
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গণমাধ্যম সংস্কার কমিটির নামে যে কমিটি গঠন করা হয়েছে তা ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনার পরিপন্থি বলে মন্তব্য করেছেন ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে ১২ দলীয় জোটের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি এক সভায় এ কথা জানান তারা।
সভায় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, সমসাময়িক রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এসময় নেতারা গত ২২ জানুয়ারি গণমাধ্যম সংস্কার কমিটির সদস্যদের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তা নিয়ে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানান।
জোটের শীর্ষ নেতারা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিভিন্ন সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় গণমাধ্যম সংস্কার কমিটির নামে যে কমিটি গঠন করা হয়েছে তা ফ্যাসিবাদ বিরোধী চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থি।
বক্তারা বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলের অনুমোদনকৃত টিভি চ্যানেলের মালিক এবং পলাতক ও খুনের মামলার আসামিদের সংস্কার কমিটিতে রেখে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদকে নির্মূল করা সম্ভব হবে না। আওয়ামী লীগের দোসররা এখনো প্রশাসনের সর্বস্তরে থেকে বর্তমান সরকারকে বিতর্কিত করার জন্য কাজ করে অভিযোগ করে তারা, কমিটির তালিকা প্রণয়নকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
তারা আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি বর্তমানে ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি শক্তি অত্যন্ত সুকৌশলে কাজ করে যাচ্ছে। নিজেদের মধ্যে কাদা ছোঁড়াছুড়ি না করে ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল শক্তিকে ঐক্য ও মনোবল নিয়ে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করতে হবে। কারও কারও হঠকারিতা উচ্চাকাঙ্ক্ষার জন্য স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে অর্জিত বিজয় যেন নস্যাৎ না হয় সে বিষয়ে সকলকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তারা।
সভায় ন্যূনতম সংস্কার করে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা এবং ২০১৮ ও ২৪ সালের পাতানো নির্বাচনের দোসরদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানানো হয়। ফ্যাসিবাদের উচ্ছিষ্টভোগী রাজনৈতিক দলসমূহকে আগামী নির্বাচনের জন্য অযোগ্য ঘোষণার দাবি জানানো হয়।
১২ দলীয় জোটের প্রধান জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান ও জোটের মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন সেলিম, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান ও জোটের সমন্বয়ক সৈয়দ এহসানুল হুদা ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মহিউদ্দিন ইকরাম।
এছাড়া বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ফারুক রহমান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ, বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্য জোটের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল করিম, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাশেম প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল (পিএনপি) চেয়ারম্যান ফিরোজ মো. লিটন, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি এমএ মান্নান উপস্থিত ছিলেন।
পাশাপাশি বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব তমিজ উদ্দিন টিটো, সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ রওনক ইব্রাহিম, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি জাকির হোসাইন, লেবার পার্টির মহাসচিব আমিনুল ইসলাম, কল্যাণ পার্টির যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির মহাসচিব ইমরুল কায়েস ও পিএনপি'র প্রেসিডিয়াম মেম্বার সালাউদ্দিন ঠাকুর উপস্থিত ছিলেন।

গণমাধ্যম সংস্কার কমিটির নামে যে কমিটি গঠন করা হয়েছে তা ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনার পরিপন্থি বলে মন্তব্য করেছেন ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে ১২ দলীয় জোটের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি এক সভায় এ কথা জানান তারা।
সভায় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, সমসাময়িক রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এসময় নেতারা গত ২২ জানুয়ারি গণমাধ্যম সংস্কার কমিটির সদস্যদের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তা নিয়ে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানান।
জোটের শীর্ষ নেতারা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিভিন্ন সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় গণমাধ্যম সংস্কার কমিটির নামে যে কমিটি গঠন করা হয়েছে তা ফ্যাসিবাদ বিরোধী চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থি।
বক্তারা বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলের অনুমোদনকৃত টিভি চ্যানেলের মালিক এবং পলাতক ও খুনের মামলার আসামিদের সংস্কার কমিটিতে রেখে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদকে নির্মূল করা সম্ভব হবে না। আওয়ামী লীগের দোসররা এখনো প্রশাসনের সর্বস্তরে থেকে বর্তমান সরকারকে বিতর্কিত করার জন্য কাজ করে অভিযোগ করে তারা, কমিটির তালিকা প্রণয়নকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
তারা আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি বর্তমানে ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি শক্তি অত্যন্ত সুকৌশলে কাজ করে যাচ্ছে। নিজেদের মধ্যে কাদা ছোঁড়াছুড়ি না করে ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল শক্তিকে ঐক্য ও মনোবল নিয়ে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করতে হবে। কারও কারও হঠকারিতা উচ্চাকাঙ্ক্ষার জন্য স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে অর্জিত বিজয় যেন নস্যাৎ না হয় সে বিষয়ে সকলকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তারা।
সভায় ন্যূনতম সংস্কার করে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা এবং ২০১৮ ও ২৪ সালের পাতানো নির্বাচনের দোসরদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানানো হয়। ফ্যাসিবাদের উচ্ছিষ্টভোগী রাজনৈতিক দলসমূহকে আগামী নির্বাচনের জন্য অযোগ্য ঘোষণার দাবি জানানো হয়।
১২ দলীয় জোটের প্রধান জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান ও জোটের মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন সেলিম, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান ও জোটের সমন্বয়ক সৈয়দ এহসানুল হুদা ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মহিউদ্দিন ইকরাম।
এছাড়া বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ফারুক রহমান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ, বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্য জোটের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল করিম, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাশেম প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল (পিএনপি) চেয়ারম্যান ফিরোজ মো. লিটন, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি এমএ মান্নান উপস্থিত ছিলেন।
পাশাপাশি বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব তমিজ উদ্দিন টিটো, সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ রওনক ইব্রাহিম, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি জাকির হোসাইন, লেবার পার্টির মহাসচিব আমিনুল ইসলাম, কল্যাণ পার্টির যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির মহাসচিব ইমরুল কায়েস ও পিএনপি'র প্রেসিডিয়াম মেম্বার সালাউদ্দিন ঠাকুর উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৬ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৬ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে