
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

২০০৯ থেকে ২০২৪। মাঝখানে পেরিয়ে গেছে ১৫ বছর। রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) বিদ্রোহের নৃশংস ঘটনায় করা হত্যা মামলার বিচার এখনো চূড়ান্ত নিষ্পত্তির পথে যায়নি। নির্মম ও বিয়োগান্ত ওই বিদ্রোহের ‘ঘটনার পেছনের ঘটনা’ বা এ ঘটনায় করা জড়িত তা উদঘাটন করতে একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হাইকোর্টের রায়ে তাগিদ ও সুপারিশ ছিল চার বছরের বেশি সময় আগে। তারও কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে জানা যায়নি বিদ্রোহের নামে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনের প্রাণ কেড়ে নেওয়ার ‘কুশীলব’ কারা ছিলেন।
স্বাধীন বাংলাদেশে নৃশংসতম ঘটনা বলে বর্ণনা করা হয় সেদিনের বিডিআর বিদ্রোহকে। নারকীয় এ হত্যাকাণ্ডের ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি কোনও মামলার। আপিল বিভাগে ঝুলে আছে হত্যা মামলার বিচার। হাইকোর্টের রায়ের পর ছয় বছর হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত শুনানি হয়নি সর্বোচ্চ আদালতে। আর ২০১১ সালে শুরু হওয়া বিস্ফোরক আইনের মামলার বিচার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে ঢাকার আদালতে।
তবে চলতি বছরের মধ্যে হত্যা মামলার আপিল শুনানি শুরু হতে পারে বলে আশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ। আসামিপক্ষের প্রত্যাশা, আপিল বিভাগে বিচারক বাড়িয়ে আলাদা বেঞ্চ গঠন করে দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করা হবে।
কী ঘটেছিল ১৫ বছর আগের এই দিনে
সকাল ৯টা ২ মিনিট। বার্ষিক দরবার চলছিল তৎকালীন বিডিআর (বাংলাদেশ রাইফেলস) বাহিনীর। শুরুতেই উচ্চ পদস্থ সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখেন বেশ কয়েকজন বিডিআর জওয়ান। তাদের বক্তব্যের ভাষা ছিল ঝাঁঝালো। দাবি করেন সেনা কর্মকর্তাদের মতো সমান অধিকার। এরপরই বক্তব্য রাখেন তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর শাকিল আহমেদ। উত্তপ্ত দরবারের পরিবেশ।
৯ টা ২৭ মিনিট। হঠাৎ দরবার হলে ঢুকে পড়েন একদল বিদ্রোহী সৈনিক। তাদেরই একজন বন্দুক তাক করেন মেজর শাকিলের বুকে। সূচনা হয় ইতিহাসের সেই নৃশংসতম ঘটনার। সেনা কর্মকর্তাদের উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন বিদ্রোহী সৈনিকরা। কর্মকর্তাদের হত্যা করেই ক্ষান্ত হন না বিদ্রোহী জওয়ানরা, জিম্মি করে ফেলেন কর্মকর্তাদের পরিবারগুলোকে। পুরো পিলখানায় সৃষ্টি হয় ভীতিকর পরিস্থিতি। চারটি প্রবেশ গেট নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আশপাশের এলাকায় গুলি ছুঁড়তে থাকেন বিদ্রোহীরা।
দরবার হল ও এর আশপাশের এলাকায় সেনা কর্মকর্তাদের উপর গুলি করতে থাকেন তারা। একে একে লুটিয়ে পড়তে থাকেন সেনা কর্মকর্তারা। ৩৬ ঘণ্টা পর এ অবসান হয় বিদ্রোহের। এক রক্তাক্ত প্রান্তরে পরিণত হয় পিলখানা। পরে ভেতরে আবিষ্কৃত হয় গণকবরও। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় বেশ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার মরদেহ। ৩৬ ঘণ্টার এ হত্যাযজ্ঞে ৫৭ সেনা কর্মকর্তা ছাড়াও নিহত হন এক সৈনিক, দুই সেনা কর্মকর্তার স্ত্রী, ৯ বিজিবি সদস্য ও পাঁচ বেসামরিক ব্যক্তি।
মামলা ও বিচারকার্য
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মামলা হিসেবে পরিচিত এটি। দীর্ঘ বিচার ও রায় শেষে ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি পিলখানা হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন হাইকোর্ট।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় ২০০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। পরে এসব মামলা নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তরিত হয়।
হত্যা মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২৩ বেসামরিক ব্যক্তিসহ প্রথমে ৮২৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে সম্পূরক অভিযোগপত্রে আরও ২৬ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করায় আসামির সংখ্যা বেড়ে হয় ৮৫০ জন। এছাড়া বিস্ফোরক আইনে করা মামলায় ৮০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় সিআইডি। পরে আরও ২৬ জনকে অভিযুক্ত করে মোট ৮৩৪ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।
