
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আধিপত্যবাদবিরোধী প্ল্যাটফর্ম 'ইনকিলাব মঞ্চ'-এর মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তাসহ চার দফা দাবিতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি দিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সংগঠনের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসিরসহ শীর্ষ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর হাতে এ স্মারকলিপি তুলে দেয়।
স্মারকলিপিতে ছাত্রদল উল্লেখ করে, শহিদ ওসমান বিন হাদি ছিলেন একজন আপসহীন তরুণ নেতা ও ফ্যাসিবাদবিরোধী সাংস্কৃতিক সংগ্রামের অগ্রপথিক। ফ্যাসিস্টদের পরিকল্পনায় তিনি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের পূর্বপ্রস্তুতি ও ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগের অভাব, যোগ্যতা ও আন্তরিকতার ঘাটতি এবং ঘটনার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও হত্যাকারী ও নেপথ্যের কুশীলবদের গ্রেপ্তারে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, এই হত্যাকাণ্ড কেবল একটি ব্যক্তির জীবন কেড়ে নেওয়ার ঘটনা নয়; বরং এটি ফ্যাসিবাদবিরোধী কণ্ঠরোধের ভয়াবহ দৃষ্টান্ত। এর মাধ্যমে গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-যুব ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের নিরাপত্তা আজ চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
এ পরিপ্রেক্ষিতে স্মারকলিপিতে চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-
১) শহিদ ওসমান বিন হাদির হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত হত্যাকারী, পরিকল্পনাকারী ও মদদদাতাসহ সবাইকে দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের আওতায় আনতে হবে;
২) হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র ও সংশ্লিষ্টদের অবহেলা খতিয়ে দেখতে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে;
৩) ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন এবং গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে;
৪) ভবিষ্যতে এ ধরনের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড রোধে গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহিতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।
স্মারকলিপিতে ছাত্রদল নেতারা বলেন, আইনের শাসন ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। দ্রুত এসব দাবি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শহিদ ওসমান বিন হাদির আত্মত্যাগের প্রতি ন্যূনতম সম্মান প্রদর্শিত হবে এবং জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে।

আধিপত্যবাদবিরোধী প্ল্যাটফর্ম 'ইনকিলাব মঞ্চ'-এর মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তাসহ চার দফা দাবিতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি দিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সংগঠনের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসিরসহ শীর্ষ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর হাতে এ স্মারকলিপি তুলে দেয়।
স্মারকলিপিতে ছাত্রদল উল্লেখ করে, শহিদ ওসমান বিন হাদি ছিলেন একজন আপসহীন তরুণ নেতা ও ফ্যাসিবাদবিরোধী সাংস্কৃতিক সংগ্রামের অগ্রপথিক। ফ্যাসিস্টদের পরিকল্পনায় তিনি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের পূর্বপ্রস্তুতি ও ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগের অভাব, যোগ্যতা ও আন্তরিকতার ঘাটতি এবং ঘটনার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও হত্যাকারী ও নেপথ্যের কুশীলবদের গ্রেপ্তারে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, এই হত্যাকাণ্ড কেবল একটি ব্যক্তির জীবন কেড়ে নেওয়ার ঘটনা নয়; বরং এটি ফ্যাসিবাদবিরোধী কণ্ঠরোধের ভয়াবহ দৃষ্টান্ত। এর মাধ্যমে গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-যুব ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের নিরাপত্তা আজ চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
এ পরিপ্রেক্ষিতে স্মারকলিপিতে চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-
১) শহিদ ওসমান বিন হাদির হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত হত্যাকারী, পরিকল্পনাকারী ও মদদদাতাসহ সবাইকে দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের আওতায় আনতে হবে;
২) হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র ও সংশ্লিষ্টদের অবহেলা খতিয়ে দেখতে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে;
৩) ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন এবং গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে;
৪) ভবিষ্যতে এ ধরনের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড রোধে গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহিতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।
স্মারকলিপিতে ছাত্রদল নেতারা বলেন, আইনের শাসন ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। দ্রুত এসব দাবি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শহিদ ওসমান বিন হাদির আত্মত্যাগের প্রতি ন্যূনতম সম্মান প্রদর্শিত হবে এবং জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
১ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
১ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
১ দিন আগে