
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দপ্তর সেলের সদস্য জাহিদ আহসানের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “মহান বিজয় দিবসে ফ্যাসিবাদী শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু কর্তৃক বঙ্গভবনে বিজয় দিবস উদযাপনের আমন্ত্রণ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রত্যাখ্যান করছে।
নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সাংগঠনিকভাবে যুক্ত কোনো নেতাকর্মী আজ বঙ্গভবনে মহান বিজয় দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠানে যাবে না।
মহান বিজয় দিবসের মতো জাতীয় গৌরবের দিন ফ্যাসিবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে পালন করাকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানের অভিপ্রায়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ মনে করে। ”
এ অনুষ্ঠানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃস্থানীয় অনেককে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং তারা তা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এ বিষয়ে ছাত্রশিবিরের এক আলোচনা সভায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, যেদিন ৫ আগস্ট হয়েছে, সেদিন থেকে আর কোনো রাষ্ট্রপতি থাকে না। আমি যদি এই রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে যাই, তাহলে এটা হবে আমার নিজের সাথে প্রতারণা।
তিনি বলেন, যারা এই অনুষ্ঠানে যাবে তারা বিল্পববিরোধী অথবা তাদের এখানে কোনো স্টেক আছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা বলেন, রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগ চেয়েছি আমরা। এ অবস্থায় তার অনুষ্ঠানে বিজয় উদযাপন করা গণঅভ্যুত্থানের অভিপ্রায়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে আমরা মনে করছি।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দপ্তর সেলের সদস্য জাহিদ আহসানের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “মহান বিজয় দিবসে ফ্যাসিবাদী শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু কর্তৃক বঙ্গভবনে বিজয় দিবস উদযাপনের আমন্ত্রণ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রত্যাখ্যান করছে।
নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সাংগঠনিকভাবে যুক্ত কোনো নেতাকর্মী আজ বঙ্গভবনে মহান বিজয় দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠানে যাবে না।
মহান বিজয় দিবসের মতো জাতীয় গৌরবের দিন ফ্যাসিবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে পালন করাকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানের অভিপ্রায়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ মনে করে। ”
এ অনুষ্ঠানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃস্থানীয় অনেককে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং তারা তা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এ বিষয়ে ছাত্রশিবিরের এক আলোচনা সভায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, যেদিন ৫ আগস্ট হয়েছে, সেদিন থেকে আর কোনো রাষ্ট্রপতি থাকে না। আমি যদি এই রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে যাই, তাহলে এটা হবে আমার নিজের সাথে প্রতারণা।
তিনি বলেন, যারা এই অনুষ্ঠানে যাবে তারা বিল্পববিরোধী অথবা তাদের এখানে কোনো স্টেক আছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা বলেন, রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগ চেয়েছি আমরা। এ অবস্থায় তার অনুষ্ঠানে বিজয় উদযাপন করা গণঅভ্যুত্থানের অভিপ্রায়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে আমরা মনে করছি।

এর আগে বেলা ১১টায় নির্বাচন কার্যালয়ের সামনে পূর্ব নির্ধারিত ‘নির্বাচন কমিশন কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি’ পালন করতে এসে বসে পড়েন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে সন্ধ্যায় ইসির সিনিয়র সচিব আখতার হোসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে দিনের কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রতিনিধি দলে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তাদের বৈঠক শুরু হওয়া
১০ ঘণ্টা আগে
বিএনপি মহাসচিব বলেন, পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি। বিশেষ করে, বিদেশে যারা নিবন্ধিত ভোটার তাদের কাছে ব্যালট পেপার পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এবং যেভাবে ব্যালট পেপারটি মুদ্রণ করা হয়েছে, সে ক্ষেত্রে আমরা আমাদের অভিযোগ তাদের (নির্বাচন কমিশন) দিয়েছি।
১০ ঘণ্টা আগে
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন- বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান, বিএনপি চেয়ারপার্সন উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, সাবেক ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশন সচিব ডক্টর মোহাম্মদ জকরিয়া ও ব্যারিস্টার র
১০ ঘণ্টা আগে