
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের আদালতে ধর্ষকদের বিচার না হলে, গণআদালতে বিচার করার আহ্বান জানিয়ে শাহবাগে ধর্ষণবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেল ৪টার দিকে শাহবাগ চত্বরে প্রগতিশীল নারী, ছাত্র ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সম্মিলিত উদ্যোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজ, মামুন ও তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ১৯৯৮ সালে ছাত্রলীগ কর্মী মানিকের ধর্ষণের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যৌন হয়রানি মুক্ত একটি ক্যাম্পাসের জন্য আন্দোলন করেছিল। সেই আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে নিরাপদ শিক্ষাঙ্গনের প্রয়াসে যৌন হয়রানি নিপীড়নবিরোধী সেল গঠন করা হয়েছিল৷ কিন্তু আজ ২৬ বছর অতিক্রম হলেও আমাদের শিক্ষাঙ্গনগুলোতে সেই নীতিমালা কার্যকর হয়নি এবং শিক্ষাঙ্গন ধর্ষণমুক্ত হয়নি।
বক্তারা মনে করেন, এই দেশে সন্ত্রাসীরা অপরাধ করেও ক্ষমতাসীনদের প্রশ্রয়ে বুক ফুলিয়ে নির্বিঘ্নে বিচরণ করে আর ভুক্তভোগীদের মাথা নিচু করে, মুখ বুজে সয়ে যায় অসহনীয় লাঞ্ছনা। গত ১৫ বছর জোর জবরদস্তির ক্ষমতার জোরে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মানুষের জীবনকে বিপন্ন ও দুর্বিসহ করে তুলছে, নারীদের জন্য ঘর থেকে রাজপথ করে তুলেছে শঙ্কাময়। ২০১৮ সালে আওয়ামী সরকারের বাহিনীর শুরু হয়েছিল নৌকায় ভোট না দেওয়ার অপরাধে একজন নারীকে ‘ধর্ষণ’ করার মাধ্যমে, যা প্রমাণ করেছে যে, এই সরকার ধর্ষকদের পৃষ্ঠপোষকদাতা ও পাহারাদার।
সমাবেশে বক্তারা দৃঢ়চিত্তে জানান, কেবল সংগঠন থেকে বহিস্কার নয়, ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। বাংলাদেশের আদালত যদি এই শাস্তি না দেয়, তবে জনগণ এই ধর্ষক ও যৌন নিপীড়কদের গণআদালতে শাস্তি নিশ্চিত করবে।

বাংলাদেশের আদালতে ধর্ষকদের বিচার না হলে, গণআদালতে বিচার করার আহ্বান জানিয়ে শাহবাগে ধর্ষণবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেল ৪টার দিকে শাহবাগ চত্বরে প্রগতিশীল নারী, ছাত্র ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সম্মিলিত উদ্যোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজ, মামুন ও তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ১৯৯৮ সালে ছাত্রলীগ কর্মী মানিকের ধর্ষণের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যৌন হয়রানি মুক্ত একটি ক্যাম্পাসের জন্য আন্দোলন করেছিল। সেই আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে নিরাপদ শিক্ষাঙ্গনের প্রয়াসে যৌন হয়রানি নিপীড়নবিরোধী সেল গঠন করা হয়েছিল৷ কিন্তু আজ ২৬ বছর অতিক্রম হলেও আমাদের শিক্ষাঙ্গনগুলোতে সেই নীতিমালা কার্যকর হয়নি এবং শিক্ষাঙ্গন ধর্ষণমুক্ত হয়নি।
বক্তারা মনে করেন, এই দেশে সন্ত্রাসীরা অপরাধ করেও ক্ষমতাসীনদের প্রশ্রয়ে বুক ফুলিয়ে নির্বিঘ্নে বিচরণ করে আর ভুক্তভোগীদের মাথা নিচু করে, মুখ বুজে সয়ে যায় অসহনীয় লাঞ্ছনা। গত ১৫ বছর জোর জবরদস্তির ক্ষমতার জোরে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মানুষের জীবনকে বিপন্ন ও দুর্বিসহ করে তুলছে, নারীদের জন্য ঘর থেকে রাজপথ করে তুলেছে শঙ্কাময়। ২০১৮ সালে আওয়ামী সরকারের বাহিনীর শুরু হয়েছিল নৌকায় ভোট না দেওয়ার অপরাধে একজন নারীকে ‘ধর্ষণ’ করার মাধ্যমে, যা প্রমাণ করেছে যে, এই সরকার ধর্ষকদের পৃষ্ঠপোষকদাতা ও পাহারাদার।
সমাবেশে বক্তারা দৃঢ়চিত্তে জানান, কেবল সংগঠন থেকে বহিস্কার নয়, ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। বাংলাদেশের আদালত যদি এই শাস্তি না দেয়, তবে জনগণ এই ধর্ষক ও যৌন নিপীড়কদের গণআদালতে শাস্তি নিশ্চিত করবে।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৪ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৪ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৪ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৪ দিন আগে