
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিশেষ সহকারী এবং শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেছেন, দেশকে স্বনির্ভর জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সকল ধরনের দুঃশাসন ও বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বিএনপি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ জাতিকে কোনো পরাশক্তিও দমাতে পারে না এবং জাতীয় অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করতে পারে না। আজকে গোটা জাতি ঐক্যবদ্ধ হওয়াতেই দেশ ফ্যাসিস্টমুক্ত হয়েছে। যেকোন কিছুর বিনিময়ে এ ঐক্য বজায় রাখতে হবে।
মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী কর্মচারি ফেডারেশন আয়োজিত ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে "আমাদের মুক্তি ও অনুপ্রেরণা" শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীগণ আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী কর্মচারি ফেডারেশন নামে এ সংগঠন গঠন করে।
শিমুল বিশ্বাস বলেন, ৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধের পর স্বাধীনতার আকাঙ্খা পদদলিত করে আধিপত্যবাদের দোসর দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত করেছিলো। আজ জুলাই ও আগস্ট ছাত্রজনতার গণ-অভ্যুত্থানের পরও সে চক্র একই ষড়যন্ত্র করছে। ছাত্র শ্রমিক জনতার গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্খাকে নসাৎ করার চক্রান্ত করছে। তাই দেশের স্বার্থে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। পতিত ফ্যাসিবাদ ও তাদের দোসররা বিভিন্ন ফাঁদ পাতছে। কোনক্রমেই সে ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না।
তিনি বলেন, বিএনপি সবসময়ই বলছে ক্ষমতার জন্য আমরা রাজনীতি করি না। বিএনপি জনগণের অধিকারের জন্য রাজনীতি করে। বাকস্বাধীনতা জন্য রাজপথে আন্দোলন করেছি। ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সংগ্রাম করেছি। আর জনগণ যদি বিএনপিকে নির্বাচিত করে তাহলে সকলকে নিয়ে এবং সব রাজনৈতিক দলের পরামর্শ নিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা করবে।
সভায় বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ সভাপতি অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া বলেন, বড় বড় কথা বলে যারা গত ১৬ বছর দেশ শাসন করলেন, তারা এখন কোথায়? আওয়ামী লীগ সংবিধান তছনছ করে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছে। রাষ্ট্রীয় সকল প্রতিষ্ঠানকে নিজ দলীয় আড্ডাখানায় পরিণত করেছিলো ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা।
অন্তর্বর্তী সরকারকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ করে দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আমাদের দাবি- তারা যেন একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করে। কোন অজুহাতে নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণায় বিলম্ব না করারও আহ্বান জানান তিনি।
ফিরোজুল ইসলামের সঞ্চালনায় হাসানুজ্জামানের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, প্রধান বক্তা ছিলেন শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন। আরও বক্তব্য রাখেন শ্রমিক দলের প্রচার সম্পাদক মঞ্জরুল ইসলাম মঞ্জু, শ্রমিক কর্মচারী নেতা রুহুল আমিন, আবু সাঈদ, ফিরোজুল ইসলাম, জুয়েল মোহাম্মদ বিল্লাল প্রমুখ।

বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিশেষ সহকারী এবং শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেছেন, দেশকে স্বনির্ভর জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সকল ধরনের দুঃশাসন ও বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বিএনপি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ জাতিকে কোনো পরাশক্তিও দমাতে পারে না এবং জাতীয় অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করতে পারে না। আজকে গোটা জাতি ঐক্যবদ্ধ হওয়াতেই দেশ ফ্যাসিস্টমুক্ত হয়েছে। যেকোন কিছুর বিনিময়ে এ ঐক্য বজায় রাখতে হবে।
মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী কর্মচারি ফেডারেশন আয়োজিত ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে "আমাদের মুক্তি ও অনুপ্রেরণা" শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীগণ আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী কর্মচারি ফেডারেশন নামে এ সংগঠন গঠন করে।
শিমুল বিশ্বাস বলেন, ৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধের পর স্বাধীনতার আকাঙ্খা পদদলিত করে আধিপত্যবাদের দোসর দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত করেছিলো। আজ জুলাই ও আগস্ট ছাত্রজনতার গণ-অভ্যুত্থানের পরও সে চক্র একই ষড়যন্ত্র করছে। ছাত্র শ্রমিক জনতার গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্খাকে নসাৎ করার চক্রান্ত করছে। তাই দেশের স্বার্থে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। পতিত ফ্যাসিবাদ ও তাদের দোসররা বিভিন্ন ফাঁদ পাতছে। কোনক্রমেই সে ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না।
তিনি বলেন, বিএনপি সবসময়ই বলছে ক্ষমতার জন্য আমরা রাজনীতি করি না। বিএনপি জনগণের অধিকারের জন্য রাজনীতি করে। বাকস্বাধীনতা জন্য রাজপথে আন্দোলন করেছি। ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সংগ্রাম করেছি। আর জনগণ যদি বিএনপিকে নির্বাচিত করে তাহলে সকলকে নিয়ে এবং সব রাজনৈতিক দলের পরামর্শ নিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা করবে।
সভায় বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ সভাপতি অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া বলেন, বড় বড় কথা বলে যারা গত ১৬ বছর দেশ শাসন করলেন, তারা এখন কোথায়? আওয়ামী লীগ সংবিধান তছনছ করে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছে। রাষ্ট্রীয় সকল প্রতিষ্ঠানকে নিজ দলীয় আড্ডাখানায় পরিণত করেছিলো ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা।
অন্তর্বর্তী সরকারকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ করে দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আমাদের দাবি- তারা যেন একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করে। কোন অজুহাতে নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণায় বিলম্ব না করারও আহ্বান জানান তিনি।
ফিরোজুল ইসলামের সঞ্চালনায় হাসানুজ্জামানের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, প্রধান বক্তা ছিলেন শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন। আরও বক্তব্য রাখেন শ্রমিক দলের প্রচার সম্পাদক মঞ্জরুল ইসলাম মঞ্জু, শ্রমিক কর্মচারী নেতা রুহুল আমিন, আবু সাঈদ, ফিরোজুল ইসলাম, জুয়েল মোহাম্মদ বিল্লাল প্রমুখ।

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ এনে আসিফ মাহমুদ বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য রাজনৈতিক দল বা জনগণের যে কনফিডেন্স অর্জনের কথা ছিল নির্বাচন কমিশনের, তা হারিয়েছে তারা। যদি এভাবে নির্বাচনের কার্যক্রম সামনের দিকে যেতে থাকে, তাহলে আমরা শঙ্কা প্রকাশ করছি যে, বাংলাদেশে একটা সুষ্ঠু নির্বাচ
১৮ ঘণ্টা আগে
চরমোনাইর পিরসাহেব, ইসলামী আন্দোলনের আমির, উনি নির্বাচন করছেন না। সেই জায়গায় উনাদের যে নায়েবে আমির আছেন, ফয়জুল করীম সাহেব, আমরা তার জন্য আমাদের ক্যান্ডিডেটকে উইথড্র করবে। কারণ আমরা তো জোটে ছিলাম। সেই কন্ট্রিবিউশনের একটা সৌজন্যতার জন্য এ সিদ্ধান্ত।
১৯ ঘণ্টা আগে
নাম উল্লেখ না করে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচনে জিততে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাজধানীতে বিপুল পরিমাণ ভোটার স্থানান্তরের ‘কূটকৌশল’ গ্রহণ করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ ধরনের স্থানান্তরিত ভোটারের তালিকা সরবরাহে
১৯ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
১৯ ঘণ্টা আগে