
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এখন আর মুজিব কোট কেনার লোক পাওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নুরুল হক নুর। তিনি বলেছেন, ‘আমি দুই বছর আগেই বলেছিলাম এমন পরিস্থিতি আসবে গুলিস্তানে মুজিব কোট কেনার লোক পাওয়া যাবে না। এখন মুজিব কোট পাগলেও নেয় না। এ দেশের মানুষ বারবার রাজনীতি দ্বারা প্রতারিত হয়েছে।’
শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ পৌরসভা মাঠে গণ অধিকার পরিষদের আয়োজনে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে জন-আকাঙ্ক্ষার রাজনীতি’ শীর্ষক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘আগামী নির্বাচন ইতিহাসের সেরা নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে। রাজনৈতিক দলের নেতাদের বলব আওয়ামী লীগ থেকে শিক্ষা নিন। গণ-অভ্যুত্থানকে পুঁজি করে কোনো দল যদি লুটপাট করার জন্য দেশটাকে নিজের সম্পতি মনে করে সেটাও ভুল হবে।
শেখ হাসিনা যেভাবে ফ্যাসিবাদ করেছিল তাই গণ-অভ্যুত্থান অনিবার্য হয়ে পড়েছিল। নতুন বাংলাদেশের নেতৃত্ব প্রয়োজন, নতুন রাজনীতি প্রয়োজন।’
তিনি বলেন, ‘ঝুঁকি নিয়ে প্রিজন ভ্যান থেকে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলাম। আওয়ামীবিরোধী রাজনীতি করার কারণে অনেকেই ঘুম-খুন, হামলা-মামলা ও জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
এই দেশের মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত ও নতুন নেতৃত্বকে বরণ করতে চায়। নতুন নেতৃত্ব এলে এ দেশে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার মতো আর কোনো দানবের সৃষ্টি হবে না।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় র্নিবাহী কমিটির সহসভাপতি ফারুক হাসান, ওয়াহিদুর রহমান মিল্কি, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন, ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি কাউছার আহম্মেদ, গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির উচ্চতর পরিষদ ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ, নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার নাহিদ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সোহেল রানা, সাধারণ সম্পাদক মহিবুল্লাহ প্রমুখ।

এখন আর মুজিব কোট কেনার লোক পাওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নুরুল হক নুর। তিনি বলেছেন, ‘আমি দুই বছর আগেই বলেছিলাম এমন পরিস্থিতি আসবে গুলিস্তানে মুজিব কোট কেনার লোক পাওয়া যাবে না। এখন মুজিব কোট পাগলেও নেয় না। এ দেশের মানুষ বারবার রাজনীতি দ্বারা প্রতারিত হয়েছে।’
শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ পৌরসভা মাঠে গণ অধিকার পরিষদের আয়োজনে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে জন-আকাঙ্ক্ষার রাজনীতি’ শীর্ষক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘আগামী নির্বাচন ইতিহাসের সেরা নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে। রাজনৈতিক দলের নেতাদের বলব আওয়ামী লীগ থেকে শিক্ষা নিন। গণ-অভ্যুত্থানকে পুঁজি করে কোনো দল যদি লুটপাট করার জন্য দেশটাকে নিজের সম্পতি মনে করে সেটাও ভুল হবে।
শেখ হাসিনা যেভাবে ফ্যাসিবাদ করেছিল তাই গণ-অভ্যুত্থান অনিবার্য হয়ে পড়েছিল। নতুন বাংলাদেশের নেতৃত্ব প্রয়োজন, নতুন রাজনীতি প্রয়োজন।’
তিনি বলেন, ‘ঝুঁকি নিয়ে প্রিজন ভ্যান থেকে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলাম। আওয়ামীবিরোধী রাজনীতি করার কারণে অনেকেই ঘুম-খুন, হামলা-মামলা ও জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
এই দেশের মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত ও নতুন নেতৃত্বকে বরণ করতে চায়। নতুন নেতৃত্ব এলে এ দেশে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার মতো আর কোনো দানবের সৃষ্টি হবে না।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় র্নিবাহী কমিটির সহসভাপতি ফারুক হাসান, ওয়াহিদুর রহমান মিল্কি, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন, ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি কাউছার আহম্মেদ, গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির উচ্চতর পরিষদ ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ, নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার নাহিদ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সোহেল রানা, সাধারণ সম্পাদক মহিবুল্লাহ প্রমুখ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৬ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৬ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে