
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক দম্পতিকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সালমান সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ সোমবার যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ছাত্রলীগ নেতা মুস্তাফিজুর রহমান খান ও তার সহযোগীদের দ্বারা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত গণধর্ষণের ঘটনা সারা দেশের বিবেকবান মানুষকে ক্ষুব্ধ এবং স্তম্ভিত করেছে।
তারা বলেন, শুধুমাত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নয়, এরপূর্বেও বিভিন্ন ক্যাম্পাসে দফায় দফায় ছাত্রলীগ নেতাদের দ্বারা ধর্ষণ—গণধর্ষণের মতো ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। কিন্তু প্রায় কোনো ক্ষেত্রেই বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়নি। উল্টো সরকার, বিচারব্যবস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসন তাদের আশ্রয়—প্রশ্রয় দিয়েছে।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার গায়ের জোরে ক্ষমতায় বসে সমস্ত ধরনের গণতান্ত্রিক প্রথা—প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে। আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের মধ্যে এ মনোভাব কাজ করছে ‘আমরা যাই করি, আমাদের কিছু হবে না’। ফলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি প্রতিষ্ঠানে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা সংঘটিত হতে পারলো। আমরা অবিলম্বে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। এবং একই সঙ্গে আমরা বলতে চাই শুধুমাত্র ধিক্কার জানানো বা নিন্দা জানানোর মধ্যে দিয়ে ধর্ষণ, গণধর্ষণের মতো ঘটনাগুলো বন্ধ হবে না। বরং যে পুঁজিবাদী ক্ষমতাকাঠামো, নারীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি ধর্ষক তৈরি করে তার বিরুদ্ধেও আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক দম্পতিকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সালমান সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ সোমবার যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ছাত্রলীগ নেতা মুস্তাফিজুর রহমান খান ও তার সহযোগীদের দ্বারা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত গণধর্ষণের ঘটনা সারা দেশের বিবেকবান মানুষকে ক্ষুব্ধ এবং স্তম্ভিত করেছে।
তারা বলেন, শুধুমাত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নয়, এরপূর্বেও বিভিন্ন ক্যাম্পাসে দফায় দফায় ছাত্রলীগ নেতাদের দ্বারা ধর্ষণ—গণধর্ষণের মতো ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। কিন্তু প্রায় কোনো ক্ষেত্রেই বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়নি। উল্টো সরকার, বিচারব্যবস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসন তাদের আশ্রয়—প্রশ্রয় দিয়েছে।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার গায়ের জোরে ক্ষমতায় বসে সমস্ত ধরনের গণতান্ত্রিক প্রথা—প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে। আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের মধ্যে এ মনোভাব কাজ করছে ‘আমরা যাই করি, আমাদের কিছু হবে না’। ফলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি প্রতিষ্ঠানে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা সংঘটিত হতে পারলো। আমরা অবিলম্বে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। এবং একই সঙ্গে আমরা বলতে চাই শুধুমাত্র ধিক্কার জানানো বা নিন্দা জানানোর মধ্যে দিয়ে ধর্ষণ, গণধর্ষণের মতো ঘটনাগুলো বন্ধ হবে না। বরং যে পুঁজিবাদী ক্ষমতাকাঠামো, নারীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি ধর্ষক তৈরি করে তার বিরুদ্ধেও আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৪ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৪ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৪ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৪ দিন আগে