রাজধানীর পুরান ঢাকার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ইতিহাসের কলঙ্কজনক এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন, ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে (তিন বছর থেকে ১৭ বছর পর্যন্ত) কারাদণ্ড, ২৭৮ জনকে খালাস দেওয়া হয়। এছাড়া চার আসামি বিচার চলাকালে মারা যাওয়ায় অব্যাহতি দেওয়া হয় তাদের।
আদালতের রায় ঘোষণার পর ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে যায়। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে আসামিরা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল ও জেল আপিল করেন। এর মধ্যে ৬৯ জনকে খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। গুরুত্বপূর্ণ এ মামলার শুনানির জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেন সুপ্রিম কোর্ট।
২০১৫ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ বেঞ্চ গঠন করে দেন। দেশের ইতিহাসে আসামির সংখ্যার দিক দিয়ে সবচেয়ে বড় এ মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে শুনানি শুরু হয়।
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিতরা সবাই বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (তৎকালীন বিডিআর) সদস্য ছিলেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিতদের মধ্যে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু ও আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলীও রয়েছেন। এর মধ্যে নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু ২০১৫ সালের ৩ মে রাজশাহী কারাগারে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
রায়ে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৫২ জন আসামির মধ্যে ১৩৯ জনের ফাঁসির রায় বহাল রাখেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আটজনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন করা হয় ও চারজনকে খালাস দেওয়া হয়।
এছাড়া বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন পাওয়া ১৬০ জন আসামির মধ্যে ১৪৬ জনের সাজা বহাল রাখেন হাইকোর্ট। এদের মধ্যে দুজন আসামির মৃত্যু হয়েছে এবং ১২ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।

২০০৯ থেকে ২০২৪। মাঝখানে পেরিয়ে গেছে ১৫ বছর। রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) বিদ্রোহের নৃশংস ঘটনায় করা হত্যা মামলার বিচার এখনো চূড়ান্ত নিষ্পত্তির পথে যায়নি। নির্মম ও বিয়োগান্ত ওই বিদ্রোহের ‘ঘটনার পেছনের ঘটনা’ বা এ ঘটনায় করা জড়িত তা উদঘাটন করতে একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হাইকোর্টের রায়ে তাগিদ ও সুপারিশ ছিল চার বছরের বেশি সময় আগে। তারও কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে জানা যায়নি বিদ্রোহের নামে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনের প্রাণ কেড়ে নেওয়ার ‘কুশীলব’ কারা ছিলেন।
স্বাধীন বাংলাদেশে নৃশংসতম ঘটনা বলে বর্ণনা করা হয় সেদিনের বিডিআর বিদ্রোহকে। নারকীয় এ হত্যাকাণ্ডের ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি কোনও মামলার। আপিল বিভাগে ঝুলে আছে হত্যা মামলার বিচার। হাইকোর্টের রায়ের পর ছয় বছর হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত শুনানি হয়নি সর্বোচ্চ আদালতে। আর ২০১১ সালে শুরু হওয়া বিস্ফোরক আইনের মামলার বিচার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে ঢাকার আদালতে।
তবে চলতি বছরের মধ্যে হত্যা মামলার আপিল শুনানি শুরু হতে পারে বলে আশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ। আসামিপক্ষের প্রত্যাশা, আপিল বিভাগে বিচারক বাড়িয়ে আলাদা বেঞ্চ গঠন করে দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করা হবে।
কী ঘটেছিল ১৫ বছর আগের এই দিনে
সকাল ৯টা ২ মিনিট। বার্ষিক দরবার চলছিল তৎকালীন বিডিআর (বাংলাদেশ রাইফেলস) বাহিনীর। শুরুতেই উচ্চ পদস্থ সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখেন বেশ কয়েকজন বিডিআর জওয়ান। তাদের বক্তব্যের ভাষা ছিল ঝাঁঝালো। দাবি করেন সেনা কর্মকর্তাদের মতো সমান অধিকার। এরপরই বক্তব্য রাখেন তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর শাকিল আহমেদ। উত্তপ্ত দরবারের পরিবেশ।
