
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সংঘটিত ধর্ষণের ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রতিবাদী দেয়ালচিত্র আঁকায় ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সভাপতি অমর্ত্য রায় ও সাধারণ সম্পাদক ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলীকে বিশ্ববিদ্যালয় বহিষ্কার ও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রতিবাদে শাহবাগে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছে জাবির সাবেক শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেছেন তরা।
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, চলমান আন্দোলন দমন করতেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন নিপীড়নমূলক সিদ্ধান্ত। তারা দুই ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে বহিষ্কারাদেশ ও মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক মাসুদ ইমরান মান্নু, প্রাক্তন শিক্ষার্থী মনি জামান, অনিরুদ্ধ দাশ অঞ্জন, সোহেল জাফর, পাভেল পার্থ, কল্লোল বণিক, অনিন্দ্য আরিফ, মাহি মাহফুজ, সৌমিত জয়দ্বীপ, সিনা হাসান, তন্ময় ধর, দীপাঞ্জন সিদ্ধান্ত, কাব্য কৃত্তিকা ও অলিউর সান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থাপনার দেয়ালে সমকালীন বিষয় ও আন্দোলন-সংগ্রামের বক্তব্য তুলে ধরে বিভিন্ন সময়ে গ্রাফিতি আঁকার রেওয়াজ আছে। ক্যাম্পাসে কোনো গ্রাফিতি পুরোনো হয়ে গেলে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সেখানে নতুন গ্রাফিতি বা দেয়াল লিখন করা খুবই সাধারণ ঘটনা। তারই ধারাবাহিকতায় ছাত্র ইউনিয়ন ক্যাম্পাসে চলমান একটি যৌক্তিক ও স্পর্শকাতর আন্দোলনের অংশ হিসেবে নতুন কলা ভবনের দেয়ালে ধর্ষণবিরোধী গ্রাফিতি অঙ্কন করে।
তারা আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মূলত ক্যাম্পাসে ধর্ষণের ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে ওঠা দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ, ধর্ষকদের প্রশ্রয়দাতাদের বিচারের সম্মুখীন করার দাবিকে আড়াল করতেই বঙ্গবন্ধুর নাম অপব্যবহার করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আন্দোলন দমনের হাতিয়ার হিসেবে বঙ্গবন্ধুর কথিত অবমাননার অভিযোগ তুলে এই অন্যায় বহিস্কার আদেশ প্রদান করেছে। গতকাল আশুলিয়া থানায় মামলা করেছে।
বক্তারা আরও বলেন, অভিযোগ গঠন থেকে বহিষ্কারাদেশ ঘোষণা পর্যন্ত সময়কালে এই দুই নেতার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে কোনো কারণ দর্শানো ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে তড়িঘড়ি বহিষ্কার করার মধ্যেই এক ধরনের প্রশাসনিক দুরভিসন্ধির ইঙ্গিত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা রাষ্ট্রের এমন কোনো আইন নেই, যা দিয়ে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে, নেতৃবৃন্দ ফৌজদারী কোনো অপরাধ করেছেন।
সমাবেশ থেকে অবিলম্বে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বহিষ্কারাদেশ ও হযরানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। বক্তারা উভয় ছাত্রনেতার স্বাভাবিক শিক্ষাক্রম চালু রাখার ক্ষেত্রে কোন বাধা সৃষ্টি না করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
একইসঙ্গে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের দাবি মেনে নিয়ে ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সংঘটিত ধর্ষণের ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রতিবাদী দেয়ালচিত্র আঁকায় ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সভাপতি অমর্ত্য রায় ও সাধারণ সম্পাদক ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলীকে বিশ্ববিদ্যালয় বহিষ্কার ও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রতিবাদে শাহবাগে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছে জাবির সাবেক শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেছেন তরা।
