
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প উন্নয়নে বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান অর্গানিক্স এনার্জি লিমিটেড এবং বাংলাদেশের পরিবেশ ও অবকাঠামো প্রকল্প বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠান অনুসন্ধানী ক্রিয়েডস একত্রে কাজ করতে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে। এই অংশীদারত্ব জৈব বর্জ্য ও ল্যান্ডফিল গ্যাস ব্যবহার করে নবায়নযোগ্য প্রাকৃতিক গ্যাস (আরএনজি) এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করবে, যা বাংলাদেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি নিরাপত্তা ও জলবায়ু স্থিতিশীলতায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আনবে।
অর্গানিক্স এনার্জি লিমিটেড কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়াভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান, যা আরএনজি প্রকল্প উন্নয়ন, নির্মাণ, মালিকানা ও পরিচালনায় বিশেষায়িত। সম্প্রতি অর্গানিক্স একটি প্রাথমিক সমীক্ষায় দেখিয়েছে যে, আমিন বাজার ল্যান্ডফিল থেকে ২০ বছরে ১.৯ বিলিয়ন কিউবিক ফুট আরএনজি উৎপাদন সম্ভব। এই উৎপাদন ১,৮০৭,২৭৫ MMBTU জ্বালানি সরবরাহ করবে, স্থানীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা মেটাবে, আমদানি করা এলএনজির উপর নির্ভরতা কমাবে এবং ২,১৪,২৪৬টি গাড়ি ঢাকার রাস্তাগুলো থেকে অপসারণের সমতুল্য কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করবে।
অর্গানিক্স এনার্জি জৈব পদার্থ থেকে জ্বালানি উৎপাদনে অ্যানারোবিক ডাইজেস্টন প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এটি বিশ্বব্যাপী প্রমাণিত এবং পরিবেশগতভাবে নিরাপদ একটি প্রযুক্তি, যা বর্তমানে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। এই পদ্ধতি নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন ছাড়াও পুষ্টিসমৃদ্ধ জৈব সারের উৎপাদন করে, যা ইনসিনারেশন পদ্ধতির তুলনায় আরও নিরাপদ।
অর্গানিক্স এনার্জির প্রধান নির্বাহী (সিইও) তাপস বিশ্বাস বলেন, ‘পরিবেশের নিরাপত্তা ও দীর্ঘমেয়াদী গুণমান নিশ্চিত করতে সঠিক প্রযুক্তি নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। ইনসিনারেশন পদ্ধতির তুলনায় অ্যানারোবিক ডাইজেস্টন উল্লেখযোগ্যভাবে ভালো, কারণ এটি ক্ষতিকর গ্যাস ও বিপজ্জনক বায়োপ্রোডাক্ট কম তৈরি করে।’
অনুসন্ধানী ক্রিয়েডস ঢাকাভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান, যাদের পরিবেশগত পরামর্শ ও প্রকল্প উন্নয়নে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। মাস্টার প্ল্যানিং, বিস্তারিত নকশা ও সম্প্রদায়ের সাথে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অসংখ্য সফল প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।
অনুসন্ধানী ক্রিয়েডসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও শাহাদাত হোসেন, বলেন, ‘আমাদের যৌথ লক্ষ্য হলো, এমন কার্যকর বর্জ্য-থেকে-জ্বালানি সমাধান প্রদান করা, যা পরিষ্কার শহর ও জ্বালানি প্রবেশাধিকারকে সমর্থন করে। এই অংশীদারত্ব বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য শক্তি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক চিহ্নিত করেছে।’ বিজ্ঞপ্তি

নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প উন্নয়নে বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান অর্গানিক্স এনার্জি লিমিটেড এবং বাংলাদেশের পরিবেশ ও অবকাঠামো প্রকল্প বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠান অনুসন্ধানী ক্রিয়েডস একত্রে কাজ করতে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে। এই অংশীদারত্ব জৈব বর্জ্য ও ল্যান্ডফিল গ্যাস ব্যবহার করে নবায়নযোগ্য প্রাকৃতিক গ্যাস (আরএনজি) এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করবে, যা বাংলাদেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি নিরাপত্তা ও জলবায়ু স্থিতিশীলতায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আনবে।
