
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সংবিধান বাদ দিয়ে বাকি যেসব খাতের সংস্কারের জন্য কমিশনের প্রতিবেদন জমা পড়েছে, সেগুলো ঐকমত্যের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নের পক্ষে মত দিয়েছেন নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, আমরা চাই— সংবিধান সম্পর্কিত বিষয় ছাড়া বাকি আরও যে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম রয়েছে, এই অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অধ্যাদেশের মাধ্যমে সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন হোক। এ ছাড়া একই সঙ্গে আইন সভা ও গণপরিষদ নির্বাচন করা সম্ভব। এর মাধ্যমে একটি নতুন সংবিধান ও নতুন করে গণতন্ত্রের পথে আমরা যেতে পারব। সব কিছুই দ্রুততম সময়ের মধ্যে করা সম্ভব।
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) রাজধানীর একটি হোটেলে বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্মানে তার দল আয়োজিত ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
জুলাই সনদের উল্লেখ করে নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে সংস্কার কার্যক্রম চালাচ্ছেন, তাদের প্রস্তাবিত জুলাই সনদ আমরা দ্রুত কার্যকর দেখতে চাই। আমরা সবার জায়গা থেকে সবাই এ বিষয়ে সহযোগিতা করব।
আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, আওয়ামী লীগবিরোধী শক্তিগুলোর মধ্যে নীতিগত বিরোধ থাকতে পারে। কিন্তু ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ও গণতন্ত্রের পক্ষে সেই ঐক্যের জায়গা থেকে কখনোই যেন আমরা সরে না যাই। ফ্যাসিবাদী দোসর যারা ছিল, তাদের দ্রুত বিচার আমাদের সবার প্রত্যাশা। সেই কার্যক্রম আমরা দ্রুত দেখতে চাই। বিচারের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ফয়সালা করতে চাই।
আগামী নির্বাচনের আগে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উত্তরণ ঘটাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম। বলেন, নির্বাচনের জন্য সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আমলাতন্ত্র, মিডিয়ার নিরপেক্ষতা প্রয়োজন। তাই তাদের প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সবাইকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা যেন ভুলে না যাই, দেশের বিপদ এখনো কাটেনি। বাংলাদেশবিরোধী শক্তিরা এখনো ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। রাজনীতিবিদ ও অভ্যুত্থানের শক্তির মধ্যে অনৈক্য, সামরিক-বেসামরিক আমলাতন্ত্র, মাফিয়া ব্যবসায়িক শ্রেণি ও ষড়যন্ত্রকারীরা নানা বৈদেশিক শক্তিকে সুযোগ করে দিতে পারে। আমাদের মধ্যে নীতিগত বিরোধ হবে, কিন্তু ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যের জায়গা থাকতে হবে।
নাগরিক পার্টির এ ইফতার আয়োজনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ও যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবিধান বাদ দিয়ে বাকি যেসব খাতের সংস্কারের জন্য কমিশনের প্রতিবেদন জমা পড়েছে, সেগুলো ঐকমত্যের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নের পক্ষে মত দিয়েছেন নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, আমরা চাই— সংবিধান সম্পর্কিত বিষয় ছাড়া বাকি আরও যে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম রয়েছে, এই অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অধ্যাদেশের মাধ্যমে সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন হোক। এ ছাড়া একই সঙ্গে আইন সভা ও গণপরিষদ নির্বাচন করা সম্ভব। এর মাধ্যমে একটি নতুন সংবিধান ও নতুন করে গণতন্ত্রের পথে আমরা যেতে পারব। সব কিছুই দ্রুততম সময়ের মধ্যে করা সম্ভব।
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) রাজধানীর একটি হোটেলে বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্মানে তার দল আয়োজিত ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
জুলাই সনদের উল্লেখ করে নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে সংস্কার কার্যক্রম চালাচ্ছেন, তাদের প্রস্তাবিত জুলাই সনদ আমরা দ্রুত কার্যকর দেখতে চাই। আমরা সবার জায়গা থেকে সবাই এ বিষয়ে সহযোগিতা করব।
আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, আওয়ামী লীগবিরোধী শক্তিগুলোর মধ্যে নীতিগত বিরোধ থাকতে পারে। কিন্তু ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ও গণতন্ত্রের পক্ষে সেই ঐক্যের জায়গা থেকে কখনোই যেন আমরা সরে না যাই। ফ্যাসিবাদী দোসর যারা ছিল, তাদের দ্রুত বিচার আমাদের সবার প্রত্যাশা। সেই কার্যক্রম আমরা দ্রুত দেখতে চাই। বিচারের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ফয়সালা করতে চাই।
আগামী নির্বাচনের আগে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উত্তরণ ঘটাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম। বলেন, নির্বাচনের জন্য সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আমলাতন্ত্র, মিডিয়ার নিরপেক্ষতা প্রয়োজন। তাই তাদের প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সবাইকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা যেন ভুলে না যাই, দেশের বিপদ এখনো কাটেনি। বাংলাদেশবিরোধী শক্তিরা এখনো ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। রাজনীতিবিদ ও অভ্যুত্থানের শক্তির মধ্যে অনৈক্য, সামরিক-বেসামরিক আমলাতন্ত্র, মাফিয়া ব্যবসায়িক শ্রেণি ও ষড়যন্ত্রকারীরা নানা বৈদেশিক শক্তিকে সুযোগ করে দিতে পারে। আমাদের মধ্যে নীতিগত বিরোধ হবে, কিন্তু ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যের জায়গা থাকতে হবে।
নাগরিক পার্টির এ ইফতার আয়োজনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ও যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশ গড়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকদেরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেন, শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণে সম্পদ সৃষ্টি এবং সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ অপরিহার্য।
১৪ ঘণ্টা আগে
নুরুল হক নুর বলেন, আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই, আপনাদের নিয়েই কাজ করতে চাই। দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলাকে আমি একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এখানে সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের অংশগ্রহণ থাকবে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় থাকবে। ওয়াজ মাহফিল ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেওয়া আমাদের সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যের অংশ।
১৫ ঘণ্টা আগে
নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশের শ্রমিক আন্দোলন ও শ্রমিকদের স্বার্থে যারা দীর্ঘদিন কাজ করেছেন, তাদের সহায়তায় শ্রমিক ইশতেহার ঘোষণা হয়েছে। যারা আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব আসবে। আর যারা ক্ষমতায় আসবে না, তারা ওই ইশতেহার বাস্তবায়নে চাপ প্রয়োগের কাজ করবে
১৬ ঘণ্টা আগে
৫৪ বছরের রাজনীতি নিয়ে দেশের মানুষ হতাশ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মানুষ এখন পরিবর্তন চায় আর এই পরিবর্তনের জন্যই আমরা কাজ করব। কিংবা ভবিষ্যতে যারা ক্ষমতায় আসতে চায়, তাদেরও এই আশ্বাস দেওয়া উচিত।
১৬ ঘণ্টা আগে