
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় এলে গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। তাই পতিত এ দলকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না দেওয়ার আহ্বান জনিয়েছেন তিনি।
রোববার (১২ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সম্মুখসারির আহত ছাত্র-জনতা'র উদ্যোগে আয়োজিত জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে আহত এবং নিহতদের পরিবারের পুনর্বাসন, রাষ্ট্রীয় সম্মাননা, মাসিক ভাতা ও সুচিকিৎসার দাবিতে মানববন্ধনে তিনি এ আহ্বান জানান।
নুরুল হক নুর বলেন, আওয়ামী লীগ যদি কখনো ক্ষমতায় আসতে পারে, তাহলে এ গণঅভ্যুত্থানকে ষড়যন্ত্র এবং দেশদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত করবে। এরজন্য অনেককে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির বিকল্প যদি কোনো শক্তিশালী রাজনৈতিক দল গড়ে না ওঠে, আবারও আওয়ামী লীগের আসার সুযোগ থাকবে। আওয়ামী লীগকে কামব্যাক করানোর জন্য ভারত হাজার হাজার কোটি টাকা ইনভেস্ট করবে। কাজেই, আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। আওয়ামী লীগকে এদেশে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেয়া যাবে না।
তিনি আরও বলেন, এখনো কেউ টের পাচ্ছেন না। কেউ দল গঠন নিয়ে ব্যস্ত, আবার কেউ ধান্দা নিয়ে ব্যস্ত। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে আছেন। অথচ যে ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করলাম, সেই গণহত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে কোনো দলের আওয়াজ নেই। বরং সবাই তাদেরক রাজনৈতিক স্পেইস দিতে চায়। আগামী নির্বাচনে সুযোগ দিতে চায়।
তিনি বলেন, দেশকে ভালো রাখতে হলে এ অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন করতে হবে। আমাদের নিজের ভালোর জন্য এ সরকারকে আরও কিছুদিন রাখতে হবে। আমাদের প্রত্যাশা ছিল সরকার ছোট ছোট কিছু জায়গায় তাৎক্ষণিক কিছু ভূমিকা নেবে। তড়িৎ অ্যাকশন নেবে। সেটি কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি না। আজকে সাড়ে পাঁচ মাসে কেন আহতদের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন জনের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবে। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, যে তরুণদের নিয়ে মানুষ গর্ব করে, অহংকার করে, আমাদের সেই ছাত্র তরুণরাই জুলাই ফাউন্ডেশনের দায়িত্বে আছেন। কিন্তু, তাদের কাছে কেন আমলাতন্ত্রের জটিলতা থাকবে। তাদের অফিসে কেন লালফিতার দৌরাত্ম থাকবে।
মানববন্ধনে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুথানে সম্মুখসারির আহত ও নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে ৯ দফা দাবি জানান হয়। দাবিগুলো হলো-
১। আগামী এক সপ্তাহের (১৯ জানুয়ারি) মধ্যে আহত ও নিহতদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে এবং তাদেরকে পরিচয়পত্র (স্মার্ট কার্ড) প্রদান করতে হবে।
২। আহতদের দ্রুত সু-চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে (দেশে/ বিদেশে)। গণঅভ্যুত্থানে আহতদের আজীবন বিনামূল্যে সরকারিভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
৩। ২০২৪ গণঅভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি ও নিহতের পরিবারকে সরকারী মাসিক সম্মানী ভাতার ব্যবস্থা করতে হবে।
৪। গণঅভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি ও নিহত পরিবারকে দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৫। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি বা নিহত ব্যক্তির পরিবারকে পরবর্তী কোনো সরকার উদ্দেশ্য প্রণোদিত বা রাজনৈতিকভাবে কোনো হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দেওয়া যাবে না, এ মর্মে আইন পাস করতে হবে।
৬। জটিলতা নিরসন করে শহীদ জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে আহত ও নিহতদের পরিবারকে দ্রুত সহায়তা প্রদান করতে হবে।
৭। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত বিচার সম্পন্ন করতে হবে।
৮। ২৪ গণঅভ্যুত্থানের জন্য সম্পূর্ণ পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করতে হবে।
৯। সব দাবিগুলো সরকারিভাবে লিপিবদ্ধ করে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।
কবি নজরুল সরকারি কলেজের আহত শিক্ষার্থী মো. তৌফিক শাহারিয়ারের সভাপতিত্বে এবং মো. আল-আমীন ও রেজাউল করিম রেজার সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহীদুল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক নাসির উদ্দিন, বুয়েটের এআরআই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. আরমানা সাবিহা হক, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটি সমন্বয়ক নাজমুল হাসান।

আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় এলে গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। তাই পতিত এ দলকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না দেওয়ার আহ্বান জনিয়েছেন তিনি।
রোববার (১২ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সম্মুখসারির আহত ছাত্র-জনতা'র উদ্যোগে আয়োজিত জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে আহত এবং নিহতদের পরিবারের পুনর্বাসন, রাষ্ট্রীয় সম্মাননা, মাসিক ভাতা ও সুচিকিৎসার দাবিতে মানববন্ধনে তিনি এ আহ্বান জানান।
