
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদারের ওপর থেকে দলের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি এখন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টাসহ তার আগের সব পদে বহাল থাকছেন।
শনিবার (১৫নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, গত ৫ মার্চ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদারের দলীয় প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ স্থগিত করা হয়েছিল। সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় এখন থেকে তিনি সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন।
নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় ঐক্য ও কার্যকারিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এবার তার সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করলো বিএনপি।

বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদারের ওপর থেকে দলের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি এখন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টাসহ তার আগের সব পদে বহাল থাকছেন।
শনিবার (১৫নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, গত ৫ মার্চ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদারের দলীয় প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ স্থগিত করা হয়েছিল। সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় এখন থেকে তিনি সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন।
নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় ঐক্য ও কার্যকারিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এবার তার সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করলো বিএনপি।

রাষ্ট্রপতির সংসদীয় ভাষণের প্রাক্কালে জামায়াত নেতার এমন অবস্থান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক। সেখানে দেওয়া তার বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
১৭ ঘণ্টা আগে
তার মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যোগ্যতার মানদণ্ড তুলে দেওয়া হলে শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। অতীতে আওয়ামী লীগ শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও গুণগত মান নষ্ট করে স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করেছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
১ দিন আগে
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ মাঠে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নাহিদ ইসলাম বলেন. বিএনপির ফ্যামিলি কার্ড ভালো উদ্যোগ। তারা নির্বাচনী ইশতেহারে কার্ডের ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করতে না পারলে ফ্যামিলি কার্ড হবে কেবল চোখ ধাঁধানো কর্মসূচি। অবিলম্বে ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দা
১ দিন আগে