
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এবি পার্টির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় কিংবা বাংলাদেশের জনগণের সম্মান রক্ষায় ভারত কখনও মনোযোগী হয়নি। তারা আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের ওপর একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করেছিল। আসলে ভারতের হিন্দু প্রেম মূলত আওয়ামী প্রেম ছাড়া আর কিছুই নয়।
বৃহস্পতিবার আমার বাংলাদেশ যুবপার্টির উদ্যোগে ভারতের মিডিয়ায় ধারাবাহিক মিথ্যাচারের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে তিনি এ দাবি করেন।
যুবপার্টির আহ্বায়ক শাহাদাতুল্লাহ টুটুলের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব হাদিউজ্জামান খোকনের সঞ্চালনায় আয়োজিত বিক্ষোভে প্রধান অতিথি ছিলেন মজিবুর রহমান মঞ্জু। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক লে. কর্নেল (অব.) দিদারুল আলম, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আলতাফ হোসাইনসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথি মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ভারত সরকার হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। হাসিনার শাসন আমলে বিশ্বজিতকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা এবং এ দেশের একমাত্র হিন্দু বিচারক সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করে দেশ থেকে বিতাড়িত করলেও ভারত সরকার কথা বলেনি। তারা মূলত মুখে হিন্দু প্রেমের কথা বললেও তাদের অন্তরে আওয়ামী লীগ প্রেম ছাড়া কিছুই নেই।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল দিদারুল আলম পিএসসি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়। তবে, কারোর ইশারায় আমাদের শান্তি নষ্টের পাঁয়তারা করা যাবে না। আমরা রুখে দাঁড়াতে জানি। ভারত সরকার যদি মিডিয়ার নৈরাজ্যের নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয় তাহলে এটা হবে ভারত সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা।
বিশেষ অতিথি আলতাফ হোসাইন বলেন, শেখ হাসিনার পতনের পর ভারত যেভাবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার পক্ষ নিয়েছে সেটি খুবই দুঃখজনক। ভারত সরকারের উচিত বাংলাদেশের মানুষের সাথে সমর্পক করা, কোনও দলের সাথে বা ব্যক্তির সঙ্গে নয়।
সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, ভারতীয় মিডিয়ার আগ্রসন মোকাবেলায় আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ভারতীয় মিডিয়ার অপ্রচার ভারতকে সারা বিশ্ব থেকে আলাদা করে ফেলবে। হিন্দু-মুসলিম ঐক্য বাংলাদেশের মানুষের চির ঐতিহ্য। আমরা একসাথে চরছি যুগের পর যুগ। সুতরাং ঠুনকো অজুহাতে আমাদের হিন্দু-মুসলিম ঐক্যে ফাটল ধরানো যাবে না। তারা যতবেশি অপ্রচার চালাবে ততবেশি আমরা ঐক্যবদ্ধ হব।
বিক্ষোভ মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব সেলিম খান, যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুর রব জামিল, কেন্দ্রীয় সহকারী সদস্য সচিব আব্দুর রহমান, সফিউল বাসার, এবি যুবপার্টির দপ্তর সম্পাদক আমানুল্লাহ সরকার রাসেল, যুগ্ম সদস্য সচিব তোফাজ্জেল হোসেন রমিজ, যুবপার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক মাহমুদ আযাদ, ঢাকা মহানগর উত্তর সদস্য সচিব শাহিনুর আক্তার শীলা, যুগ্ম সদস্য রাসেদুল ইসলাম, পল্টন থানা আহ্বায়ক ইমরান হোসেন শিবলু প্রমুখ।

এবি পার্টির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় কিংবা বাংলাদেশের জনগণের সম্মান রক্ষায় ভারত কখনও মনোযোগী হয়নি। তারা আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের ওপর একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করেছিল। আসলে ভারতের হিন্দু প্রেম মূলত আওয়ামী প্রেম ছাড়া আর কিছুই নয়।
