
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ঈদুল আজহা সামনে রেখেও নতুন টাকা বাজারে ছেড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল রোববার (১ জুন) থেকে নতুন নোট বাজারে ছাড়া হয়। প্রথম দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে সীমিত পরিসরে নতুন নোট পাওয়া যায়। আজ সোমবার থেকে মিলবে বাংলাদেশে ব্যাংকের শাখা অফিসের বাইরে আরও ১০টি ব্যাংকে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্বাক্ষরযুক্ত নতুন সিরিজের ১ হাজার, ৫০ ও ২০ টাকার ব্যাংক নোট পাওয়া যাবে আজ থেকে। যা ১১টি ব্যাংকের নির্দিষ্ট শাখা থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন গ্রাহকরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা অফিসের বাইরে যেসব ব্যাংকে নতুন টাকা মিলবে সেই ব্যাংকগুলো হলো- সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, পূবালী, উত্তরা, ডাচ্-বাংলা, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, আল-আরাফাহ ইসলামী ও ব্র্যাক ব্যাংক।
এসব ব্যাংকের লোকাল অফিসকে নতুন টাকা দেওয়া হয়েছে, যা আজ সোমবার থেকে বিতরণ শুরু করবে ব্যাংকগুলো। তবে কোন ব্যাংক কোন শাখার মাধ্যমে নতুন টাকা বিতরণ করবে, তা ব্যাংকগুলো নিজেরাই ঠিক করবে।
জানা গেছে, ঈদের আগে সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা মূল্যমানের নোট ছাপানো সম্ভব হয়েছে। এসব নোটের মধ্যে বেশির ভাগই ব্যাংকগুলোকে দেওয়া হচ্ছে। বাকি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার মাধ্যমে বিনিময় করা হবে।
এছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন নোটের পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলিত সব কাগুজে নোট ও ধাতব মুদ্রা চালু থাকবে। ঈদের আগে শুধু ২০, ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাজারে আসছে। এছাড়া ৫, ১০, ১০০, ২০০ ও ৫০০ টাকার নতুন ডিজাইনের নোট ছাপা শুরু হবে ঈদের পর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন রোববার বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সরাসরি গ্রাহক হচ্ছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। তাই কয়েকটি ব্যাংকে সীমিত পরিমাণে নতুন নোট সরবরাহ করা হয়েছে। এসব নোট সোমবার বা তার পরদিন থেকেই গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে শুরু করবে।
প্রথম ধাপে ২০, ৫০ এবং ১০০০ টাকার নতুন নোট ছাড়া হচ্ছে। ধাপে ধাপে আরও নতুন নোট ছাপানো হবে এবং সরবরাহের পরিমাণ বাড়ানো হবে বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

ঈদুল আজহা সামনে রেখেও নতুন টাকা বাজারে ছেড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল রোববার (১ জুন) থেকে নতুন নোট বাজারে ছাড়া হয়। প্রথম দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে সীমিত পরিসরে নতুন নোট পাওয়া যায়। আজ সোমবার থেকে মিলবে বাংলাদেশে ব্যাংকের শাখা অফিসের বাইরে আরও ১০টি ব্যাংকে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্বাক্ষরযুক্ত নতুন সিরিজের ১ হাজার, ৫০ ও ২০ টাকার ব্যাংক নোট পাওয়া যাবে আজ থেকে। যা ১১টি ব্যাংকের নির্দিষ্ট শাখা থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন গ্রাহকরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা অফিসের বাইরে যেসব ব্যাংকে নতুন টাকা মিলবে সেই ব্যাংকগুলো হলো- সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, পূবালী, উত্তরা, ডাচ্-বাংলা, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, আল-আরাফাহ ইসলামী ও ব্র্যাক ব্যাংক।
এসব ব্যাংকের লোকাল অফিসকে নতুন টাকা দেওয়া হয়েছে, যা আজ সোমবার থেকে বিতরণ শুরু করবে ব্যাংকগুলো। তবে কোন ব্যাংক কোন শাখার মাধ্যমে নতুন টাকা বিতরণ করবে, তা ব্যাংকগুলো নিজেরাই ঠিক করবে।
জানা গেছে, ঈদের আগে সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা মূল্যমানের নোট ছাপানো সম্ভব হয়েছে। এসব নোটের মধ্যে বেশির ভাগই ব্যাংকগুলোকে দেওয়া হচ্ছে। বাকি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার মাধ্যমে বিনিময় করা হবে।
এছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন নোটের পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলিত সব কাগুজে নোট ও ধাতব মুদ্রা চালু থাকবে। ঈদের আগে শুধু ২০, ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাজারে আসছে। এছাড়া ৫, ১০, ১০০, ২০০ ও ৫০০ টাকার নতুন ডিজাইনের নোট ছাপা শুরু হবে ঈদের পর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন রোববার বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সরাসরি গ্রাহক হচ্ছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। তাই কয়েকটি ব্যাংকে সীমিত পরিমাণে নতুন নোট সরবরাহ করা হয়েছে। এসব নোট সোমবার বা তার পরদিন থেকেই গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে শুরু করবে।
প্রথম ধাপে ২০, ৫০ এবং ১০০০ টাকার নতুন নোট ছাড়া হচ্ছে। ধাপে ধাপে আরও নতুন নোট ছাপানো হবে এবং সরবরাহের পরিমাণ বাড়ানো হবে বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।
৫ দিন আগে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।
৫ দিন আগে
আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’
৫ দিন আগে
পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৫ দিন আগে