
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে এখন চলছে ভোট গণনা। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দীর্ঘ সময় গণনা স্থগিত থাকার পর আজ বুধবার সকালে ৮টি কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে ভিপি, জিএস ও এজিএস—শীর্ষ তিন পদেই এগিয়ে রয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল।
তবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে ভিপি পদে; যেখানে ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের প্রার্থীর সঙ্গে ব্যবধান মাত্র ৬ ভোটের।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এ অবস্থা দেখা যায়।
৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম ৮১০ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী একেএম রাকিব পেয়েছেন ৮০৪ ভোট।
এছাড়া জিএস পদে শিবির প্যানেলের আব্দুল আলিম আরিফ ৮২৫ ভোট ও ছাত্রদল প্যানেল থেকে খাদিজাতুল কোবরা ৪২২ ভোট পেয়েছেন। তাছাড়া এজিএস পদে শিবির প্যানেলের মাসুদ রানা ৭৯৯ ও ছাত্রদল প্যানেলের আতিকুর রহমান তানজিল ৬৯০ ভোট পেয়েছেন।
এদিকে শীর্ষ তিন ও অধিকাংশ সম্পাদকীয় পদে শিবির সমর্থিত প্যানেল এগিয়ে থাকলেও পাঠাগার ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদ দুটিতে এখনও ছাত্রদল এগিয়ে আছে। এছাড়া নির্বাহী সদস্য পদগুলোর মধ্যেও ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের কয়েকজন প্রার্থী ভালো অবস্থানে আছেন।
প্রসঙ্গত, জকসু নির্বাচনের ভোট গণনা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দীর্ঘ সময় স্থগিত ছিল। এরপর ম্যানুয়াল ও মেশিন উভয় পদ্ধতিতে গণনা শুরু হলেও ভোট গণনা সম্পন্ন করতে পারেনি নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে ৫ ঘণ্টা পর পুনরায় ভোট গণনা শুরু হলেও আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত মাত্র ৮টি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। এখনো ৩১টি কেন্দ্রের ভোট গণনা বাকি। ফলাফল ঘোষণা হওয়া কেন্দ্র ৮টি হলো— নৃবিজ্ঞান, লোকপ্রশাসন, ভূগোল, ফার্মেসি, সিএসই, মাইক্রোবায়োলজি, ফিন্যান্স ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে এখন চলছে ভোট গণনা। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দীর্ঘ সময় গণনা স্থগিত থাকার পর আজ বুধবার সকালে ৮টি কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে ভিপি, জিএস ও এজিএস—শীর্ষ তিন পদেই এগিয়ে রয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল।
তবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে ভিপি পদে; যেখানে ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের প্রার্থীর সঙ্গে ব্যবধান মাত্র ৬ ভোটের।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এ অবস্থা দেখা যায়।
৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম ৮১০ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী একেএম রাকিব পেয়েছেন ৮০৪ ভোট।
এছাড়া জিএস পদে শিবির প্যানেলের আব্দুল আলিম আরিফ ৮২৫ ভোট ও ছাত্রদল প্যানেল থেকে খাদিজাতুল কোবরা ৪২২ ভোট পেয়েছেন। তাছাড়া এজিএস পদে শিবির প্যানেলের মাসুদ রানা ৭৯৯ ও ছাত্রদল প্যানেলের আতিকুর রহমান তানজিল ৬৯০ ভোট পেয়েছেন।
এদিকে শীর্ষ তিন ও অধিকাংশ সম্পাদকীয় পদে শিবির সমর্থিত প্যানেল এগিয়ে থাকলেও পাঠাগার ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদ দুটিতে এখনও ছাত্রদল এগিয়ে আছে। এছাড়া নির্বাহী সদস্য পদগুলোর মধ্যেও ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের কয়েকজন প্রার্থী ভালো অবস্থানে আছেন।
প্রসঙ্গত, জকসু নির্বাচনের ভোট গণনা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দীর্ঘ সময় স্থগিত ছিল। এরপর ম্যানুয়াল ও মেশিন উভয় পদ্ধতিতে গণনা শুরু হলেও ভোট গণনা সম্পন্ন করতে পারেনি নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে ৫ ঘণ্টা পর পুনরায় ভোট গণনা শুরু হলেও আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত মাত্র ৮টি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। এখনো ৩১টি কেন্দ্রের ভোট গণনা বাকি। ফলাফল ঘোষণা হওয়া কেন্দ্র ৮টি হলো— নৃবিজ্ঞান, লোকপ্রশাসন, ভূগোল, ফার্মেসি, সিএসই, মাইক্রোবায়োলজি, ফিন্যান্স ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।

রাষ্ট্রপতির সংসদীয় ভাষণের প্রাক্কালে জামায়াত নেতার এমন অবস্থান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক। সেখানে দেওয়া তার বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
১২ ঘণ্টা আগে
তার মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যোগ্যতার মানদণ্ড তুলে দেওয়া হলে শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। অতীতে আওয়ামী লীগ শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও গুণগত মান নষ্ট করে স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করেছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
১ দিন আগে
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ মাঠে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নাহিদ ইসলাম বলেন. বিএনপির ফ্যামিলি কার্ড ভালো উদ্যোগ। তারা নির্বাচনী ইশতেহারে কার্ডের ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করতে না পারলে ফ্যামিলি কার্ড হবে কেবল চোখ ধাঁধানো কর্মসূচি। অবিলম্বে ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দা
১ দিন আগে