নুরুল হক নুর বলেন, আওয়ামী লীগ যদি কখনো ক্ষমতায় আসতে পারে, তাহলে এ গণঅভ্যুত্থানকে ষড়যন্ত্র এবং দেশদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত করবে। এরজন্য অনেককে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির বিকল্প যদি কোনো শক্তিশালী রাজনৈতিক দল গড়ে না ওঠে, আবারও আওয়ামী লীগের আসার সুযোগ থাকবে। আওয়ামী লীগকে কামব্যাক করানোর জন্য ভারত হাজার হাজার কোটি টাকা ইনভেস্ট করবে। কাজেই, আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। আওয়ামী লীগকে এদেশে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেয়া যাবে না।
তিনি আরও বলেন, এখনো কেউ টের পাচ্ছেন না। কেউ দল গঠন নিয়ে ব্যস্ত, আবার কেউ ধান্দা নিয়ে ব্যস্ত। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে আছেন। অথচ যে ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করলাম, সেই গণহত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে কোনো দলের আওয়াজ নেই। বরং সবাই তাদেরক রাজনৈতিক স্পেইস দিতে চায়। আগামী নির্বাচনে সুযোগ দিতে চায়।
তিনি বলেন, দেশকে ভালো রাখতে হলে এ অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন করতে হবে। আমাদের নিজের ভালোর জন্য এ সরকারকে আরও কিছুদিন রাখতে হবে। আমাদের প্রত্যাশা ছিল সরকার ছোট ছোট কিছু জায়গায় তাৎক্ষণিক কিছু ভূমিকা নেবে। তড়িৎ অ্যাকশন নেবে। সেটি কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি না। আজকে সাড়ে পাঁচ মাসে কেন আহতদের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন জনের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবে। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, যে তরুণদের নিয়ে মানুষ গর্ব করে, অহংকার করে, আমাদের সেই ছাত্র তরুণরাই জুলাই ফাউন্ডেশনের দায়িত্বে আছেন। কিন্তু, তাদের কাছে কেন আমলাতন্ত্রের জটিলতা থাকবে। তাদের অফিসে কেন লালফিতার দৌরাত্ম থাকবে।
মানববন্ধনে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুথানে সম্মুখসারির আহত ও নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে ৯ দফা দাবি জানান হয়। দাবিগুলো হলো-
১। আগামী এক সপ্তাহের (১৯ জানুয়ারি) মধ্যে আহত ও নিহতদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে এবং তাদেরকে পরিচয়পত্র (স্মার্ট কার্ড) প্রদান করতে হবে।
২। আহতদের দ্রুত সু-চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে (দেশে/ বিদেশে)। গণঅভ্যুত্থানে আহতদের আজীবন বিনামূল্যে সরকারিভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
৩। ২০২৪ গণঅভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি ও নিহতের পরিবারকে সরকারী মাসিক সম্মানী ভাতার ব্যবস্থা করতে হবে।
৪। গণঅভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি ও নিহত পরিবারকে দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৫। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি বা নিহত ব্যক্তির পরিবারকে পরবর্তী কোনো সরকার উদ্দেশ্য প্রণোদিত বা রাজনৈতিকভাবে কোনো হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দেওয়া যাবে না, এ মর্মে আইন পাস করতে হবে।
৬। জটিলতা নিরসন করে শহীদ জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে আহত ও নিহতদের পরিবারকে দ্রুত সহায়তা প্রদান করতে হবে।
৭। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত বিচার সম্পন্ন করতে হবে।
৮। ২৪ গণঅভ্যুত্থানের জন্য সম্পূর্ণ পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করতে হবে।
৯। সব দাবিগুলো সরকারিভাবে লিপিবদ্ধ করে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।
কবি নজরুল সরকারি কলেজের আহত শিক্ষার্থী মো. তৌফিক শাহারিয়ারের সভাপতিত্বে এবং মো. আল-আমীন ও রেজাউল করিম রেজার সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহীদুল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক নাসির উদ্দিন, বুয়েটের এআরআই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. আরমানা সাবিহা হক, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটি সমন্বয়ক নাজমুল হাসান।

দেশ গড়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকদেরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেন, শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণে সম্পদ সৃষ্টি এবং সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ অপরিহার্য।
২০ ঘণ্টা আগে
নুরুল হক নুর বলেন, আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই, আপনাদের নিয়েই কাজ করতে চাই। দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলাকে আমি একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এখানে সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের অংশগ্রহণ থাকবে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় থাকবে। ওয়াজ মাহফিল ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেওয়া আমাদের সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যের অংশ।
২১ ঘণ্টা আগে
নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশের শ্রমিক আন্দোলন ও শ্রমিকদের স্বার্থে যারা দীর্ঘদিন কাজ করেছেন, তাদের সহায়তায় শ্রমিক ইশতেহার ঘোষণা হয়েছে। যারা আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব আসবে। আর যারা ক্ষমতায় আসবে না, তারা ওই ইশতেহার বাস্তবায়নে চাপ প্রয়োগের কাজ করবে
১ দিন আগে
৫৪ বছরের রাজনীতি নিয়ে দেশের মানুষ হতাশ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মানুষ এখন পরিবর্তন চায় আর এই পরিবর্তনের জন্যই আমরা কাজ করব। কিংবা ভবিষ্যতে যারা ক্ষমতায় আসতে চায়, তাদেরও এই আশ্বাস দেওয়া উচিত।
১ দিন আগে