
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-২ (সালথা ও নগরকান্দা) আসনের বিএনপি প্রার্থী এবং দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন।
গত ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে শামা ওবায়েদের দাখিল করা হলফনামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ প্রতিদিনকেও মুঠোফোনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শামা ওবায়েদ। তিনি জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-২ আসনে নির্বাচন করবেন। এজন্য মার্কিন নাগরিকত্ব ছেড়েছেন তিনি।
শামা ওবায়েদ একসময় একই সঙ্গে বাংলাদেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন। তবে গত বছরের ২০ নভেম্বর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন।
হলফনামায় তিনি নিজেকে একজন ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করে অ্যালিউর বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অ্যাভোসিল্ক সলিউশনের চেয়ারম্যান এবং ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল কো-অপারেশন ফাউন্ডেশনের (আইজিসিএফ) জেনারেল সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালনের কথা জানিয়েছেন।
হলফনামা অনুযায়ী, শামা ওবায়েদের নামে মোট ১৮টি মামলা ছিল। এর মধ্যে একটি মামলায় তিনি খালাস পেয়েছেন। ২০২৫ সালে ৮টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং আরও ৮টি মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন। তবে একটি হত্যা মামলা এখনও তদন্তাধীন রয়েছে।
হলফনামায় শামা ওবায়েদ তার বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ২১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১ টাকা। এর মধ্যে অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া থেকে ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানতের মুনাফা ৪৬ হাজার ৪০৪ টাকা, চাকরির সম্মানী বাবদ ৭ লাখ ৮৬ হাজার ৬৬৭ টাকা এবং সম্মানী ভাতা বাবদ ৯৬ হাজার টাকা।
স্থাবর সম্পদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, ২০২৫ সালের হলফনামায় শামা ওবায়েদ তার স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য দেখিয়েছেন ৬ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য দেখানো হয়েছে ৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে রয়েছে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ৪৫০ শতাংশ অকৃষি জমি, যার কোনো মূল্য উল্লেখ করা হয়নি এবং ঢাকার বনানীতে ৩ হাজার ২৪৫ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-২ (সালথা ও নগরকান্দা) আসনের বিএনপি প্রার্থী এবং দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন।
গত ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে শামা ওবায়েদের দাখিল করা হলফনামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ প্রতিদিনকেও মুঠোফোনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শামা ওবায়েদ। তিনি জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-২ আসনে নির্বাচন করবেন। এজন্য মার্কিন নাগরিকত্ব ছেড়েছেন তিনি।
শামা ওবায়েদ একসময় একই সঙ্গে বাংলাদেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন। তবে গত বছরের ২০ নভেম্বর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন।
হলফনামায় তিনি নিজেকে একজন ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করে অ্যালিউর বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অ্যাভোসিল্ক সলিউশনের চেয়ারম্যান এবং ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল কো-অপারেশন ফাউন্ডেশনের (আইজিসিএফ) জেনারেল সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালনের কথা জানিয়েছেন।
হলফনামা অনুযায়ী, শামা ওবায়েদের নামে মোট ১৮টি মামলা ছিল। এর মধ্যে একটি মামলায় তিনি খালাস পেয়েছেন। ২০২৫ সালে ৮টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং আরও ৮টি মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন। তবে একটি হত্যা মামলা এখনও তদন্তাধীন রয়েছে।
হলফনামায় শামা ওবায়েদ তার বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ২১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১ টাকা। এর মধ্যে অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া থেকে ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানতের মুনাফা ৪৬ হাজার ৪০৪ টাকা, চাকরির সম্মানী বাবদ ৭ লাখ ৮৬ হাজার ৬৬৭ টাকা এবং সম্মানী ভাতা বাবদ ৯৬ হাজার টাকা।
স্থাবর সম্পদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, ২০২৫ সালের হলফনামায় শামা ওবায়েদ তার স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য দেখিয়েছেন ৬ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য দেখানো হয়েছে ৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে রয়েছে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ৪৫০ শতাংশ অকৃষি জমি, যার কোনো মূল্য উল্লেখ করা হয়নি এবং ঢাকার বনানীতে ৩ হাজার ২৪৫ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট।

তিনি বলেন, ‘যারা গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ী, যাদের কোনো অনুশোচনা নাই, বাংলাদেশের মানুষের সামনে ক্ষমা প্রার্থনা করে নাই, তাদের কোনো রাজনীতি বাংলাদেশের মানুষ কখনো গ্রহণ করবে না।’
১ দিন আগে
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্রের বিকাশে স্বাধীন সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের ওপর সরকারের পক্ষ থেকে অতীতের মতো কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। সরকার বিশ্বাস করে, একটি টেকসই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিহার্য।’
১ দিন আগে
মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা সম্পর্কে আমার বলার একটাই কথা, আমরা অস্বীকার করতে পারি না যে উনি বাংলাদেশকে খুন করেননি, আমরা অস্বীকার করতে পারি না যে উনি খুন, গুম, গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। সেই সব সত্যের মুখোমুখি যদি তিনি হতে চান, তাহলে অবশ্যই তিনি আসবেন।
১ দিন আগে
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘দাবি নিয়ে সংসদে এসে কথা বলেন। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যেভাবে বিশৃঙ্খলা করা হয়েছে তাকে কোনোভাবেই গণতন্ত্র বলা যায় না।’
১ দিন আগে