
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে। বুধবার বিশ্ববাজারের দুই প্রধান সূচক ব্রেন্ট ক্রুড ও ডব্লিউটিআই—উভয়ের দামই এক লাফে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরপরই তেলের বাজারে এই ঐতিহাসিক পতন দেখা গেল।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা যায়, মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ দশমিক ৫৯ ডলারে নেমে আসে, অন্যদিকে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ১৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯২ দশমিক ৩৫ ডলারে নেমে যায়।
এর আগে ইরানের তেলক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পাল্টাপাল্টি হিসেবে তেহরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিতে তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল।
বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড এর দাম ১৪.৮৪ ডলার বা ১৩.৬% কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪.৪৩ ডলার। অন্যদিকে ডব্লিউটিআই ক্রুড ১৬.১৩ ডলার কমে ৯৬.৮২ ডলারে নেমেছে।
এই পতনের পেছনে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘোষণা। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যার শর্ত হিসেবে তাৎক্ষণিকভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে।
ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “এটি হবে দুই পক্ষের যুদ্ধবিরতি।” এর আগে তিনি সতর্ক করেছিলেন, শর্ত না মানলে বড় ধরনের হামলা হতে পারে।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তাদের ওপর হামলা বন্ধ হলে ইরানও আক্রমণ বন্ধ করবে। একই সঙ্গে দুই সপ্তাহের জন্য হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা হবে।
সার্বিকভাবে বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এই দুই সপ্তাহের 'যুদ্ধবিরতি' বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় স্বস্তির নিঃশ্বাস। যদিও এটি একটি সাময়িক প্রক্রিয়া, তবে হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথ উন্মুক্ত হওয়া এবং পাল্টাপাল্টি হামলা স্থগিত রাখা কূটনীতির ক্ষেত্রে বড় একটি সাফল্য। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কঠোর হুশিয়ারি এবং ইরানের নমনীয় অবস্থান—এই দুইয়ের সমন্বয়ে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি আপাতত একটি বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধ এড়িয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে। বুধবার বিশ্ববাজারের দুই প্রধান সূচক ব্রেন্ট ক্রুড ও ডব্লিউটিআই—উভয়ের দামই এক লাফে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরপরই তেলের বাজারে এই ঐতিহাসিক পতন দেখা গেল।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা যায়, মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ দশমিক ৫৯ ডলারে নেমে আসে, অন্যদিকে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ১৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯২ দশমিক ৩৫ ডলারে নেমে যায়।
এর আগে ইরানের তেলক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পাল্টাপাল্টি হিসেবে তেহরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিতে তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল।
বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড এর দাম ১৪.৮৪ ডলার বা ১৩.৬% কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪.৪৩ ডলার। অন্যদিকে ডব্লিউটিআই ক্রুড ১৬.১৩ ডলার কমে ৯৬.৮২ ডলারে নেমেছে।
এই পতনের পেছনে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘোষণা। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যার শর্ত হিসেবে তাৎক্ষণিকভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে।
ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “এটি হবে দুই পক্ষের যুদ্ধবিরতি।” এর আগে তিনি সতর্ক করেছিলেন, শর্ত না মানলে বড় ধরনের হামলা হতে পারে।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তাদের ওপর হামলা বন্ধ হলে ইরানও আক্রমণ বন্ধ করবে। একই সঙ্গে দুই সপ্তাহের জন্য হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা হবে।
সার্বিকভাবে বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এই দুই সপ্তাহের 'যুদ্ধবিরতি' বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় স্বস্তির নিঃশ্বাস। যদিও এটি একটি সাময়িক প্রক্রিয়া, তবে হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথ উন্মুক্ত হওয়া এবং পাল্টাপাল্টি হামলা স্থগিত রাখা কূটনীতির ক্ষেত্রে বড় একটি সাফল্য। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কঠোর হুশিয়ারি এবং ইরানের নমনীয় অবস্থান—এই দুইয়ের সমন্বয়ে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি আপাতত একটি বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধ এড়িয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, দেশে দৈনিক ডিজেলের চাহিদা সাড়ে ১২ হাজার টন। সেই হিসাবে, নতুন আসা এ ডিজেল দিয়ে ১২ দিনের চাহিদা মেটানো যাবে।
৩ দিন আগে
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনটির সভাপতি তাসকীন আহমেদ। তিনি বলেন, বর্তমানে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি সংকুচিত হয়ে ৬ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগের বছরের ৭ দশমিক ১৫ শতাংশের তুলনায় অনেক কম। এ ছাড়া শিল্প খাতের ঋণের টাকা বর্তমানে ৫০ দশমিক ৪৬ শতাংশ অনাদায়ী এবং খেলাপি ঋণের হার ৩১ দশমিক ২ শতাং
৫ দিন আগে
সেন্টার ফর এনআরবির চেয়ারপার্সন এম এস সেকিল চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি ও প্রবাসী কল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক, এমপি ।
৫ দিন আগে
আএমএফ বলছে, এর অর্থ— বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার খুব কাছাকাছি পরিস্থিতিতে চলে যাবে। এটি খুব নিয়মিত ঘটনা নয়। ১৯৮০ সালের পর গত সাড়ে চার দশকে এমন ঘটনা ঘটেছে মাত্র চারবার। এর মধ্যে চলতি শতকের শুরুর দিকের অর্থনৈতিক মহামন্দা রয়েছে। আর সবশেষ উদাহরণ কোভিড-১৯ মহামারী, যেটি ভুগিয়েছে একযোগে সারা বিশ্বকে।
৫ দিন আগে