অর্গানিক্স এনার্জি লিমিটেড কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়াভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান, যা আরএনজি প্রকল্প উন্নয়ন, নির্মাণ, মালিকানা ও পরিচালনায় বিশেষায়িত। সম্প্রতি অর্গানিক্স একটি প্রাথমিক সমীক্ষায় দেখিয়েছে যে, আমিন বাজার ল্যান্ডফিল থেকে ২০ বছরে ১.৯ বিলিয়ন কিউবিক ফুট আরএনজি উৎপাদন সম্ভব। এই উৎপাদন ১,৮০৭,২৭৫ MMBTU জ্বালানি সরবরাহ করবে, স্থানীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা মেটাবে, আমদানি করা এলএনজির উপর নির্ভরতা কমাবে এবং ২,১৪,২৪৬টি গাড়ি ঢাকার রাস্তাগুলো থেকে অপসারণের সমতুল্য কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করবে।
অর্গানিক্স এনার্জি জৈব পদার্থ থেকে জ্বালানি উৎপাদনে অ্যানারোবিক ডাইজেস্টন প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এটি বিশ্বব্যাপী প্রমাণিত এবং পরিবেশগতভাবে নিরাপদ একটি প্রযুক্তি, যা বর্তমানে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। এই পদ্ধতি নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন ছাড়াও পুষ্টিসমৃদ্ধ জৈব সারের উৎপাদন করে, যা ইনসিনারেশন পদ্ধতির তুলনায় আরও নিরাপদ।
অর্গানিক্স এনার্জির প্রধান নির্বাহী (সিইও) তাপস বিশ্বাস বলেন, ‘পরিবেশের নিরাপত্তা ও দীর্ঘমেয়াদী গুণমান নিশ্চিত করতে সঠিক প্রযুক্তি নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। ইনসিনারেশন পদ্ধতির তুলনায় অ্যানারোবিক ডাইজেস্টন উল্লেখযোগ্যভাবে ভালো, কারণ এটি ক্ষতিকর গ্যাস ও বিপজ্জনক বায়োপ্রোডাক্ট কম তৈরি করে।’
অনুসন্ধানী ক্রিয়েডস ঢাকাভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান, যাদের পরিবেশগত পরামর্শ ও প্রকল্প উন্নয়নে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। মাস্টার প্ল্যানিং, বিস্তারিত নকশা ও সম্প্রদায়ের সাথে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অসংখ্য সফল প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।
অনুসন্ধানী ক্রিয়েডসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও শাহাদাত হোসেন, বলেন, ‘আমাদের যৌথ লক্ষ্য হলো, এমন কার্যকর বর্জ্য-থেকে-জ্বালানি সমাধান প্রদান করা, যা পরিষ্কার শহর ও জ্বালানি প্রবেশাধিকারকে সমর্থন করে। এই অংশীদারত্ব বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য শক্তি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক চিহ্নিত করেছে।’ বিজ্ঞপ্তি

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা ইউএনসিটিএডি সতর্ক করে বলেছে, এর প্রভাবে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক পণ্য বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধিতে ধস নামতে পারে। ২০২৫ সালে এ প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৭ শতাংশ, যা এক বছরের ব্যবধানে কমে ২ দশমিক ৫ শতাংশ, এবং এমনকি ১ দশমিক ৫ শতাংশেও নেমে আসতে পারে।
১১ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে কৃষি ও শিল্প খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানির ফলে সরকারি তহবিলে চাপ তৈরি হওয়ায় ইতোমধ্যে সাশ্রয়ী নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য জ্বালানি ব্যবহারে ৩০ শতাংশ রেশনিং চালু করা হয়েছে।
১ দিন আগে
সরকারের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার দায়িত্বশীলভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে এবং অতীতেও দ্রব্যমূল্যের চাপ দক্ষতার সঙ্গে সামাল দিয়েছে। জনগণের সহযোগিতাও এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
১ দিন আগে
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভ্যাট অডিট প্রক্রিয়ায় আমূল পরিবর্তন এনেছে। দীর্ঘদিনের দাবি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় বা অটোমেটেড পদ্ধতিতে ৬০০টি প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট অডিটের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।
২ দিন আগে