
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিএটি বাংলাদেশের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিবেন ওয়েল সাবরা। পহেলা আগস্ট ২০২৪ থেকে বিএটি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হিসেবে গোলাম মইন উদ্দীনের স্থলাভিষিক্ত হবেন সাবরা।
তিনি ২০০৩ সালে বিএটি-তে কর্মজীবন শুরু করে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে কাজ করার মাধ্যমে বিস্তৃত অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এ সময় তিনি বিএটি’র গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থেকে প্রতিষ্ঠানের অব্যাহত সাফল্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।
২০২৩ সালের মার্চ মাস থেকে সাবরা বিএটি বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদের একজন নন-এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত আছেন। বর্তমানে তিনি বিএটি মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা, ককেশাস এবং মধ্য এশিয়ার এরিয়া ডিরেক্টর।
তিনি ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডা থেকে ফাইন্যান্সে স্নাতকোত্তর এবং আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব বৈরুত থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এছাড়াও, তিনি একজন সার্টিফায়েড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট।
সাবরা গোলাম মইন উদ্দীনের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন, যিনি বিএটি বাংলাদেশে ৪২ বছরের অসামান্য কর্মজীবন সম্পন্ন করেছেন।
গোলাম মইন উদ্দীন ১৯৮৩ সালে কোম্পানির সাথে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন এবং ২০০৮ সালে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বিশ্বমানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কার্যক্রম পরিচালনায় বিএটি বাংলাদেশের রূপান্তরের যাত্রায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে তার দূরদর্শী ও বিচক্ষণ নেতৃত্ব।
জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার গোলাম মইন উদ্দীনকে 'বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি' (সিআইপি) হিসেবে সম্মানিত করে আসছে।
প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ওয়েল সাবরার সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বদানের সক্ষমতা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক সাফল্য নিশ্চিতের পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে বিএটি বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বিএটি বাংলাদেশের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিবেন ওয়েল সাবরা। পহেলা আগস্ট ২০২৪ থেকে বিএটি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হিসেবে গোলাম মইন উদ্দীনের স্থলাভিষিক্ত হবেন সাবরা।
তিনি ২০০৩ সালে বিএটি-তে কর্মজীবন শুরু করে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে কাজ করার মাধ্যমে বিস্তৃত অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এ সময় তিনি বিএটি’র গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থেকে প্রতিষ্ঠানের অব্যাহত সাফল্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।
২০২৩ সালের মার্চ মাস থেকে সাবরা বিএটি বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদের একজন নন-এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত আছেন। বর্তমানে তিনি বিএটি মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা, ককেশাস এবং মধ্য এশিয়ার এরিয়া ডিরেক্টর।
তিনি ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডা থেকে ফাইন্যান্সে স্নাতকোত্তর এবং আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব বৈরুত থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এছাড়াও, তিনি একজন সার্টিফায়েড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট।
সাবরা গোলাম মইন উদ্দীনের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন, যিনি বিএটি বাংলাদেশে ৪২ বছরের অসামান্য কর্মজীবন সম্পন্ন করেছেন।
গোলাম মইন উদ্দীন ১৯৮৩ সালে কোম্পানির সাথে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন এবং ২০০৮ সালে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বিশ্বমানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কার্যক্রম পরিচালনায় বিএটি বাংলাদেশের রূপান্তরের যাত্রায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে তার দূরদর্শী ও বিচক্ষণ নেতৃত্ব।
জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার গোলাম মইন উদ্দীনকে 'বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি' (সিআইপি) হিসেবে সম্মানিত করে আসছে।
প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ওয়েল সাবরার সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বদানের সক্ষমতা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক সাফল্য নিশ্চিতের পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে বিএটি বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির এক জরুরি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ৭০ লাখ দোকান ব্যবসায়ী ও আড়াই কোটি কর্মচারীর কথা বিবেচনা করে ঢাকাসহ সারা দেশের দোকান ও শপিং মল খোলার সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত হ
২ দিন আগে
স্থানীয় শিপিং এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনসের দেওয়া তথ্যমতে, মালয়েশিয়া থেকে আসা জাহাজটি আজ শনিবার বার্থিং করার কথা রয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ ডিজেল আসায় দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিবহন খাতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা আরও সচল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২ দিন আগে
জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা ইউএনসিটিএডি সতর্ক করে বলেছে, এর প্রভাবে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক পণ্য বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধিতে ধস নামতে পারে। ২০২৫ সালে এ প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৭ শতাংশ, যা এক বছরের ব্যবধানে কমে ২ দশমিক ৫ শতাংশ, এবং এমনকি ১ দশমিক ৫ শতাংশেও নেমে আসতে পারে।
২ দিন আগে
তিনি বলেন, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে কৃষি ও শিল্প খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানির ফলে সরকারি তহবিলে চাপ তৈরি হওয়ায় ইতোমধ্যে সাশ্রয়ী নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য জ্বালানি ব্যবহারে ৩০ শতাংশ রেশনিং চালু করা হয়েছে।
৩ দিন আগে