
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বর্তমানে বাংলাদেশে ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বল বিরোধী দল রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) জ্যেষ্ঠ গবেষণা ফেলো মির্জা এম হাসান। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে নেই, জামায়াতে ইসলামী খুব একটা আত্মবিশ্বাসী নয় এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) খুবই ছোট দল।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক দিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে ‘ট্রাজেক্টরি অব নন-ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন তিনি। পরে প্রশ্নোত্তর পর্বেও দেশের রাজনীতি, গণতন্ত্র এবং জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে নিজের বিশ্লেষণ তুলে ধরেন বিআইজিডির গভর্ন্যান্স ও রাজনীতি ক্লাস্টারের উপদেষ্টা মির্জা এম হাসান।
ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যানের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা এম হাসান বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে নিপীড়নের একটি ‘লঘু সংস্করণ’ দেখা যাচ্ছে। তবে আগামী এক বছরের মধ্যে এর প্রকৃত বা কঠিন রূপ দেখা যেতে পারে। তার ভাষায়, বাংলাদেশে একই ধরনের রাজনৈতিক চক্র বারবার ফিরে আসে।
তিনি বলেন, বিএনপি রাস্তায় তাদের (এনসিপি) ওপর হামলা করছে। ফলে প্রক্রিয়াটা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক ব্যবস্থায় কে অ্যাকসেস (প্রবেশাধিকার) পাবে, এটা শক্তি ও সহিংসতার প্রশ্ন। অ্যাকসেস পেতে সহিংসতার সক্ষমতা থাকতে হয়, এটা না থাকলে কিছুই পাওয়া যায় না। এটাই বিএনপি, এনসিপি ও রাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক। অন্যদিকে বিএনপি ও জামায়াতের সম্পর্কটি হলো— ওয়েটিং গেম, লেটস সি।
জামায়াত নিজেদের একটি ভদ্র ও উদার বিরোধী দল হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছে উল্লেখ করে মির্জা এম হাসান বলেন, তারা বেশি কিছু করছে না, তারা অপেক্ষা করছে। বর্তমান বাংলাদেশে ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বল বিরোধী দল রয়েছে। কারণ, আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে নেই, জামায়াত খুব একটা আত্মবিশ্বাসী নয় এবং এনসিপি খুবই ছোট দল।
অন্য এক অংশগ্রহণকারীর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অ্যাকসেস অর্ডার তত্ত্ব অনুযায়ী, একটা এলিট কোয়ালিশন তখনই কার্যকর থাকবে, যখন ক্ষমতায় থাকা এলিটরা বিপক্ষ শিবিরের এলিটদের সঙ্গে সুবিধা ভাগাভাগি করবে, তাদেরও অন্তর্ভুক্ত করবে। এটা বাংলাদেশে হয়নি। সে কারণেই সংগ্রামটা চলছে।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর মনে হচ্ছিল, জুলাই সনদের পুরো বিষয়টা খুবই এলিট একটা বিষয় ছিল। এটা ছিল পুরোপুরি পুরুষ, বাঙালি মুসলমান-ডমিনেটেড একটা প্রক্রিয়া। এ নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। এর ফলাফলটা ছিল এলিট অ্যাকসেস অর্ডারটাকে বাড়ানো। প্রধানমন্ত্রীর একনায়কত্ব ও দলতন্ত্রকে ভাঙা, যত দূর সম্ভব পরিবারতন্ত্রকে বিদায় করে দেওয়া— এসব লক্ষ্য সেখানে ছিল।
বাংলাদেশে ভবিষ্যতে কিছুটা শ্রীলঙ্কা বা ভারতের মতো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলেও সেটি ভঙ্গুর থাকবে বলে মন্তব্য করেন মির্জা এম হাসান। তাই তিনি ভিন্ন ধরনের গণতন্ত্র, অর্থাৎ ‘ডিরেক্ট ডেমোক্রেসি’ বা সরাসরি গণতন্ত্রের ধারণা নিয়ে ভাবার আহ্বান জানান।