৯ টা ২৭ মিনিট। হঠাৎ দরবার হলে ঢুকে পড়েন একদল বিদ্রোহী সৈনিক। তাদেরই একজন বন্দুক তাক করেন মেজর শাকিলের বুকে। সূচনা হয় ইতিহাসের সেই নৃশংসতম ঘটনার। সেনা কর্মকর্তাদের উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন বিদ্রোহী সৈনিকরা। কর্মকর্তাদের হত্যা করেই ক্ষান্ত হন না বিদ্রোহী জওয়ানরা, জিম্মি করে ফেলেন কর্মকর্তাদের পরিবারগুলোকে। পুরো পিলখানায় সৃষ্টি হয় ভীতিকর পরিস্থিতি। চারটি প্রবেশ গেট নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আশপাশের এলাকায় গুলি ছুঁড়তে থাকেন বিদ্রোহীরা।
দরবার হল ও এর আশপাশের এলাকায় সেনা কর্মকর্তাদের উপর গুলি করতে থাকেন তারা। একে একে লুটিয়ে পড়তে থাকেন সেনা কর্মকর্তারা। ৩৬ ঘণ্টা পর এ অবসান হয় বিদ্রোহের। এক রক্তাক্ত প্রান্তরে পরিণত হয় পিলখানা। পরে ভেতরে আবিষ্কৃত হয় গণকবরও। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় বেশ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার মরদেহ। ৩৬ ঘণ্টার এ হত্যাযজ্ঞে ৫৭ সেনা কর্মকর্তা ছাড়াও নিহত হন এক সৈনিক, দুই সেনা কর্মকর্তার স্ত্রী, ৯ বিজিবি সদস্য ও পাঁচ বেসামরিক ব্যক্তি।
মামলা ও বিচারকার্য
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মামলা হিসেবে পরিচিত এটি। দীর্ঘ বিচার ও রায় শেষে ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি পিলখানা হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন হাইকোর্ট।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় ২০০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। পরে এসব মামলা নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তরিত হয়।
হত্যা মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২৩ বেসামরিক ব্যক্তিসহ প্রথমে ৮২৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে সম্পূরক অভিযোগপত্রে আরও ২৬ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করায় আসামির সংখ্যা বেড়ে হয় ৮৫০ জন। এছাড়া বিস্ফোরক আইনে করা মামলায় ৮০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় সিআইডি। পরে আরও ২৬ জনকে অভিযুক্ত করে মোট ৮৩৪ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।
রাজধানীর পুরান ঢাকার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ইতিহাসের কলঙ্কজনক এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন, ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে (তিন বছর থেকে ১৭ বছর পর্যন্ত) কারাদণ্ড, ২৭৮ জনকে খালাস দেওয়া হয়। এছাড়া চার আসামি বিচার চলাকালে মারা যাওয়ায় অব্যাহতি দেওয়া হয় তাদের।
আদালতের রায় ঘোষণার পর ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে যায়। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে আসামিরা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল ও জেল আপিল করেন। এর মধ্যে ৬৯ জনকে খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। গুরুত্বপূর্ণ এ মামলার শুনানির জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেন সুপ্রিম কোর্ট।
২০১৫ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ বেঞ্চ গঠন করে দেন। দেশের ইতিহাসে আসামির সংখ্যার দিক দিয়ে সবচেয়ে বড় এ মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে শুনানি শুরু হয়।
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিতরা সবাই বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (তৎকালীন বিডিআর) সদস্য ছিলেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিতদের মধ্যে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু ও আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলীও রয়েছেন। এর মধ্যে নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু ২০১৫ সালের ৩ মে রাজশাহী কারাগারে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
রায়ে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৫২ জন আসামির মধ্যে ১৩৯ জনের ফাঁসির রায় বহাল রাখেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আটজনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন করা হয় ও চারজনকে খালাস দেওয়া হয়।
এছাড়া বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন পাওয়া ১৬০ জন আসামির মধ্যে ১৪৬ জনের সাজা বহাল রাখেন হাইকোর্ট। এদের মধ্যে দুজন আসামির মৃত্যু হয়েছে এবং ১২ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
২ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে