
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সম্প্রতি একটি রাজনৈতিক ম্যাগাজিনে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পদত্যাগ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বক্তব্যে গভীর উদ্বেগ ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। বুধবার এক যুক্ত বিবৃতিতে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাগীব নাঈম ও সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল রনি উদ্বেগ প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে তারা বলেন, ৫ আগস্ট ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গণহত্যাকারী আওয়ামী সরকারের পতন নিশ্চিত হয়েছে। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও পলায়নের মধ্য দিয়ে জনগণের যে রক্তক্ষয়ী বিজয়কে অর্জিত হয়েছে, তাঁকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে স্বৈরাচারের দোসররা এখনো সক্রিয় রয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, তিনি পতিত স্বৈরাচারের একজন অন্যতম দোসর এবং গণআকাঙ্ক্ষার চূড়ান্ত বিজয় রুখতে তিনি তৎপর। রাষ্ট্র সংস্কার ও গণতান্ত্রিক রূপান্তরের প্রক্রিয়ার কোনো স্তরেই থাকবার যোগ্যতা তাঁর নেই। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারীদের উপস্থিতিতে গণঅভ্যুত্থানকারী জনতার কাছে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে পদত্যাগ করতে হবে।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর সেই শূন্যতাকে স্বৈরাচারের দোসররা যেন কাজে লাগাতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ কর্মপন্থায় পৌঁছাতে হবে এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের প্রক্রিয়া জারি রাখতে হবে। সেই লক্ষ্যেই অন্তবর্তীকালীন সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন সর্বদলীয় ছায়া সরকার গঠনের প্রস্তাব করছে। ছাত্র ইউনিয়ন মনে করে, রূপান্তরের রূপরেখা আমলে না নেওয়া এবং অন্তভূর্ক্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় না হাঁটার ফলেই অন্তবর্তীকালীন সরকার একের পর এক সঙ্কটের মুখে পড়ছে।
তারা বলেন, এমতাবস্থায়, আমরা মনে করি, ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভ্যুত্থানের মূল শক্তিগুলোর অংশীজনদের প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল ও সংগঠনসমূহের সমন্বয়ে সর্বদলীয় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমিকসহ নাগরিকদের নেতৃত্বে একটি ছায়া সরকার গঠন করা জরুরি। সেই ছায়া সরকার রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর নির্বিঘ্নকরণ ও ফ্যাসিবাদের সকল এ্যাপারেটাস নিষ্ক্রিয়করণের কাজে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি তারা বর্তমান অন্তর্বতীকালীন সরকারের কর্মপদ্ধতির জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে, যেন দেশে একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত হয়, সংস্কার কমিশনসমূহের প্রস্তাব গণতান্ত্রিক হয় এবং এই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত দাবি ‘বৈষম্যহীন বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠার পথে যথেষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন মনে করে, পতিত স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া দোসর ও ফ্যাসিবাদী কাঠামোর পুরোপুরি বিলোপ ছাড়া রিপাবলিককে প্রোক্লেইম করা সম্ভব নয়। ‘প্রক্লেমশন অব দ্যা রিপাবলিক’ সংঘটিত করতে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্য এবং অন্তর্বর্তী ও ছায়া সরকারের দ্বান্দিক চর্চার কোনো বিকল্প নেই।

সম্প্রতি একটি রাজনৈতিক ম্যাগাজিনে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পদত্যাগ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বক্তব্যে গভীর উদ্বেগ ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। বুধবার এক যুক্ত বিবৃতিতে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাগীব নাঈম ও সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল রনি উদ্বেগ প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে তারা বলেন, ৫ আগস্ট ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গণহত্যাকারী আওয়ামী সরকারের পতন নিশ্চিত হয়েছে। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও পলায়নের মধ্য দিয়ে জনগণের যে রক্তক্ষয়ী বিজয়কে অর্জিত হয়েছে, তাঁকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে স্বৈরাচারের দোসররা এখনো সক্রিয় রয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, তিনি পতিত স্বৈরাচারের একজন অন্যতম দোসর এবং গণআকাঙ্ক্ষার চূড়ান্ত বিজয় রুখতে তিনি তৎপর। রাষ্ট্র সংস্কার ও গণতান্ত্রিক রূপান্তরের প্রক্রিয়ার কোনো স্তরেই থাকবার যোগ্যতা তাঁর নেই। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারীদের উপস্থিতিতে গণঅভ্যুত্থানকারী জনতার কাছে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে পদত্যাগ করতে হবে।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর সেই শূন্যতাকে স্বৈরাচারের দোসররা যেন কাজে লাগাতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ কর্মপন্থায় পৌঁছাতে হবে এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের প্রক্রিয়া জারি রাখতে হবে। সেই লক্ষ্যেই অন্তবর্তীকালীন সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন সর্বদলীয় ছায়া সরকার গঠনের প্রস্তাব করছে। ছাত্র ইউনিয়ন মনে করে, রূপান্তরের রূপরেখা আমলে না নেওয়া এবং অন্তভূর্ক্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় না হাঁটার ফলেই অন্তবর্তীকালীন সরকার একের পর এক সঙ্কটের মুখে পড়ছে।
তারা বলেন, এমতাবস্থায়, আমরা মনে করি, ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভ্যুত্থানের মূল শক্তিগুলোর অংশীজনদের প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল ও সংগঠনসমূহের সমন্বয়ে সর্বদলীয় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমিকসহ নাগরিকদের নেতৃত্বে একটি ছায়া সরকার গঠন করা জরুরি। সেই ছায়া সরকার রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর নির্বিঘ্নকরণ ও ফ্যাসিবাদের সকল এ্যাপারেটাস নিষ্ক্রিয়করণের কাজে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি তারা বর্তমান অন্তর্বতীকালীন সরকারের কর্মপদ্ধতির জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে, যেন দেশে একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত হয়, সংস্কার কমিশনসমূহের প্রস্তাব গণতান্ত্রিক হয় এবং এই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত দাবি ‘বৈষম্যহীন বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠার পথে যথেষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন মনে করে, পতিত স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া দোসর ও ফ্যাসিবাদী কাঠামোর পুরোপুরি বিলোপ ছাড়া রিপাবলিককে প্রোক্লেইম করা সম্ভব নয়। ‘প্রক্লেমশন অব দ্যা রিপাবলিক’ সংঘটিত করতে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্য এবং অন্তর্বর্তী ও ছায়া সরকারের দ্বান্দিক চর্চার কোনো বিকল্প নেই।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৩ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৪ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৪ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৪ দিন আগে