তিন ধরনের গণতন্ত্রের ধারণার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রথমটা ডিক্টেটোরিয়ান কম্পিটিটিভ ডেমোক্রেসি, যেখানে কোনো পলিয়ার্কি, মানবাধিকার নেই, শুধু একটা অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন হবে, প্রতিযোগী এলিটদের মধ্যে একজনকে নেওয়া হবে। সে ভালো না চালাতে পারলে সরিয়ে আরেকজনকে নেওয়া হবে। দ্বিতীয়টা হলো নির্বাচনের পাশাপাশি আমাদের মানবাধিকার, আইনের শাসন ইত্যাদিও লাগবে। কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো যখন ক্ষমতায় থাকে না, তখন এটা চায়; ক্ষমতায় গেলে আর চায় না।’
“আর তৃতীয়টা হচ্ছে ডিরেক্ট ডেমোক্রেসি বা সরাসরি গণতন্ত্র, যেখানে নাগরিকেরা সরাসরি শাসনপ্রক্রিয়ায় যুক্ত হবেন। এটি নিয়ে ভবিষ্যতে আলোচনা হবে। আজকাল বই বের হচ্ছে— ‘পলিটিকস উইদাউট পলিটিশয়ানস৷’। কারণ, আমেরিকা-ইউরোপ তাদের গণতন্ত্র নিয়ে পুরোপুরি বিরক্ত, তারা এখন ডিরেক্ট ডেমোক্রেসি চাইছে। আমাদের হয়তো মনে হবে বাংলাদেশে এই আলোচনা প্রিম্যাচিউর। আমি তা মনে করি না,”— যোগ করেন তিনি।
সম্মেলনে উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনীতি নিয়েও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন মির্জা এম হাসান। তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান ছিল এমন একটি গণআন্দোলন, যেখানে রাজনৈতিক দলের বাইরে সাধারণ মানুষের নেতৃত্বে সরকার পরিবর্তন এবং সংবিধান পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে নতুন রাজনৈতিক ও নাগরিক শক্তির উত্থান ঘটলেও সেই শক্তি টেকসই প্রতিষ্ঠানে রূপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে পুরনো রাজনৈতিক শক্তিগুলো আবারও সুবিধাজনক অবস্থানে ফিরে এসেছে। তার মতে, অভ্যুত্থানের পর বিএনপি ধীর কৌশলে এগোচ্ছে, জামায়াত মূলধারার রাজনৈতিক ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে এবং এনসিপি নিজেদের রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জে রয়েছে।
সম্মেলনে দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, আইনজীবী সারা হোসেনসহ সুশীল সমাজের বিভিন্ন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন বিআইজিডির নির্বাহী পরিচালক ইমরান মতিন।
মির্জা এম হাসানের বক্তব্যের পর তিন পর্বে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হয়। প্রথম পর্বের বিষয় ছিল ‘আনপ্যাকিং ভোটিং বিহেভিয়ার অ্যান্ড ডায়নামিকস’, দ্বিতীয় পর্ব ‘পলিটিশিয়ানস অ্যান্ড পলিটিক্যাল পার্টিস: ওল্ড কোয়েশ্চেনস অ্যান্ড নিউ ডায়নামিকস’ এবং তৃতীয় পর্বে ‘ফিউচার অব ডেমোক্রেসি’ নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বিকেল সোয়া ৫টায় সম্মেলন শেষ হওয়ার কথা।

বর্তমানে বাংলাদেশে ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বল বিরোধী দল রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) জ্যেষ্ঠ গবেষণা ফেলো মির্জা এম হাসান। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে নেই, জামায়াতে ইসলামী খুব একটা আত্মবিশ্বাসী নয় এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) খুবই ছোট দল।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক দিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে ‘ট্রাজেক্টরি অব নন-ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন তিনি। পরে প্রশ্নোত্তর পর্বেও দেশের রাজনীতি, গণতন্ত্র এবং জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে নিজের বিশ্লেষণ তুলে ধরেন বিআইজিডির গভর্ন্যান্স ও রাজনীতি ক্লাস্টারের উপদেষ্টা মির্জা এম হাসান।
ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যানের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা এম হাসান বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে নিপীড়নের একটি ‘লঘু সংস্করণ’ দেখা যাচ্ছে। তবে আগামী এক বছরের মধ্যে এর প্রকৃত বা কঠিন রূপ দেখা যেতে পারে। তার ভাষায়, বাংলাদেশে একই ধরনের রাজনৈতিক চক্র বারবার ফিরে আসে।
তিনি বলেন, বিএনপি রাস্তায় তাদের (এনসিপি) ওপর হামলা করছে। ফলে প্রক্রিয়াটা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক ব্যবস্থায় কে অ্যাকসেস (প্রবেশাধিকার) পাবে, এটা শক্তি ও সহিংসতার প্রশ্ন। অ্যাকসেস পেতে সহিংসতার সক্ষমতা থাকতে হয়, এটা না থাকলে কিছুই পাওয়া যায় না। এটাই বিএনপি, এনসিপি ও রাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক। অন্যদিকে বিএনপি ও জামায়াতের সম্পর্কটি হলো— ওয়েটিং গেম, লেটস সি।
জামায়াত নিজেদের একটি ভদ্র ও উদার বিরোধী দল হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছে উল্লেখ করে মির্জা এম হাসান বলেন, তারা বেশি কিছু করছে না, তারা অপেক্ষা করছে। বর্তমান বাংলাদেশে ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বল বিরোধী দল রয়েছে। কারণ, আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে নেই, জামায়াত খুব একটা আত্মবিশ্বাসী নয় এবং এনসিপি খুবই ছোট দল।
অন্য এক অংশগ্রহণকারীর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অ্যাকসেস অর্ডার তত্ত্ব অনুযায়ী, একটা এলিট কোয়ালিশন তখনই কার্যকর থাকবে, যখন ক্ষমতায় থাকা এলিটরা বিপক্ষ শিবিরের এলিটদের সঙ্গে সুবিধা ভাগাভাগি করবে, তাদেরও অন্তর্ভুক্ত করবে। এটা বাংলাদেশে হয়নি। সে কারণেই সংগ্রামটা চলছে।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর মনে হচ্ছিল, জুলাই সনদের পুরো বিষয়টা খুবই এলিট একটা বিষয় ছিল। এটা ছিল পুরোপুরি পুরুষ, বাঙালি মুসলমান-ডমিনেটেড একটা প্রক্রিয়া। এ নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। এর ফলাফলটা ছিল এলিট অ্যাকসেস অর্ডারটাকে বাড়ানো। প্রধানমন্ত্রীর একনায়কত্ব ও দলতন্ত্রকে ভাঙা, যত দূর সম্ভব পরিবারতন্ত্রকে বিদায় করে দেওয়া— এসব লক্ষ্য সেখানে ছিল।
বাংলাদেশে ভবিষ্যতে কিছুটা শ্রীলঙ্কা বা ভারতের মতো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলেও সেটি ভঙ্গুর থাকবে বলে মন্তব্য করেন মির্জা এম হাসান। তাই তিনি ভিন্ন ধরনের গণতন্ত্র, অর্থাৎ ‘ডিরেক্ট ডেমোক্রেসি’ বা সরাসরি গণতন্ত্রের ধারণা নিয়ে ভাবার আহ্বান জানান।
তিন ধরনের গণতন্ত্রের ধারণার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রথমটা ডিক্টেটোরিয়ান কম্পিটিটিভ ডেমোক্রেসি, যেখানে কোনো পলিয়ার্কি, মানবাধিকার নেই, শুধু একটা অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন হবে, প্রতিযোগী এলিটদের মধ্যে একজনকে নেওয়া হবে। সে ভালো না চালাতে পারলে সরিয়ে আরেকজনকে নেওয়া হবে। দ্বিতীয়টা হলো নির্বাচনের পাশাপাশি আমাদের মানবাধিকার, আইনের শাসন ইত্যাদিও লাগবে। কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো যখন ক্ষমতায় থাকে না, তখন এটা চায়; ক্ষমতায় গেলে আর চায় না।’
