
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা মজুত আবারো কমে ২০ বিলিয়ন বা ২ হাজার কোটি ডলারের নিচে নেমে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি বিপিএম ৬ অনুযায়ী, ১৭ এপ্রিল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন বা এক হাজার ৯৮ কোটি মার্কিন ডলারে।
একই দিনে মোট রিজার্ভের পরিমাণ ২ হাজার ৫৩০ কোটি ডলার। গত বছরের এ সময়ে মোট রিজার্ভের পরিমাণ অনেক বেশি ছিল (৩১ দশমিক ১৮ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ১১৮ কোটি ডলার)।
ঈদের আগে ৮ এপ্রিল বিপিএম ৬ অনুযায়ী, রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ১১ বিলিয়ন বা দুই হাজার ১১ কোটি মার্কিন ডলার। ওই দিনে মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৫৩৯ কোটি ডলার। সে হিসেবে গত ১০ দিনে বিপিএম-৬ এর রিজার্ভ কমেছে ২১১ মিলিয়ন বা দুই কোটি ১১ লাখ ডলার।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের শুরুতে গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ২৩ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার। এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা আইএমএফের কাছে প্রকাশ করতে হয়।
এছাড়া আইএমএফের ঋণচুক্তি অনুসারে প্রতি তিন মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ সংরক্ষণের হিসাব দিতে হয়। তবে এ তথ্য প্রকাশ করে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সেই হিসাবে দেশের ব্যয়যোগ্য প্রকৃত রিজার্ভ এখন ১৫ বিলিয়ন ডলারের নিচে আছে। প্রতি মাসে প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার হিসেবে এ রিজার্ভ দিয়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে কষ্ট হবে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন শেষপ্রান্তে রয়েছে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা মজুত আবারো কমে ২০ বিলিয়ন বা ২ হাজার কোটি ডলারের নিচে নেমে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি বিপিএম ৬ অনুযায়ী, ১৭ এপ্রিল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন বা এক হাজার ৯৮ কোটি মার্কিন ডলারে।
একই দিনে মোট রিজার্ভের পরিমাণ ২ হাজার ৫৩০ কোটি ডলার। গত বছরের এ সময়ে মোট রিজার্ভের পরিমাণ অনেক বেশি ছিল (৩১ দশমিক ১৮ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ১১৮ কোটি ডলার)।
ঈদের আগে ৮ এপ্রিল বিপিএম ৬ অনুযায়ী, রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ১১ বিলিয়ন বা দুই হাজার ১১ কোটি মার্কিন ডলার। ওই দিনে মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৫৩৯ কোটি ডলার। সে হিসেবে গত ১০ দিনে বিপিএম-৬ এর রিজার্ভ কমেছে ২১১ মিলিয়ন বা দুই কোটি ১১ লাখ ডলার।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের শুরুতে গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ২৩ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার। এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা আইএমএফের কাছে প্রকাশ করতে হয়।
এছাড়া আইএমএফের ঋণচুক্তি অনুসারে প্রতি তিন মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ সংরক্ষণের হিসাব দিতে হয়। তবে এ তথ্য প্রকাশ করে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সেই হিসাবে দেশের ব্যয়যোগ্য প্রকৃত রিজার্ভ এখন ১৫ বিলিয়ন ডলারের নিচে আছে। প্রতি মাসে প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার হিসেবে এ রিজার্ভ দিয়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে কষ্ট হবে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন শেষপ্রান্তে রয়েছে।

কর্মসংস্থান ব্যাংকের ৯০ দিনের বিশেষ কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা ২০২৬’। ব্যাংকের খুলনা ও যশোর অঞ্চলের অধীন ২৮টি শাখার ব্যবস্থাপক ও দ্বিতীয় কর্মকর্তারা এ সভায় অংশ নেন।
২ দিন আগে
র্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে 'মরার ওপর খাঁড়ার ঘা' হিসেবে অভিহিত করে মন্ত্রী বলেন, সরকার ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও দীর্ঘমেয়াদে এই চাপ বহন করা কঠিন হয়ে দাঁড়াতে পারে।
২ দিন আগে
দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ চাঙা করা এবং শিল্প খাতের বিদ্যমান সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যে শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শুরু হওয়া এ বৈঠককে সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে নতুন এক সংলাপের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
৩ দিন আগে
ডিজিটাল লেনদেনকে আরও সহজ, দ্রুত ও সাশ্রয়ী করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের চালু করা ‘বাংলা কিউআর’ দেশের সব মার্চেন্ট পয়েন্টে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে দেশের সব ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানকে তাদের নিজস্ব কিউআর কোড সরিয়ে ফেলতে হবে।
৩ দিন আগে