
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টার দেওয়া ভাষণের মাধ্যমে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন নিয়ে কোনো ধোঁয়াশা নেই। ভাষণের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সংশয় কেটে গেছে।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকালে গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ নিয়ে দলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলন, ‘ভাষণের পূর্বে নির্বাচন নিয়ে যত সংশয় ছিল সব কেটে গেছে। প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানাই, কারণ সকল দলের কথা মাথায় রেখেই তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে ভাষণ দিয়েছেন। আলাদাভাবে নির্বাচন এবং গণভোট আয়োজনের পর্যাপ্ত সময় নেই।’
তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোকে সরকারকে সহায়তা করতে হবে। তা না হলে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্ভব নয়। আগামীর নতুন বাংলাদেশের পক্ষে এবং জুলাই সনদের পক্ষে ভোট চাইতে হবে। গণঅভ্যুত্থানের বৈধতার স্বার্থে এটি দরকার।’

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টার দেওয়া ভাষণের মাধ্যমে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন নিয়ে কোনো ধোঁয়াশা নেই। ভাষণের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সংশয় কেটে গেছে।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকালে গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ নিয়ে দলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলন, ‘ভাষণের পূর্বে নির্বাচন নিয়ে যত সংশয় ছিল সব কেটে গেছে। প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানাই, কারণ সকল দলের কথা মাথায় রেখেই তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে ভাষণ দিয়েছেন। আলাদাভাবে নির্বাচন এবং গণভোট আয়োজনের পর্যাপ্ত সময় নেই।’
তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোকে সরকারকে সহায়তা করতে হবে। তা না হলে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্ভব নয়। আগামীর নতুন বাংলাদেশের পক্ষে এবং জুলাই সনদের পক্ষে ভোট চাইতে হবে। গণঅভ্যুত্থানের বৈধতার স্বার্থে এটি দরকার।’

আগামীকাল বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের অধিবেশন বসবে। এই সংসদেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হবে। তাদের শপথ গ্রহণ করাবেন রাষ্ট্রপতি।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির সংসদীয় ভাষণের প্রাক্কালে জামায়াত নেতার এমন অবস্থান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
১ দিন আগে
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক। সেখানে দেওয়া তার বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
১ দিন আগে
তার মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যোগ্যতার মানদণ্ড তুলে দেওয়া হলে শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। অতীতে আওয়ামী লীগ শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও গুণগত মান নষ্ট করে স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করেছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
২ দিন আগে