“আর তৃতীয়টা হচ্ছে ডিরেক্ট ডেমোক্রেসি বা সরাসরি গণতন্ত্র, যেখানে নাগরিকেরা সরাসরি শাসনপ্রক্রিয়ায় যুক্ত হবেন। এটি নিয়ে ভবিষ্যতে আলোচনা হবে। আজকাল বই বের হচ্ছে— ‘পলিটিকস উইদাউট পলিটিশয়ানস৷’। কারণ, আমেরিকা-ইউরোপ তাদের গণতন্ত্র নিয়ে পুরোপুরি বিরক্ত, তারা এখন ডিরেক্ট ডেমোক্রেসি চাইছে। আমাদের হয়তো মনে হবে বাংলাদেশে এই আলোচনা প্রিম্যাচিউর। আমি তা মনে করি না,”— যোগ করেন তিনি।
সম্মেলনে উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনীতি নিয়েও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন মির্জা এম হাসান। তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান ছিল এমন একটি গণআন্দোলন, যেখানে রাজনৈতিক দলের বাইরে সাধারণ মানুষের নেতৃত্বে সরকার পরিবর্তন এবং সংবিধান পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে নতুন রাজনৈতিক ও নাগরিক শক্তির উত্থান ঘটলেও সেই শক্তি টেকসই প্রতিষ্ঠানে রূপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে পুরনো রাজনৈতিক শক্তিগুলো আবারও সুবিধাজনক অবস্থানে ফিরে এসেছে। তার মতে, অভ্যুত্থানের পর বিএনপি ধীর কৌশলে এগোচ্ছে, জামায়াত মূলধারার রাজনৈতিক ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে এবং এনসিপি নিজেদের রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জে রয়েছে।
সম্মেলনে দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, আইনজীবী সারা হোসেনসহ সুশীল সমাজের বিভিন্ন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন বিআইজিডির নির্বাহী পরিচালক ইমরান মতিন।
মির্জা এম হাসানের বক্তব্যের পর তিন পর্বে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হয়। প্রথম পর্বের বিষয় ছিল ‘আনপ্যাকিং ভোটিং বিহেভিয়ার অ্যান্ড ডায়নামিকস’, দ্বিতীয় পর্ব ‘পলিটিশিয়ানস অ্যান্ড পলিটিক্যাল পার্টিস: ওল্ড কোয়েশ্চেনস অ্যান্ড নিউ ডায়নামিকস’ এবং তৃতীয় পর্বে ‘ফিউচার অব ডেমোক্রেসি’ নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বিকেল সোয়া ৫টায় সম্মেলন শেষ হওয়ার কথা।

‘জাতীয় রাজনীতিতে যখন আসলাম, আমাদের বাবার বয়সী, দাদার বয়সী লোকেরাও যে মুখে এক কথা বলে পরের দিন প্রতারণা করতে পারে— এটা আমরা প্রথমে আসলে বুঝে উঠতে পারিনি। ফলে তাদের অনেক কিছুতেই হয়তো ভরসা রাখতে গিয়ে আমরা প্রতারণার শিকার হয়েছি—। এটা আমাদের জন্য শিক্ষা। শিখলাম, পরবর্তী সময়ে আর বিশ্বাস করা যাবে না,’— বল
১ দিন আগে
ওই অভিযোগের তদন্তের জন্য রোববার দুপুরে প্রাধ্যক্ষ তার কক্ষে ইব্রাহীম খলিলকে ডাকেন জানিয়ে মোছাদ্দিক বলেন, ‘তদন্তের সময় প্রভোস্ট অফিসে তারা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি করে। আমরাও প্রভোস্ট অফিসের বাইরে অবস্থান নিয়ে ছিলাম। তখন তারা আমাদের ওপর হামলা চালায়। পরে আমরা ভেতরে ঢুকলে তারা আবার হামলা চালায়। হামলায়
১ দিন আগে
সংবিধানে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মনোনীত প্রার্থীরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
২ দিন আগে
সফরকালে গর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ ছাড়া তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন, যা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান পরিধির প্রতিফলন।
২ দিন আগে