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, চলমান আন্দোলন দমন করতেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন নিপীড়নমূলক সিদ্ধান্ত। তারা দুই ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে বহিষ্কারাদেশ ও মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক মাসুদ ইমরান মান্নু, প্রাক্তন শিক্ষার্থী মনি জামান, অনিরুদ্ধ দাশ অঞ্জন, সোহেল জাফর, পাভেল পার্থ, কল্লোল বণিক, অনিন্দ্য আরিফ, মাহি মাহফুজ, সৌমিত জয়দ্বীপ, সিনা হাসান, তন্ময় ধর, দীপাঞ্জন সিদ্ধান্ত, কাব্য কৃত্তিকা ও অলিউর সান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থাপনার দেয়ালে সমকালীন বিষয় ও আন্দোলন-সংগ্রামের বক্তব্য তুলে ধরে বিভিন্ন সময়ে গ্রাফিতি আঁকার রেওয়াজ আছে। ক্যাম্পাসে কোনো গ্রাফিতি পুরোনো হয়ে গেলে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সেখানে নতুন গ্রাফিতি বা দেয়াল লিখন করা খুবই সাধারণ ঘটনা। তারই ধারাবাহিকতায় ছাত্র ইউনিয়ন ক্যাম্পাসে চলমান একটি যৌক্তিক ও স্পর্শকাতর আন্দোলনের অংশ হিসেবে নতুন কলা ভবনের দেয়ালে ধর্ষণবিরোধী গ্রাফিতি অঙ্কন করে।
তারা আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মূলত ক্যাম্পাসে ধর্ষণের ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে ওঠা দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ, ধর্ষকদের প্রশ্রয়দাতাদের বিচারের সম্মুখীন করার দাবিকে আড়াল করতেই বঙ্গবন্ধুর নাম অপব্যবহার করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আন্দোলন দমনের হাতিয়ার হিসেবে বঙ্গবন্ধুর কথিত অবমাননার অভিযোগ তুলে এই অন্যায় বহিস্কার আদেশ প্রদান করেছে। গতকাল আশুলিয়া থানায় মামলা করেছে।
বক্তারা আরও বলেন, অভিযোগ গঠন থেকে বহিষ্কারাদেশ ঘোষণা পর্যন্ত সময়কালে এই দুই নেতার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে কোনো কারণ দর্শানো ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে তড়িঘড়ি বহিষ্কার করার মধ্যেই এক ধরনের প্রশাসনিক দুরভিসন্ধির ইঙ্গিত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা রাষ্ট্রের এমন কোনো আইন নেই, যা দিয়ে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে, নেতৃবৃন্দ ফৌজদারী কোনো অপরাধ করেছেন।
সমাবেশ থেকে অবিলম্বে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বহিষ্কারাদেশ ও হযরানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। বক্তারা উভয় ছাত্রনেতার স্বাভাবিক শিক্ষাক্রম চালু রাখার ক্ষেত্রে কোন বাধা সৃষ্টি না করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
একইসঙ্গে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের দাবি মেনে নিয়ে ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়।

নুরুল হক নুর বলেন, আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই, আপনাদের নিয়েই কাজ করতে চাই। দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলাকে আমি একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এখানে সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের অংশগ্রহণ থাকবে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় থাকবে। ওয়াজ মাহফিল ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেওয়া আমাদের সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যের অংশ।
৪ ঘণ্টা আগে
নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশের শ্রমিক আন্দোলন ও শ্রমিকদের স্বার্থে যারা দীর্ঘদিন কাজ করেছেন, তাদের সহায়তায় শ্রমিক ইশতেহার ঘোষণা হয়েছে। যারা আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব আসবে। আর যারা ক্ষমতায় আসবে না, তারা ওই ইশতেহার বাস্তবায়নে চাপ প্রয়োগের কাজ করবে
৫ ঘণ্টা আগে
৫৪ বছরের রাজনীতি নিয়ে দেশের মানুষ হতাশ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মানুষ এখন পরিবর্তন চায় আর এই পরিবর্তনের জন্যই আমরা কাজ করব। কিংবা ভবিষ্যতে যারা ক্ষমতায় আসতে চায়, তাদেরও এই আশ্বাস দেওয়া উচিত।
৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে যা কিছু ভালো সবকিছুই বিএনপির অর্জন। সংস্কার, একদলীয় গণতন্ত্র থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রে আসা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করা সবই বিএনপি করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে