের সর্বোচ্চ দাম ছিল ১২২ টাকা ২৫ পয়সা, যা গতকাল ছিল ১২২ টাকা।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক ছয়টি ব্যাংক থেকে প্রতি ডলার ১২১ টাকা ৮০ পয়সা দরে ৩৮ মিলিয়ন ডলার কিনেছে। আর চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ব্যাংকগুলো থেকে মোট ২ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ad
ad

অর্থের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

সোনার ভরিতে বাড়ল ২,২১৬ টাকা

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।

৪ দিন আগে

স্মারক স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।

৪ দিন আগে

এ সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তি হচ্ছে না: বিডা চেয়ারম্যান

আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’

৪ দিন আগে

পাকিস্তান থেকে রেল কোচ ও ওয়াগন আমদানির পথে বাংলাদেশ

পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

৫ দিন আগে