বৃহস্পতিবার আমার বাংলাদেশ যুবপার্টির উদ্যোগে ভারতের মিডিয়ায় ধারাবাহিক মিথ্যাচারের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে তিনি এ দাবি করেন।
যুবপার্টির আহ্বায়ক শাহাদাতুল্লাহ টুটুলের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব হাদিউজ্জামান খোকনের সঞ্চালনায় আয়োজিত বিক্ষোভে প্রধান অতিথি ছিলেন মজিবুর রহমান মঞ্জু। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক লে. কর্নেল (অব.) দিদারুল আলম, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আলতাফ হোসাইনসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথি মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ভারত সরকার হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। হাসিনার শাসন আমলে বিশ্বজিতকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা এবং এ দেশের একমাত্র হিন্দু বিচারক সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করে দেশ থেকে বিতাড়িত করলেও ভারত সরকার কথা বলেনি। তারা মূলত মুখে হিন্দু প্রেমের কথা বললেও তাদের অন্তরে আওয়ামী লীগ প্রেম ছাড়া কিছুই নেই।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল দিদারুল আলম পিএসসি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়। তবে, কারোর ইশারায় আমাদের শান্তি নষ্টের পাঁয়তারা করা যাবে না। আমরা রুখে দাঁড়াতে জানি। ভারত সরকার যদি মিডিয়ার নৈরাজ্যের নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয় তাহলে এটা হবে ভারত সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা।
বিশেষ অতিথি আলতাফ হোসাইন বলেন, শেখ হাসিনার পতনের পর ভারত যেভাবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার পক্ষ নিয়েছে সেটি খুবই দুঃখজনক। ভারত সরকারের উচিত বাংলাদেশের মানুষের সাথে সমর্পক করা, কোনও দলের সাথে বা ব্যক্তির সঙ্গে নয়।
সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, ভারতীয় মিডিয়ার আগ্রসন মোকাবেলায় আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ভারতীয় মিডিয়ার অপ্রচার ভারতকে সারা বিশ্ব থেকে আলাদা করে ফেলবে। হিন্দু-মুসলিম ঐক্য বাংলাদেশের মানুষের চির ঐতিহ্য। আমরা একসাথে চরছি যুগের পর যুগ। সুতরাং ঠুনকো অজুহাতে আমাদের হিন্দু-মুসলিম ঐক্যে ফাটল ধরানো যাবে না। তারা যতবেশি অপ্রচার চালাবে ততবেশি আমরা ঐক্যবদ্ধ হব।
বিক্ষোভ মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব সেলিম খান, যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুর রব জামিল, কেন্দ্রীয় সহকারী সদস্য সচিব আব্দুর রহমান, সফিউল বাসার, এবি যুবপার্টির দপ্তর সম্পাদক আমানুল্লাহ সরকার রাসেল, যুগ্ম সদস্য সচিব তোফাজ্জেল হোসেন রমিজ, যুবপার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক মাহমুদ আযাদ, ঢাকা মহানগর উত্তর সদস্য সচিব শাহিনুর আক্তার শীলা, যুগ্ম সদস্য রাসেদুল ইসলাম, পল্টন থানা আহ্বায়ক ইমরান হোসেন শিবলু প্রমুখ।

আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রথমত, আইনে যেটা আছে, সেটা আছে। দ্বিতীয়ত, সরকার যেটা করেছে সংবিধান মেনেই করেছে। এখানে (সংবিধানের) ব্যত্যয়ের কিছু ঘটেনি। সুতরাং আমরা যা করেছি, সাংবিধানিকভাবেই করেছি।’
২ দিন আগে
জনগণের গণরায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
২ দিন আগে
ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া তাদের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে এ অভিনন্দন পৌঁছে দেন। এ সময় সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।
২ দিন আগে
চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫১ বছরে দুই দেশ সবসময় একে অন্যকে সম্মান করেছে এবং সমতার ভিত্তিতে আচরণ করেছে। নিজ দেশের মূল স্বার্থ ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরস্পরকে সহযোগিতা করেছে। একই সঙ্গে আধুনিকায়নের পথে হাতে হাত মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে।
২ দিন আগে