
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চলতি মার্চ মাসের প্রথম ২৯ দিনে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১৮১ কোটি ৫১ লাখ মার্কিন ডলার। আজ রোববার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
তথ্যমতে, চলতি মাসের প্রথম ২৯ দিনে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৫৪ কোটি ৯৮ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার এসেছে। এ ছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২২ কোটি ৭৫ লাখ ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে তিন কোটি তিন লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৭৪ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার এসেছে।
অপরদিক মার্চ মাসের ১ থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ৫১ কোটি ২৯ লাখ ১০ হাজার ডলার, ৯ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত ৫০ কোটি ৬০ লাখ ৭০ হাজার ডলার, ১৬ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত ৩৯ কোটি ৫৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং ২৩ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত ৪০ কোটি ছয় লাখ ৫০ হাজার ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
অন্যান্য সময়ের মতো এবারে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। মার্চ মাসের প্রথম ২৯ দিনে ব্যাংকটির মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৬ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার। এরপরেই রয়েছে জনতা ব্যাংকের অবস্থান। ব্যাংকটির মাধ্যমে ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমে ১১ কোটি ২৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।
এ ছাড়া ট্রাস্ট ব্যাংকের মাধ্যমে ১০ কোটি ৯০ লাখ ডলার এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ১০ কোটি ৪৮ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।
চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১১ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার ডলার। আর ফেব্রুয়ারিতে আসে ২১৬ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার ডলার। আগের বছরের ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯৯ কোটি ১২ লাখ ৬০ হাজার ডলার, নভেম্বরে ১৯৩ কোটি ৪০ হাজার ডলার, অক্টোবরে ১৯৭ কোটি ১৪ লাখ ৩০ হাজার ডলার, সেপ্টেম্বরে ১৩৩ কোটি ৪৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার, আগস্টে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার, জুলাইয়ে ১৯৭ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার ডলার, জুনে ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ডলার, মেতে ১৬৯ কোটি ১৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার, এপ্রিলে ১৬৮ কোটি ৪৯ লাখ ১০ হাজার ডলার, মার্চে ২০২ কোটি ২৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ১৫৬ কোটি ৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং জানুয়ারিতে ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

চলতি মার্চ মাসের প্রথম ২৯ দিনে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১৮১ কোটি ৫১ লাখ মার্কিন ডলার। আজ রোববার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
তথ্যমতে, চলতি মাসের প্রথম ২৯ দিনে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৫৪ কোটি ৯৮ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার এসেছে। এ ছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২২ কোটি ৭৫ লাখ ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে তিন কোটি তিন লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৭৪ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার এসেছে।
অপরদিক মার্চ মাসের ১ থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ৫১ কোটি ২৯ লাখ ১০ হাজার ডলার, ৯ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত ৫০ কোটি ৬০ লাখ ৭০ হাজার ডলার, ১৬ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত ৩৯ কোটি ৫৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং ২৩ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত ৪০ কোটি ছয় লাখ ৫০ হাজার ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
অন্যান্য সময়ের মতো এবারে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। মার্চ মাসের প্রথম ২৯ দিনে ব্যাংকটির মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৬ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার। এরপরেই রয়েছে জনতা ব্যাংকের অবস্থান। ব্যাংকটির মাধ্যমে ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমে ১১ কোটি ২৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।
এ ছাড়া ট্রাস্ট ব্যাংকের মাধ্যমে ১০ কোটি ৯০ লাখ ডলার এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ১০ কোটি ৪৮ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।
চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১১ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার ডলার। আর ফেব্রুয়ারিতে আসে ২১৬ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার ডলার। আগের বছরের ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯৯ কোটি ১২ লাখ ৬০ হাজার ডলার, নভেম্বরে ১৯৩ কোটি ৪০ হাজার ডলার, অক্টোবরে ১৯৭ কোটি ১৪ লাখ ৩০ হাজার ডলার, সেপ্টেম্বরে ১৩৩ কোটি ৪৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার, আগস্টে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার, জুলাইয়ে ১৯৭ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার ডলার, জুনে ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ডলার, মেতে ১৬৯ কোটি ১৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার, এপ্রিলে ১৬৮ কোটি ৪৯ লাখ ১০ হাজার ডলার, মার্চে ২০২ কোটি ২৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ১৫৬ কোটি ৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং জানুয়ারিতে ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
২ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
২ দিন আগে